


তেল আভিভ: আপাতত শান্ত ইরান ও ইজরায়েলের পরিস্থিতি। এরইমাঝে ইজরায়েলের তরফে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইকে নিশানা করার খবর সামনে এসেছে। প্রাণনাশের শঙ্কার জেরেই খামেনেই সমস্ত ক্ষমতা বিপ্লবী গার্ডের ‘সুপ্রিম হাউস’-এর কাছে হস্তান্তর করেছেন বলেও শোনা গিয়েছে। এবার সেই খবরে সিলমোহর দিল খোদ ইজরায়েল। এনিয়ে ইজরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইজরায়েল কাৎজ জানিয়েছেন, ‘আমরা খামেনেইকে সরিয়ে দিতে চেয়েছিলাম। সেজন্য অনেক সন্ধান চালানো হয়। কিন্তু ঠিকঠাক সুযোগ মেলেনি।’
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ধীরে ধীরে নিজেদের রণনীতির খোলস ছাড়াতে শুরু করেছেন ইজরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী। তাঁর কথায়, যুদ্ধের শুরু থেকেই আমাদের নিশানায় ছিলেন খামেনেই। আর সেই আঁচ পেয়ে আগেভাগেই লুকিয়ে পড়েন তিনি। এমনকী নিজের কমান্ডারদের সঙ্গেও সমস্ত যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছিলেন। খামেনেইকে খুঁজে বের করে খতম করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছিল সেনাকে। যদি আমাদের রেডারের মধ্যে থাকতেন, তাহলে ঠিক বাইরে বের করে আনতাম।’
কাৎজের বার্তা, যুদ্ধের সময় শাসনব্যবস্থা পরিবর্তন করা ইজরায়েলের লক্ষ্য ছিল না। বরং অভিযানের মাঝে ওদের শাসনব্যবস্থাকে বিপর্যস্ত করে দিয়ে চাপ তৈরি করাই ছিল উদ্দেশ্য। আসলে হিজবুল্লাহর প্রাক্তন প্রধান নাসরুল্লার কাছ থেকে খামেনেইর শেখা উচিত। উনিও দীর্ঘদিন বাঙ্কারে লুকিয়েছিলেন। প্রাণ বাঁচাতে খামেনেইরও তাই করা উচিত।