সংবাদদাতা, ডোমকল: ইসলামপুরে আগুনে ভস্মীভূত হল একটি দোকান। শুক্রবার দুপুরে ইসলামপুরের বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন এলাকার ওই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ায়। অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হতাহতের কোনও খবর না থাকলেও দোকানটির সর্বস্ব পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে।
Advertisement
স্থানীয় ও পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, ইসলামপুর বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন এলাকায় বেডিংয়ের দোকান ছিল মতি আলমের। শুক্রবার সকাল থেকে দোকান বন্ধই ছিল। দুপুরের দিকে ওই দোকান ঘর থেকে ধোঁয়া বেরতে দেখেন আশপাশের ব্যবসায়ীরা। সেই সময় মতিসাহেব মসজিদে নামাজ পড়তে গিয়েছিলেন। তিনি না থাকায় বন্ধ দোকানে আগুন নেভাতে গিয়ে আশেপাশের ব্যবসায়ীদের বেগ পেতে হয়। তাঁকে ডেকে এনে তালা খুলতেই ভিতরে দাউ দাউ করে আগুন জ্বলতে দেখা যায়। খবর পেয়ে দমকলের একটি ইঞ্জিন আসে। স্থানীয় বাসিন্দা ও দমকলের প্রচেষ্টায় ঘণ্টাখানেক পরে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। যদিও ততক্ষণে আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে যায় দোকানের সর্বস্ব।
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী মতি আলম বলেন, দোকানে প্রায় ১৬ লক্ষ টাকার সামগ্রী ছিল। সমস্ত কিছুই পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে। আমি পুরো নিঃস্ব হয়ে গিয়েছি। কীভাবে আগুন লেগেছে, তা বুঝে উঠতে পারছি না।
ডোমকল দমকল বিভাগের লিডার কৃষ্ণ কর্মকার বলেন, আমরা আগুন লাগার খবর শুনে আসি। দোকান দাউ দাউ করে জ্বলছিল। কিছুক্ষণের মধ্যেই আমরা আগুন নিয়ন্ত্রণে এনেছি। কীভাবে আগুন লেগেছিল এটা এখনই বলা সম্ভব নয়। আগুন লাগার কারণ তদন্তে উঠে আসবে। জেলা পরিষদের সদস্যা সোমা খাতুন বলেন, শুক্রবার পূর্ণদিবস উপলক্ষ্যে বাজার বন্ধ ছিল। নামাজের সময় হওয়ায় লোকজনও বাজারঘাটে তেমন ছিল না। আমাদের কাছে খবর আসা মাত্রই দমকলকে জানাই। পরে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী মতি আলম বলেন, দোকানে প্রায় ১৬ লক্ষ টাকার সামগ্রী ছিল। সমস্ত কিছুই পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে। আমি পুরো নিঃস্ব হয়ে গিয়েছি। কীভাবে আগুন লেগেছে, তা বুঝে উঠতে পারছি না।
ডোমকল দমকল বিভাগের লিডার কৃষ্ণ কর্মকার বলেন, আমরা আগুন লাগার খবর শুনে আসি। দোকান দাউ দাউ করে জ্বলছিল। কিছুক্ষণের মধ্যেই আমরা আগুন নিয়ন্ত্রণে এনেছি। কীভাবে আগুন লেগেছিল এটা এখনই বলা সম্ভব নয়। আগুন লাগার কারণ তদন্তে উঠে আসবে। জেলা পরিষদের সদস্যা সোমা খাতুন বলেন, শুক্রবার পূর্ণদিবস উপলক্ষ্যে বাজার বন্ধ ছিল। নামাজের সময় হওয়ায় লোকজনও বাজারঘাটে তেমন ছিল না। আমাদের কাছে খবর আসা মাত্রই দমকলকে জানাই। পরে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।



