সংবাদদাতা, ইসলামপুর: বিধানসভায় ইসলামপুরের ডাঙাপাড়া এলাকায় দোলঞ্চা নদীর উপর সেতু নির্মাণের দাবি উঠল। প্রায় দুই দশক ধরে স্থানীয়রা এই দাবি জানিয়ে আসছেন। সেই দাবিই এবার বিধানসভায় তুলে ধরলেন স্থানীয় বিধায়ক তৃণমূলের কানাইয়ালাল আগরওয়াল। স্থানীয়রা এতে খুশী।
সংবাদদাতা, ইসলামপুর: বিধানসভায় ইসলামপুরের ডাঙাপাড়া এলাকায় দোলঞ্চা নদীর উপর সেতু নির্মাণের দাবি উঠল। প্রায় দুই দশক ধরে স্থানীয়রা এই দাবি জানিয়ে আসছেন। সেই দাবিই এবার বিধানসভায় তুলে ধরলেন স্থানীয় বিধায়ক তৃণমূলের কানাইয়ালাল আগরওয়াল। স্থানীয়রা এতে খুশী।
স্থানীয়রা বলছেন, ইসলামপুরের মাটিকুন্ডা-১ ও ২ ও পণ্ডিতপোঁতা-১ পঞ্চায়েতের সংযোগস্থলে ডাঙাপাড়া এলাকায় দোলঞ্চা নদীর উপর বাঁশের সাঁকো দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ নদী পারাপার হন। সাঁকোর বদলে সেখানে কংক্রিটের সেতু নির্মাণের দাবি দীর্ঘ দিনের। বহুবার নেতা মন্ত্রীরা প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। কিন্তু বাস্তব সমস্যার সমাধান হয় নি। সেতু না হওয়াতে প্রতিদিন বাঁশের সেতুর উপর দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ডাঙাপাড়া, আশ্রম, গোধাগছ, কাশিবাড়ি, কাঠালবাড়ি, বাঁশবাড়ি, মাজিদপুর, ডাঙাপাড়া জুনিয়ার হাইস্কুল, প্রাথমিক স্কুল, রহটপুর মাদ্রাসার পড়ুয়ারা যাওয়া আসা করে। শুখা মরশুমে সাঁকো দিয়ে নদী পারাপার করা যায়। কিন্তু বর্ষার মরশুমে সমস্যা হয়। প্রতি বছর বর্ষর সময় প্রবল স্রোতে সাঁকো ভেঙে যায়। সেসময় প্রায় ১০ কি.মি ঘুর পথে ইসলামপুর শহরে যাওয়া আসা করেন বাসিন্দারা। গত বছর প্রাক্তন উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী উদয়ন গুহ ডাঙাপাড়া এলাকা পরিদর্শন করেছিলেন। তিনি আশ্বাস দিয়েছিলেন। কিন্তু কাজ হয় নি। ব্রিজের অ্যাপ্রোচ রোডের জন্য জমির দরকার ছিল। স্থানীয়রা সেই জমি দান করেছে। কিন্তু তারপরও সেতু হয় নি।
ইসলামপুর পুরসভার চেয়ারম্যান তথা বিধায়ক কানাইয়ালাল আগরওয়াল বলেন, উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দপ্তর নিয়ে বিধানসভায় বক্তব্য রাখার সময় আমি ডাঙাপাড়া সেতুর দাবি তুলেছি। আমিই প্রথম বিধানসভায় এই দাবি তুললাম। এর আগেও চেষ্টা করেছি সেতু করার। কিন্তু কাজের কাজ হয় নি। এবার যেহেতু বিধানসভায় দাবি তুলেছি তাই আমার বিশ্বাস সেতু নির্মাণ হবে।
জমি দাতা পরিবারের সদস্য ফাইজউদ্দিন বলেন, অ্যাপ্রোচ রোডের জন্য জমির দরকার ছিল। আমরা ২০২৪ সালে জমি দান করেছিলাম। কথা ছিল শীঘ্রই কাজ হবে। কিন্তু কিন্তু দু’বছর হতে চলেছে এখনো সেতু হয় নি। সেতু হলে ইসলামপুর শহরের সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থা অনেক উন্নত হবে। ভাড়ি গাড়ি পারাপার হবে।
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দপ্তর থেকে এর আগে কয়েকবার সেতুর জন্য নদীতে মাপঝোক করা হয়েছিল। সেসময় বলা হয়েছিল সেতু হবে। কিন্তু পরে আর হয় নি। অর্থ দপ্তরের অনুমোদনের জন্য ফাইল রাজ্যে পাঠানো হয়েছিল বলেও জানা যায়।
বিজেপি নেতা চিত্রজিৎ রায় বলেন, ব্রিজ হলে সাধারণ মানুষের খুব উপকার হবে। সরকারের সদিচ্ছা রয়েছে। আশা করছি সরকার পদক্ষেপ করবে। • ফাইল চিত্র।