নয়াদিল্লি ও ঢাকা: ইসকনকে নিষিদ্ধ করতে চেয়ে দায়ের হওয়া মামলা খারিজ করে দিয়েছে বাংলাদেশ হাইকোর্ট। ওই মামলার শুনানির সময় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অ্যাটর্নি জেনারেল মহম্মদ আসাদুজ্জামান দাবি করেছিলেন, ইসকন একটি ‘ধর্মীয় মৌলবাদী সংগঠন’। মামলা খারিজ হলেও এখনও যে ইসকনকে ‘মৌলবাদী সংগঠন’ বলে দেগে দেওয়ার পরিকল্পনা বাংলাদেশে চলছে, তার ইঙ্গিত মিলল বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা সারজিস আলমের কথায়। শনিবার ময়মনসিংহে একটি অনুষ্ঠানে তিনি জানান, চট্টগ্রামের ঘটনা নিয়ে যেখানে যা বলা দরকার, তার চেষ্টা চলছে। চট্টগ্রাম মহানগর আদালত চত্বরে আইনজীবীকে খুনের প্রসঙ্গ টেনে সারজিস বলেন, ‘ইসকনের কিছু চরমপন্থী সদস্য যে ঘটনা ঘটিয়েছে, তাতে তাদের জঙ্গি বলতে দ্বিধা বোধ করছি না।’ এরপরই তিনি বলেন. ‘আমরা চাই যে সব চরমপন্থী সংগঠন রয়েছে, যারা ধর্মকে ব্যবহার করে সাম্প্রদায়িক সংঘর্ষ ঘটাতে চায়, সেই সব সংগঠনকে যেন নিষিদ্ধ করা হয়। আমাদের তরফে সেই দাবি জানানো হয়েছে।’ একদিন আগেই আরও দুই সন্ন্যাসীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন কলকাতা ইসকনের মুখপাত্র রাধারমণ দাস। সূত্রের খবর, শুক্রবার বন্দি চিন্ময়কৃষ্ণ দাসকে জেলে খাবার দিয়ে ফেরার পথে আদিপুরুষ শ্যাম দাস ও রঙ্গনাথ দাস ব্রহ্মচারীকে গ্রেপ্তার করা হয়।
Advertisement
এরই মধ্যে বাংলাদেশে হিন্দুদের উপর অত্যাচারের নানা ঘটনা সামনে আসছে। এবার হিন্দু নির্যাতন বন্ধ করতে কেন্দ্রীয় সরকারের হস্তক্ষেপ দাবি করল রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ বা আরএসএস। আন্তর্জাতিক জনমত গড়ে তোলার জন্য কেন্দ্রের কাছে দাবি জানিয়েছে তারা। সন্ন্যাসী চিন্ময়কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীকে গ্রেপ্তারের প্রতিবাদ করে শনিবার আরএসএসের সাধারণ সম্পাদক দত্তাত্রেয় হোসাবলে বাংলাদেশে হিন্দুদের উপর অত্যাচারের নিন্দা করেন। প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনুস ও তাঁর তত্ত্বাবধায়ক সরকার এই ঘটনায় ‘নীরব দর্শক’ হয়ে রয়েছেন বলেও অভিযোগ করেছেন হোসাবলে। পাশাপাশি বাংলাদেশে হিন্দু সহ অন্য ধর্মাবলম্বীদের মঙ্গল কামনায় রবিবার সংগঠনের সমস্ত মন্দিরে কীর্তনের আয়োজন করেছে ইসকন।
হিন্দুদের উপর নির্যাতনকে ‘অপপ্রচার’ হিসেবে তুলে ধরতে অবশ্য চেষ্টার কসুর করছে না তত্ত্বাবধায়ক সরকার। ইউনুসের প্রেস সচিব শফিকুল ইসলামের দাবি, বাংলাদেশে হিন্দুরা নিরাপদ। একটি স্তর থেকে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে কিছুদিন বাংলাদেশে হিংসার ঘটনা ঘটেছে, কিন্তু বর্তমানে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে ভারতের বিবৃতি জারি করা উচিত হয়নি বলেও দাবি শফিকুলের। ভারতীয় গণমাধ্যমগুলির দিকে আঙুল তুলেছেন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিদেশ উপদেষ্টা মহম্মদ তৌহিদ হোসেনও। তাঁর দাবি, বাংলাদেশের সাম্প্রতিক ঘটনা নিয়ে ভারতীয় মিডিয়া যেভাবে প্রচার করছে, তা দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে স্বাভাবিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠায় সহায়ক নয়। শুধু দেশের মাটিতে নয়, বিদেশের মাটিতেও ‘ধর্মনিরপেক্ষ’ ভাবমূর্তি তুলে ধরতে মরিয়া ঢাকা। জেনিভায় রাষ্ট্রসঙ্ঘে সংখ্যালঘু বিষয়ক ফোরামে বাংলাদেশ জানিয়েছে, সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান লক্ষ্য।
হিন্দুদের উপর নির্যাতনকে ‘অপপ্রচার’ হিসেবে তুলে ধরতে অবশ্য চেষ্টার কসুর করছে না তত্ত্বাবধায়ক সরকার। ইউনুসের প্রেস সচিব শফিকুল ইসলামের দাবি, বাংলাদেশে হিন্দুরা নিরাপদ। একটি স্তর থেকে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে কিছুদিন বাংলাদেশে হিংসার ঘটনা ঘটেছে, কিন্তু বর্তমানে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে ভারতের বিবৃতি জারি করা উচিত হয়নি বলেও দাবি শফিকুলের। ভারতীয় গণমাধ্যমগুলির দিকে আঙুল তুলেছেন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিদেশ উপদেষ্টা মহম্মদ তৌহিদ হোসেনও। তাঁর দাবি, বাংলাদেশের সাম্প্রতিক ঘটনা নিয়ে ভারতীয় মিডিয়া যেভাবে প্রচার করছে, তা দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে স্বাভাবিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠায় সহায়ক নয়। শুধু দেশের মাটিতে নয়, বিদেশের মাটিতেও ‘ধর্মনিরপেক্ষ’ ভাবমূর্তি তুলে ধরতে মরিয়া ঢাকা। জেনিভায় রাষ্ট্রসঙ্ঘে সংখ্যালঘু বিষয়ক ফোরামে বাংলাদেশ জানিয়েছে, সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান লক্ষ্য।



