


চেন্নাই: নির্বাচনে বারবার মুখ থুবড়ে পড়ছে দল। ২০২৬ সালের বিধানসভা ভোটেও ভরাডুবি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে কার্যত প্রকাশ্যে চলেছে এসেছে এআইএডিএমকের কোন্দল। দলের নেতা তথা তামিলনাড়ুর প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী পালানিস্বামীর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেছেন বেশ কয়েকজন বিধায়ক।
জানা গিয়েছে, ওই বিদ্রোহী বিধায়কদের নেতৃত্বে রয়েছেন সিভি শানমাগুম। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন দলের কয়েকজন প্রাক্তন মন্ত্রীও। ওই শিবিরের পক্ষ থেকে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, তারা পালানিস্বামীর নেতৃত্ব মানবে না। জানা গিয়েছে, বিধানসভাতেও আলাদা দুটি দলে আসেন এআইএডিএমকের বিধায়করা। তাঁদের বেশিরভাগই বিদ্রোহী গোষ্ঠীর এসপি ভেলুমানির সঙ্গে আসেন।
প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জয়ললিতার মৃত্যুর পর থেকে কোনো নির্বাচনেই দাগ কাটতে পারেনি দলটি। ২০২১ বিধানসভা নির্বাচনে ৬৬টি আসন পেয়েছিল এআইএডিএমকে। তামিলনাড়ুর সদ্যসমাপ্ত বিধানসভা ভোটে বিজেপির সঙ্গে হাত মিলিয়ে লড়াই করে তারা পেয়েছে ৪৭ আসন। ২০১৯ সালে ১টি মাত্র লোকসভা আসনে জিতেছিল দলটি। ২০২৪ সালের ভোটে তারা খাতাই খুলতে পারেনি। অন্যদিকে জয়ললিতার মৃত্যুর পর থেকে দলের মধ্যে তীব্রতর হয়েছে ক্ষমতার লড়াই। শশীকলা, ওপিএসের (ও পানিরসেলভাম) মতো নেতাদের কোণঠাসা করে দলের রাশ নিজের হাতে রেখেছেন পালানিস্বামী। যা নিয়ে ক্ষোভ রয়েছে নেতা-কর্মীদের একটা বড় অংশের।
প্রসঙ্গত, বিধানসভা নির্বাচনে টিভিকের উত্থানের পর দলটির একাংশ বিজয়কে সমর্থন করতে চেয়েছিলেন বলে জানা গিয়েছে। সেসময় কিছু বিধায়ককে পুদুচেরির একটি রিসর্টে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। যদিও এআইএডিএমকের তরফে দাবি করা হয়েছে, বিধায়ক কেনাবেচা রুখতেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছিল।