Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

বর্ষার আগেই বেলদার মহানালা সংস্কারে জোর সেচ দফতরের

গত ২২ মে প্রথম ‘জনতার দরবারে’ উপস্থিত থেকে এলাকার বাসিন্দাদের থেকে বেলদার মূল নিকাশি নালা সংস্কারের জোরালো দাবি শুনেছিলেন নারায়ণগড়ের বিধায়ক রমাপ্রসাদ গিরি

বর্ষার আগেই বেলদার মহানালা সংস্কারে জোর সেচ দফতরের
  • ২৭ মে, ২০২৬ ০৪:০০

সংবাদদাতা, বেলদা: গত ২২ মে প্রথম ‘জনতার দরবারে’ উপস্থিত থেকে এলাকার বাসিন্দাদের থেকে বেলদার মূল নিকাশি নালা সংস্কারের জোরালো দাবি শুনেছিলেন নারায়ণগড়ের বিধায়ক রমাপ্রসাদ গিরি। স্থানীয়দের সেই আরজিকে গুরুত্ব দিয়ে বর্ষা নামার আগেই এবার যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজে নামল প্রশাসন। বিধায়কের উদ্যোগে মঙ্গলবার বেলদার সেই অবরুদ্ধ মহানালাটি যৌথভাবে পরিদর্শন করেন সেচ দপ্তরের আধিকারিক ও স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিনিধিরা। তবে এদিন পরিদর্শনে গিয়ে নালার বর্তমান ভয়াবহ রূপ দেখে কার্যত হতবাক হন আধিকারিকরা।

Advertisement

বেলদা ২ পঞ্চায়েত এলাকার অন্তর্গত বেলদা-দাঁতন রাজ্য সড়কের ধারের এই নালা মূলত নিকাশির প্রধান লাইফলাইন। শুশিন্দা রেল গেটের কাছ থেকে শুরু হয়ে প্রায় ৩ কিলোমিটার দীর্ঘ এই নালা শ্যামপুরা পুলের কাছে গিয়ে ব্রহ্মচারী খালে মিশেছে। ২০১৮ সালের মার্চ মাসে দীর্ঘ আন্দোলনের পর পশ্চিমাঞ্চল উন্নয়ন পর্ষদের টাকায় নালাটিকে কংক্রিট করার কাজ শুরু হলেও তা মাঝপথেই থেমে যায়। এরপর থেকেই দীর্ঘ অবহেলায় নালাটি আবর্জনার স্তূপে পরিণত হয়েছে। 
এদিনের পরিদর্শনে নালার বেহাল দশার পাশাপাশি একাধিক চাঞ্চল্যকর অনিয়ম সামনে এসেছে। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, বাজার ও দোকানের সব বর্জ্য ফেলে নালাটিকে সম্পূর্ণ অবরুদ্ধ করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, নালার মাঝখানেই বেআইনিভাবে একাধিক সাবমার্সিবল পাম্প বসিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীরা। যেগুলি সংস্কারের কাজে বড় বাধা। অভিযোগ, বিগত তৃণমূল সরকারের আমলে অনৈতিকভাবে টাকার বিনিময়ে নালার ধারেই ঘর করার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল, ফলে নালাটি অত্যন্ত সংকীর্ণ হয়ে পড়ে।
পরিদর্শন শেষে বেলদা ২ পঞ্চায়েতের বিজেপি সদস্য গৌরীশঙ্কর অধিকারী বলেন, 'নিকাশির অবস্থা বেহাল। গত সরকারের আমলে কোনো কাজ হয়নি। তবে বর্তমান বিধায়কের উদ্যোগে এদিন সেচ দপ্তর সরেজমিনে তদন্ত করেছে। আমরা সব আইনি ও পরিকাঠামোগত বাধা কাটিয়ে দ্রুত সংস্কারের কাজ শুরু করতে দায়বদ্ধ।-নিজস্ব চিত্র

সম্পর্কিত সংবাদ