


নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: অধ্যাপকদের একাংশের যোগ্যতা মানের অভাব। কোথাও আবার দীর্ঘদিন ধরে আটকে রয়েছে অধ্যাপক, সহকারী অধ্যাপকদের পদোন্নতি। কখনও রিসার্চ পেপার সাবমিশন না করেই কিংবা কোয়ালিটি ক্লাসরুম টিচিংয়ের অভিজ্ঞতা ছাড়াই সহকারী অধ্যাপক থেকে একেবারে অধ্যাপক পদে আসীন হওয়ার মতো গুরুতর অভিযোগ। দেশের উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলির একটি অংশ নিয়ে এমনই একাধিক চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া গিয়েছে সংশ্লিষ্ট সংসদীয় কমিটির রিপোর্টে। শুধু তাই নয়। এই প্রসঙ্গে রীতিমতো উদাহরণ হিসেবে টেনে আনা হয়েছে দেশের অভিজাত উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দিল্লির জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের (জেএনইউ) প্রেক্ষিত। পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থায়ী উপাচার্য নিয়োগের পক্ষেও জোর সওয়াল করা হয়েছে ওই সংসদীয় কমিটির রিপোর্টে। শিক্ষা বিশেষজ্ঞ মহল মনে করছে, এই রিপোর্ট স্পষ্টই ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, অধ্যাপকদের পদোন্নতির ক্ষেত্রে দুর্নীতি এবং অনিয়ম হচ্ছে। যদিও সংশ্লিষ্ট সংসদীয় কমিটি তার রিপোর্টে ‘দুর্নীতি’ কিংবা ‘অনিয়ম’এর মতো শব্দ ব্যবহার করেনি। ডিপার্টমেন্ট অব হায়ার এডুকেশনের ২০২৫-২৬ আর্থিক বছরের ডিমান্ডস ফর গ্রান্টস নিয়ে সম্প্রতি সংসদে রিপোর্ট পেশ করেছে কংগ্রেস সাংসদ দিগ্বিজয় সিংয়ের নেতৃত্বাধীন সংসদীয় কমিটি। রিপোর্টে বলা হয়েছে, সহকারী অধ্যাপক নিয়োগ এবং তাদের পদোন্নতি সংক্রান্ত নিয়মকানুন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তাতেই উঠে এসেছে যে, অনেক সময়ই ‘পুওর-কোয়ালিটি ফ্যাকাল্টি’ নিয়োগ করা হয়েছে। তাঁদের অনেকেই কোনও রিসার্চ পেপার জমা না দিয়েই কিংবা অন্যান্য শর্ত পূরণ না করেই দিব্যি পদোন্নতি পেয়ে গিয়েছেন। আবার অনেক সময়ই দীর্ঘদিন ধরে পদোন্নতিই হচ্ছে না। এই প্রসঙ্গেই দিল্লির জেএনইউয়ের প্রসঙ্গ টেনে এনেছে সংসদীয় কমিটি। এব্যাপারে শিক্ষামন্ত্রকের উচ্চ শিক্ষাদপ্তরকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার সুপারিশ করেছে সংসদীয় কমিটি। স্থায়ী উপাচার্য নিয়োগ নিয়ে তারা, একটি বিশ্ববিদ্যালয় চালানোর জন্য শুধুমাত্র স্থায়ী উপাচার্যই প্রয়োজন।