সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: আর্থিক অনটন সত্ত্বেও মধ্যবিত্ত এবং নিম্নবিত্তদের মধ্যেসন্তানকে ইংরেজি মিডিয়ামস্কুলে পড়ানোর ঝোঁক বাড়ছে। যার প্রভাব পড়েছে সরকারি প্রাথমিক স্কুলগুলিতে। হু হু করে পড়ুয়া কমছে। কয়েক বছরের পরিসংখ্যান সেটা স্পষ্ট করেছে। আলিপুরদুয়ার জেলার কোনও স্কুলে ২০ জন, কোনও স্কুলে পড়ুয়ার সংখ্যা ১৫ জনে নেমে এসেছে। কোনও স্কুলের পড়ুয়ার সংখ্যা এক অঙ্কের মধ্যে ঘোরাফেরা করছে। পড়ুয়ার অভাবে অনেক স্কুল বন্ধ হওয়ার দোরগোরায় এসেছে। অভিযোগ, জেলা প্রাথমিক শিক্ষাদপ্তরের নিয়মিত স্কুল পরিদর্শনএবং নজরদারির অভাবেই এই পরিস্থিতি হয়েছে।
Advertisement
জেলায় ৮৪১টি প্রাথমিক স্কুল। শিক্ষকের সংখ্যা ২৯০০’র মতো। জেলা শিক্ষাদপ্তর সূত্রে খবর, পড়ুয়ার অভাবে বহু স্কুল ধুঁকছে। একাংশ শিক্ষক ও অভিভাবক মহলের অভিযোগ, বহুদিন ধরে শিক্ষাদপ্তরের কর্তাদের নিয়মিত স্কুল পরিদর্শনএবং নজরদারি না থাকায় অনেক স্কুলে এভাবে পড়ুয়া কমে গিয়েছে। শিক্ষাদপ্তরের কর্তাদের উচিত, স্কুলগুলি নিয়মিত পরিদর্শন করে ছাত্র কমার কারণ খুঁজে বের করা।
শিক্ষকদের একাংশও চাইছেন, জেলা প্রাথমিক সংসদের চেয়ারম্যান বা ডিআইরা নিয়মিত স্কুলগুলি পরিদর্শন করুক। জেলা প্রাথমিক ক্রীড়ার বার্ষিক মিটিংয়েও শিক্ষকদের একাংশ এই দাবি তুলেছেন। আলিপুরদুয়ার শহরের ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের বিবেকানন্দ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ানো হয়। পাঁচটি ক্লাসে পড়ুয়ার সংখ্যা এক অঙ্কে এসে দাঁড়িয়েছে। এখন এই স্কুলে পড়ুয়ার সংখ্যা মাত্র ৯। শিক্ষক দু’জন। কেন পড়ুয়া কমছে? স্কুলের প্রধানশিক্ষক অমর পাল বলেন, আমাদের বাংলা মাধ্যম স্কুল। স্কুলের পরিকাঠামো ভালো। কিন্তু পরিকাঠামো ভালো হলে কি হবে, অভিভাবকদের মধ্যে সন্তানকে ইংরেজি মাধ্যম স্কুলে ভর্তির ঝোঁক বাড়ছে। আমাদের স্কুলের পাশে একটি সরকারি ইংরেজি মাধ্যম প্রাথমিক স্কুলরয়েছে। অভিভাবকরা সেখানেই সন্তানদের পাঠাচ্ছেন। স্থানীয় কাউন্সিলারকে নিয়ে বাড়ি বাড়ি গিয়েও পড়ুয়া মিলছে না। আমরা অসহায়। শহরের বাইরে বীরপাড়া আন্ডার পররপার প্রাইমারি স্কুলে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ানো হয়। পাঁচটি ক্লাসে পড়ুয়া মাত্র ২০জন। শিক্ষক দুই জন। স্কুলের প্রধানশিক্ষক সুব্রত সূত্রধর বলেন, এলাকায় প্রচুর প্রাথমিক স্কুল। রয়েছে ইংরেজি মাধ্যম স্কুলও। তারউপর এখন নিউক্লিয়ার পরিবারে একটি সন্তান। তাই বাবা মায়েরা কষ্ট করে হলেও সন্তানকে ইংরেজি মাধ্যমে পড়ানোর চেষ্টা করছেন।
যদিও জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় সংসদের চেয়ারম্যান পরিতোষ বর্মন বলেন, নিয়মিত স্কুল পরিদর্শন বা স্কুলগুলির দিকে নজরদারি না চালানোর অভিযোগ ঠিক নয়। জেলা প্রাথমিক শিক্ষাদপ্তরের কর্তারা নিয়মিত পরিদর্শন করেন। সময় পেলে আমিও পরিদর্শন করি।
শিক্ষকদের একাংশও চাইছেন, জেলা প্রাথমিক সংসদের চেয়ারম্যান বা ডিআইরা নিয়মিত স্কুলগুলি পরিদর্শন করুক। জেলা প্রাথমিক ক্রীড়ার বার্ষিক মিটিংয়েও শিক্ষকদের একাংশ এই দাবি তুলেছেন। আলিপুরদুয়ার শহরের ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের বিবেকানন্দ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ানো হয়। পাঁচটি ক্লাসে পড়ুয়ার সংখ্যা এক অঙ্কে এসে দাঁড়িয়েছে। এখন এই স্কুলে পড়ুয়ার সংখ্যা মাত্র ৯। শিক্ষক দু’জন। কেন পড়ুয়া কমছে? স্কুলের প্রধানশিক্ষক অমর পাল বলেন, আমাদের বাংলা মাধ্যম স্কুল। স্কুলের পরিকাঠামো ভালো। কিন্তু পরিকাঠামো ভালো হলে কি হবে, অভিভাবকদের মধ্যে সন্তানকে ইংরেজি মাধ্যম স্কুলে ভর্তির ঝোঁক বাড়ছে। আমাদের স্কুলের পাশে একটি সরকারি ইংরেজি মাধ্যম প্রাথমিক স্কুলরয়েছে। অভিভাবকরা সেখানেই সন্তানদের পাঠাচ্ছেন। স্থানীয় কাউন্সিলারকে নিয়ে বাড়ি বাড়ি গিয়েও পড়ুয়া মিলছে না। আমরা অসহায়। শহরের বাইরে বীরপাড়া আন্ডার পররপার প্রাইমারি স্কুলে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ানো হয়। পাঁচটি ক্লাসে পড়ুয়া মাত্র ২০জন। শিক্ষক দুই জন। স্কুলের প্রধানশিক্ষক সুব্রত সূত্রধর বলেন, এলাকায় প্রচুর প্রাথমিক স্কুল। রয়েছে ইংরেজি মাধ্যম স্কুলও। তারউপর এখন নিউক্লিয়ার পরিবারে একটি সন্তান। তাই বাবা মায়েরা কষ্ট করে হলেও সন্তানকে ইংরেজি মাধ্যমে পড়ানোর চেষ্টা করছেন।
যদিও জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় সংসদের চেয়ারম্যান পরিতোষ বর্মন বলেন, নিয়মিত স্কুল পরিদর্শন বা স্কুলগুলির দিকে নজরদারি না চালানোর অভিযোগ ঠিক নয়। জেলা প্রাথমিক শিক্ষাদপ্তরের কর্তারা নিয়মিত পরিদর্শন করেন। সময় পেলে আমিও পরিদর্শন করি।



