কৌশিক ঘোষ, কলকাতা: ইরান যুদ্ধ নিয়ে এখন সারা বিশ্ব উত্তপ্ত এবং অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছে। এরই মধ্যে রাজ্য খাদ্যদপ্তরের সদ্য প্রকাশিত একটি পুস্তিকায় এল ইরান প্রসঙ্গ। ইরানের মানচিত্রও রয়েছে পুস্তিকাটিতে। রাজ্য খাদ্যদপ্তরের বিভিন্ন সাফল্য তুলে ধরার উদ্দেশ্যেই প্রকাশ করা হয়েছে সচিত্র রঙিন ঝকঝকে ৬২ পাতার পুস্তিকা ‘গ্রেইন অব ট্রুথ’। এখানে ইরানের প্রসঙ্গ এসেছে খাদ্যদপ্তরের সাফল্য তুলে ধরার সুবাদে। রাজ্যে মোট ৮ কোটি ৭৩ লক্ষ রেশন গ্রাহক বিনামূল্যে খাদ্যশস্য পান। এই উল্লেখের নীচে ইরানসহ চারটি দেশের নাম, যাদের মোট জনসংখ্যার থেকেও বেশি মানুষ পশ্চিমবঙ্গে খাদ্যসাথী প্রকল্পে বিনামূল্যে খাদ্যশস্য পাচ্ছে। এই প্রসঙ্গে উল্লেখিত চারটি দেশের প্রথমেই রয়েছে ইরানের নাম। তারপর তুরস্ক, জার্মানি ও গ্রেট ব্রিটেন। দেশগুলির রঙিন মানচিত্রও আছে পুস্তিকায়। খাদ্যদপ্তরের মূল কাজ রেশন গ্রাহকদের খাদ্যশস্য সরবরাহ করা এবং চাষিদের কাছ থেকে ধান কিনে চাল উৎপাদন করা। ওই চাল যায় রেশন গ্রাহকদের কাছে। এই সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য ও পরিসংখ্যান তুলে ধরা হয়েছে এই পুস্তিকায়। দপ্তরের কাজের বিভিন্ন দিক রঙিন ছবির মাধ্যমে পুস্তিকার পাতায় পাতায় ব্যাখা করা হয়েছে। সব মিলিয়ে খাদ্যদপ্তরের সার্বিক কাজকর্ম পোশাদারি দক্ষতার মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে এই পুস্তিকায়। খাদ্যমন্ত্রী রথীন ঘোষ, প্রতিমন্ত্রী জ্যোৎস্না মান্ডি ও দপ্তরের প্রধান সচিব পারভেজ আহমেদ সিদ্দিকি দপ্তরের বিভিন্ন সাফল্যের বার্তা দিয়েছেন। ২০১০-১১ সালে বাম জমানায় ধান কেনা হয়েছিল ১৯ লক্ষ ৫৬ হাজার টন। সেটা গত খরিফ মরশুমে বেড়ে ৫৬ লক্ষ ৩৩ হাজার টন হয়েছে। গত মরশুমে ১৫ লক্ষাধিক চাষি সরকারের কাছে ন্যূনতম সংগ্রহ মূল্যে ধান বিক্রির সুফল পেয়েছেন।



