ইরান-২ : নিউজিল্যান্ড-২
ইরান-২ : নিউজিল্যান্ড-২
লস এঞ্জেলস: যুদ্ধবিধ্বস্ত ইরান। একটা সময় বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ নিয়েই অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল। আমেরিকায় বেস ক্যাম্প করতেও রাজি হয়নি তারা। তড়িঘড়ি তা সরানো হয় মেক্সিকোয়। ট্রাম্পের দেশে ম্যাচ খেলতেও নারাজ ছিল ইরান। কিন্তু ম্যাচ সরায়নি ফিফা। শেষ পর্যন্ত এশিয়ার দেশটি বিশ্বকাপে দল পাঠালেও বিতর্কের শেষ নেই। তার উপর ম্যচে শেষের দু’ঘণ্টার মধ্যে ইরান কোচ, ফুটবলার, সাপোর্ট স্টাফেদের দেশ ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। ভিসা পাওয়া নিয়েও একরাশ জটিলতা। কোনো পদক্ষেপ নেয়নি ফিফাও। তবে চাপে কুঁকড়ে থাকার বদলে মানসিক চাপ সামলে দৃঢ়তা দেখালেন ইরান ফুটবলাররা। কিউইদের বিরুদ্ধে দু’বার পিছিয়ে পড়েও দুরন্ত কামব্যাক ইউসেফ, তারেমিদের। ‘জি’ গ্রুপের অন্য ম্যাচে বেলজিয়াম ও মিশর ম্যাচও ১-১ গোলে ড্র হয়। ফলে দ্বিতীয় রাউন্ডে পৌঁছানোর অংক বেশ জটিল।
মঙ্গলবার ম্যাচের ৭ মিনিটে এলিজা জাস্টের দুরন্ত ভলিতে এগিয়ে যায় নিউজিল্যান্ড (১-০)। অনেকেই ভেবেছিলেন মার্টিন ক্রো, জেফ ক্রোর দেশ হয়তো সহজেই টেক্কা দেবে প্রতিপক্ষকে। কিন্তু ইরান যে নাছোড়বান্দা। ৩২ মিনিটে রেজাইনের গোলে সমতা ফেরায় এশিয়ান দেশটি (১-১)। ছ’গজে বল পেয়ে ছোট্ট চাঁটায় বল জালে জড়ান তিনি। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে ৫৫ মিনিটে চমৎকার ওয়ান-টু খেলে কিউইদের ফের এগিয়ে দিয়েছিলেন সেই জাস্ট (২-১)। কিন্তু এবারও দারুণভাবে ম্যাচে ফেরে ইরান (২-২)। ডানদিক থেকে ভেসে আসা ক্রসে মাথা ছুঁইয়ে জাল কাঁপান মোহেবি (২-২)।