Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / খেলা

বেঙ্গালুরু থেকে আইপিএল ফাইনাল সরল আমেদাবাদে

কোহলিরা এবার ফাইনালে উঠলেও ঘরের মাঠে খেলার সুযোগ পাবেন না। কারণ, ছাব্বিশের আইপিএলের খেতাবি লড়াইয়ের মঞ্চ বদলে গেল।

বেঙ্গালুরু থেকে আইপিএল ফাইনাল সরল আমেদাবাদে
  • ৭ মে, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

বেঙ্গালুরু: কোহলিরা এবার ফাইনালে উঠলেও ঘরের মাঠে খেলার সুযোগ পাবেন না। কারণ, ছাব্বিশের আইপিএলের খেতাবি লড়াইয়ের মঞ্চ বদলে গেল। বেঙ্গালুরু থেকে ম্যাচটি সরল আমেদাবাদে। রাজনৈতিক কারণেই এই সিদ্ধান্ত বলে বোর্ড সূত্রে জানা গিয়েছে।

Advertisement

প্লে-অফের প্রকাশিত সূচিতে দেখা যাচ্ছে, ফাইনাল হবে ৩১ মে আমেদাবাদে, ২৬ মে প্রথম কোয়ালিফায়ার ধরমশালায়। ২৭ মে এলিমিনেটর এবং ২৯ মে দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ার হবে নিউ চণ্ডীগড়ে। তবে বোর্ডের সিদ্ধান্ত নিয়ে ক্ষোভ চাপা থাকেনি। কর্ণাটক ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি বেঙ্কটেশ প্রসাদ জানিয়েছেন, ‘খুবই দুর্ভাগ্যজনক। গতবছর পদপিষ্টের ঘটনা ভুলে আমরা নতুন করে ঘুরে দাঁড়িয়েছি। পাঁচটি ম্যাচ সুষ্ঠুভাবেই হয়েছে। কিন্তু হঠাৎ করে ফাইনাল সরিয়ে নেওয়ায় আমরা হতাশ। তবে বোর্ড যেটা ভালো বুঝেছে করেছে।’
আইপিএলের নিয়ম অনুযায়ী গতবারের চ্যাম্পিয়ন দলের শহরেই হয় ফাইনাল ম্যাচ। প্লে-অফের আরও একটি ম্যাচও হয় একই ভেন্যুতে। কিন্তু এবার সেই রীতি মানা হচ্ছে না। তার কারণ মূলত রাজনৈতিক। কর্ণাটক বিধানসভার কংগ্রেস সদস্য বিজয়ানন্দ কাশাপ্পানাভা দাবি তোলেন, প্রত্যেক বিধায়ককে আইপিএলের ম্যাচে পাঁচটি করে ভিআইপি টিকিট দিতে হবে। তাঁর যুক্তি ছিল, বিধায়কদের সাহায্যেই এবার চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে আইপিএলের ম্যাচ করা যাচ্ছে। পরে কর্ণাটকের উপ-মুখ্যমন্ত্রী ডিকে শিবকুমার বিধায়ক ও সাংসদদের তিনটি করে টিকিট দেওয়ার কথা জানান। তবে পরিবার ব্যতীত সেই টিকিট অন্য কাউকে দেওয়া যাবে না বলেও শর্ত রাখা হয়। কর্ণাটকের বিধায়ক সংখ্যা ২২৮। তিনটি করে টিকিট দেওয়ার অর্থ ভিআইপি বক্সের অধিকাংশ আসনই ব্লক হয়ে যাওয়া। তাতে অন্য কাউকে আর ভিআইপি বক্সের টিকিট দেওয়া সম্ভব নয়। এই যুক্তি সামনে রেখেই ভারতের সবচেয়ে বড় স্টেডিয়াম আমেদাবাদের মোতারায় ছাব্বিশের আইপিএল ফাইনাল সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় বিসিসিআই। উল্লেখ্য, গত আইপিএলে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল আরসিবি। কোহলিদের বিজয়োৎসব বদলে গিয়েছিল বিভীষিকায়। চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে ভিড়ের চাপে পদপিষ্ট হয়ে প্রাণ হারিয়েছিলেন ১১জন ক্রিকেটপ্রেমী। সেই দুঃসময় ধীরে ধীরে কাটিয়ে ছন্দে ফিরেছিল চিন্নাস্বামী। কিন্তু আইপিএলের ফাইনাল সরে যাওয়া বেঙ্গালুরুর ক্রিকেটপ্রেমীদের কাছে নিঃসন্দেহে হতাশার।

সম্পর্কিত সংবাদ