


লখনউ: হাফ ডজন ম্যাচের পর জয়ের মুখ দেখেছে কলকাতা নাইট রাইডার্স। ইডেনে রাজস্থান রয়্যালসকে হারানোর পর তলানিতে ঠেকা মনোবল কিছুটা হলেও অক্সিজেন পেয়েছে। বুধবার লখনউ যাওয়ার পথে ক্রিকেটারদের বডি ল্যাঙ্গুয়েজে তা ধরাও পড়েছে।
নাইটরা শেষ ম্যাচটি খেলেছিলেন ১৯ এপ্রিল। ২৬ এপ্রিল পরের ম্যাচ। মাঝে এক সপ্তাহ বিশ্রাম। কম ক্রিকেট, বেশি বিশ্রাম— এই ফর্মুলাতেই হেঁটেছে টিম ম্যানেজমেন্ট। তারই ফাঁকে ঝটিকা সফরে কাশী বিশ্বনাথ মন্দিরে পুজো দিয়েছেন রিঙ্কু সিং। গত ম্যাচে দলকে জেতানোর পর তাঁকে ঘিরে প্রত্যাশা অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে। তার উপর চোট সারিয়ে মাথিশা পাথিরানার স্কোয়াডে যোগ দেওয়াটাও নাইটদের কাছে বাড়তি পাওনা। সব ঠিক থাকলে রবিবার লখনউয়ের বিরুদ্ধে খেলতে পারেন শ্রীলঙ্কার তরুণ পেসার।
এখন প্রশ্ন হচ্ছে, পাথিরানা কার পরিবর্তে খেলবেন? নিয়ম অনুযায়ী ৪ বিদেশিই খেলানো যায়। সুনীল নারিন ও রভম্যান পাওয়েলের জায়গা মোটামুটি পাকা। ক্যামেরন গ্রিনও ধীরে ধীরে ছন্দে ফিরছেন। তাঁকে দুম করে হয়তো বসিয়ে দেওয়া হবে না। সেক্ষেত্রে বিদেশি ওপেনারের পরিকল্পনা থেকে সরতে হবে কেকেআর টিম ম্যানেজমেন্টকে। প্রয়োজনে অঙ্গকৃষ রঘুবংশীর সঙ্গে ওপেন করবেন অজিঙ্কা রাহানে। তিনে নামানো হবে গ্রিনকে। চারে রভম্যান পাওয়েল। ছন্দে ফেরা রিঙ্কু সিং থাকবেন ফিনিশারের ভূমিকায়। তবে রাহানেকে নিয়ে অসন্তোষ বাড়ছে। তিনি পর পর দুই ম্যাচে শূন্য হাতে ডাগ-আউটে ফিরেছেন। অবিলম্বে তাঁর দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানো উচিত। রাহানের বিকল্প হিসেবে মণীশ পাণ্ডেকে খেলানো যেতে পারে।
বোলিং শক্তিশালী করতে গিয়ে ব্যাটিংয়ে ফাঁকফোকর তৈরি হলেও সমূহ বিপদ। রামনদীপ সিং আশানুরূপ পারফরম্যান্স মেলে ধরতে পারছেন না। তাঁকে বসিয়ে নতুন কোনও মুখ তুলে আনা যেতেই পারে। তবে কোচ অভিষেক নায়ার সেই ঝুঁকি নেবেন কি? আসলে দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর জয়ে ফেরা কেকেআর টিম ম্যানেজমেন্ট হয়তো প্রথম একাদশ নিয়ে খুব বেশি কাটাছেঁড়া করতে চাইবেন না।