নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: ইপিএফের ন্যূনতম মাসিক পেনশন বৃদ্ধি নিয়ে সুনির্দিষ্ট প্রশ্নের জবাব এড়িয়ে গেল কেন্দ্রের মোদি সরকার। পরিবর্তে এই ইস্যুতে বছরের পর বছর ধরে কত অর্থ বরাদ্দ করা হচ্ছে, তার খতিয়ান পেশ করল কেন্দ্র। একপ্রকার বুঝিয়ে দেওয়া হল, ইপিএফের ন্যূনতম মাসিক পেনশনের অঙ্ক বৃদ্ধি করার পরিকল্পনা আপাতত মোদি সরকারের নেই।
Advertisement
লোকসভায় মিম সাংসদ আসাদউদ্দিন ওয়াইসি অর্থমন্ত্রকের কাছে লিখিতভাবে জানতে চান, ইপিএফের ন্যূনতম মাসিক পেনশন বাড়ানো নিয়ে কোনও চিন্তাভাবনা কেন্দ্র করছে কি না। সরাসরি এই জবাব এড়িয়ে কেন্দ্রীয় অর্থ রাষ্ট্রমন্ত্রী পঙ্কজ চৌধুরী জানিয়েছেন, ২০১৪ সালে প্রথমবার প্রবীণ ইপিএফ গ্রাহকদের মাসে এক হাজার টাকা করে ন্যূনতম পেনশন দেওয়ার ব্যবস্থা করেছে কেন্দ্র। ১৯৯৫ সালের এমপ্লয়িজ পেনশন স্কিমের (ইপিএস) আওতায় এই পেনশন পান গ্রাহকরা। পাশাপাশি অতিরিক্ত অর্থবরাদ্দ করা হয় ১.১৬ শতাংশ হারে। অতিরিক্ত অর্থবরাদ্দের পরিসংখ্যানে যাচ্ছে যে, ২০১৯-২০ অর্থবর্ষে এর পরিমাণ ছিল ৫ হাজার ৯৬ কোটি ৬৭ লক্ষ টাকা। ২০২০-২১, ২০২১-২২ এবং ২০২২-২৩ আর্থিক বছরে যা ছিল যথাক্রমে ৭ হাজার ৫১৯ কোটি ১ লক্ষ, ১৮ হাজার ৪৭৮ কোটি ৩৩ লক্ষ এবং ৮ হাজার ৭৮৫ কোটি টাকা। ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে এই পরিমাণ হয়েছে ৯ হাজার ১২৭ কোটি টাকা। এর মধ্যে এমপ্লয়িজ পেনশন স্কিমে ১.১৬ শতাংশ হারে কেন্দ্রের কন্ট্রিবিউশন এবং ইপিএফের ন্যূনতম পেনশনে কেন্দ্রে আর্থিক অনুদান— এই দুইয়েরই উল্লেখ করেছে অর্থমন্ত্রক। এই মুহূর্তে ইপিএফে পেনশন প্রাপ্তির মাসিক বেতনের ঊর্ধ্বসীমা ১৫ হাজার টাকা। সংস্থা কর্তৃপক্ষ তার কর্মীর হয়ে যে ১২ শতাংশ কন্ট্রিবিউশন ইফিএফওর কাছে জমা দেয়, তার ৮.৩৩ শতাংশ ওই কর্মচারীর পেনশন অ্যাকাউন্টে জমা পড়ে। অন্যদিকে, এদিন লোকসভায় তৃণমূল সাংসদ মালা রায়ের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে কেন্দ্রীয় শ্রমমন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্য জানিয়েছেন, দেশে বর্তমানে ৫৯টি ইএসআইসি হাসপাতাল রয়েছে। এর মধ্যে পশ্চিমবঙ্গে রয়েছে একটি। জোকায়। জোকা ইএসআইসি মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে মোট কর্মীর সংখ্যা ৫২৮ জন। নিয়মিতভাবে ইএসআইসি হাসপাতালগুলি ফায়ার সেফটি অডিট করা হয় বলেও জানিয়েছেন মন্ত্রী।



