


ভোপাল, ২৯ জুন: দেশে বেড়েই চলেছে ধর্ষণের মতো ঘটনা। প্রত্যেক রাজ্যেই প্রতিনিয়ত নারী নির্যাতনের ঘটনা ঘটছে। খবরের কাগজ খুললেই এই বিষয়ে জানা যায়। দেশে নারীদের উপর হওয়া অত্যাচারগুলির মধ্যে চতুর্থস্থানে রয়েছে ধর্ষণ। কিন্তু কেন এই ধরণের অপরাধ বেড়েই চলেছে? প্রশাসন কী থামাতে পারে না? এইসব প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়েই আজব দাবি করলেন মধ্যপ্রদেশের ডিজিপি কৈলাশ মাকওয়ানা। তাঁর দাবি, ইন্টারনেট, মোবাইল ফোন, মদ্যপান ও নৈতিকতার অভাবের জন্যই এই ঘটনা ঘটছে। আজ, রবিবার মধ্যপ্রদেশের উজ্জয়িনীতে পুলিস কর্তাদের নিয়ে বৈঠকে বসেছিলেন ডিজি কৈলাশ মাকওয়ানা।
সেই বৈঠক শেষেই সংবাদমাধ্যমের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘দেশে ধর্ষণ বৃদ্ধির অনেক কারণ রয়েছে। ইন্টারনেট, মোবাইল ফোন, আপত্তিকর ভিডিও বা তথ্যে চট করে পেয়ে যাওয়া, মদে আসক্তি বৃদ্ধি। এইসবই এখন দেশে ধর্ষণ বৃদ্ধির অন্যতম কারণ। প্রযুক্তির যুগে এখন একে-অন্যের সঙ্গে মানুষ খুবই সহজে যোগাযোগ করতে পারছেন। সমাজে মূল্যবোধ কমেছে। ধর্ষণের মতো অপরাধের জন্য এই কারণগুলি অন্যতম।’ তাঁর দাবি, একা পুলিসের দ্বারা ধর্ষণ আটকানো সম্ভব নয়।
মধ্যপ্রদেশের ডিজিপি বলেছেন, ‘ধর্ষণ ঠেকানো শুধুমাত্র পুলিসের দায়িত্ব নয়। আগে বাড়ির শিশুরা বা বাচ্চারা বাবা-মা এবং শিক্ষক-শিক্ষিকার কথা শুনত। এখন অবশ্য ছবিটা বদলে গিয়েছে। নিজের বাড়িতেও মানুষ একে অন্যের সঙ্গে কথা বলে না। বড়দের প্রতি একটা সম্মান, লজ্জার বিষয় ছিল। কিন্তু এখন সেসবের বালাই নেই। ইন্টারনেটে সহজেই যেসব আপত্তিকর ভিডিও বা দৃশ্য পাওয়া যায় তা ক্ষতিকারক। যুব মনে বিরূপ প্রভাব ফেলছে। তাই ধর্ষণের মতো ঘটনা দেশে বেড়েই চলেছে।’ মধ্যপ্রদেশের শীর্ষ পুলিস কর্তার এই মন্তব্য এখন ভাইরাল সোশ্যাল মিডিয়ায়।