Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

খাওয়ায় জন্য বাঁচা,নাকি বাঁচার জন্য! অভিনব থিম হায়দারপুর অগ্ৰণীতে

একাংশ মানুষ একবেলা পেট ভরে খেতে পাচ্ছেন না। ক্ষুধার্ত অবস্থায় তাঁরা হাত বাড়িয়ে থাকেন একমুঠো খাবারের জন্য। অন্যদিকে, অনেকে রেস্তরাঁয় গিয়ে প্রচুর খাবার নষ্ট করছেন।

খাওয়ায় জন্য বাঁচা,নাকি বাঁচার জন্য! অভিনব থিম হায়দারপুর অগ্ৰণীতে
  • ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

মঙ্গল ঘোষ, মালদহ: একাংশ মানুষ একবেলা পেট ভরে খেতে পাচ্ছেন না। ক্ষুধার্ত অবস্থায় তাঁরা হাত বাড়িয়ে থাকেন একমুঠো খাবারের জন্য। অন্যদিকে, অনেকে রেস্তরাঁয় গিয়ে প্রচুর খাবার নষ্ট করছেন। বিয়ে বা অনুষ্ঠান বাড়িগুলিতে প্রায় দেখা যায় বেঁচে যাওয়া খাবার রাস্তা ফেলে দেওয়া হচ্ছে। 

Advertisement

এই উল্টো ছবি এবার দুর্গাপুজোর মণ্ডপে থিম আকারে তুলে ধরতে চলেছে মালদহের হায়দারপুর অগ্ৰণী ক্লাব। ৭৫ তম বর্ষে এবার ক্লাবের ভাবনা খাওয়ার জন্য বাঁচা, নাকি বাঁচার জন্য খাওয়া? থিমটি সাজিয়ে তুলতে মণ্ডপে একাধিক পুতুলের মডেল, খাবার দেখা যাবে। থিমের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে প্রতিমা হচ্ছে সাবেকি। তবে, দেবী দুর্গা অন্নপূর্ণা রূপের হবে। মায়ের কাছে মহাদেব থাকবেন। ক্ষুধার্তের জন্য দু’হাত বাড়িয়ে মায়ের কাছে খাবার ভিক্ষা চাওয়ার দৃশ্য নজর কাড়বে বলে দাবি উদ্যোক্তাদের। থিম ফুটিয়ে তোলার জোর প্রস্তুতি চলছে।
ফি বছর দুর্গাপুজোয় হায়দারপুর ক্লাবের পুজো মণ্ডপে ভিড় উপচে পড়ে। ৭৫ তম বর্ষে বাজেট আট লক্ষ টাকা ছাড়িয়ে যাবে বলে মনে করছেন উদ্যোক্তারা। দর্শনার্থীদের জন্য এবারের থিমের ভাবনা শুভদীপ কুশারী ও বিদ্যুৎ কর্মকারের, মাতৃ রূপায়ণে সত্যজিৎ এবং সুকল্প রায়রা। ক্লাবের প্রধান পৃষ্ঠপোষক কৃষ্ণেন্দু নারায়ণ চৌধুরী,  সম্পাদক রয়েছেন মানস সাহা, পুজো কমিটির সম্পাদক রাজীব মজুমদার। পুজো কমিটি এবং ক্লাবের সম্পাদক বলেন, পৃথিবীতে অনেক মানুষ এত বেশি খাবার পাচ্ছেন, যে তাঁদের ফেলে দিতে হচ্ছে। থিমের মাধ্যমে খাবারের অপচয় দেখানোই আমাদের মূল লক্ষ্য।  নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ