সংবাদদাতা, বজবজ: মহেশতলা এলাকায় এখন অনেক বেসরকারি ইংরেজি মাধ্যম প্রাইমারি থেকে উচ্চমাধ্যমিক স্কুল তৈরি হয়েছে। ওই স্কুলগুলির পড়ুয়াদের বাড়ি থেকে স্কুলে পৌঁছে দেওয়া এবং ফিরিয়ে আনার জন্য এখন অসংখ্য ব্যক্তিগত মালিকানাধীন পুলকার চলাচল করে। সেই তালিকায় অটো, টাটা সুমো, মারুরি ভ্যান ছাড়াও অন্য চার চাকার গাড়ি আছে। কিন্তু এইসব গাড়ি প্রায়ই দুঘর্টনার কবলে পড়ে।
এ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন মহেশতলার প্রবীণ নাগরিক অসিত বাগ, গণেশ রায়, বিধান মিত্র এবং সুজয় সোমরা। গত সোমবারও নুঙ্গির কাছে বজবজ ট্রাঙ্ক রোডের উপর একটি মারুতি ভ্যান পুল কার পড়ুয়াদের নিয়ে উল্টে যায়। অসিতবাবু সেখানে ছিলেন। তিনি এবং স্থানীয় লোকজন দৌড়ে গিয়ে গাড়ির ভিতর থেকে পড়ুয়াদের বের করে আনেন। তাদের আঘাত সামান্য হওয়ার ফলে তা নিয়ে বড় শোরগোল হয়নি। এদিকে, চালককে জেরা করতে গিয়ে দেখা যায়, সে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় গাড়ি চালাচ্ছিল। অসিতবাবু বলেন, পুলিস, প্রশাসনের উচিত মহেশতলার উপর দিয়ে যাতায়াতকারী এমন পুলকারের উপর নজরদারি বাড়ানো। গাড়িগুলির মালিক ও চালকদের বৈধ লাইসেন্স সহ কাগজপত্র, রুট পারমিট আছে কি না, তা নিয়মিত যাচাই বাধ্যতামূলক করা হোক। অভিভাবকরাও তাই চাইছেন।ডায়মন্ডহারবার পুলিস জেলার এক শীর্ষ আধিকারিক বলেন, আমরা ট্রাফিক বিষয় নিয়ে লাগাতার সচেতনামূলক প্রচার করছি। বিষয়টি নিয়ে আলাদা করে ভাবা হয়েছে। প্রতিটি স্কুল কর্তৃপক্ষ, অভিভাবক এবং পুলকারের মালিকদের নিয়ে বৈঠক করার পরিকল্পনা রয়েছে।