Bartaman Logo
১১ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

রাজারহাটে আবাসনের জলের নমুনা সংগ্রহ, মেডিকেল ক্যাম্পে ৭০ বাসিন্দা

পানীয় জলে সংক্রমণের অভিযোগ তুলে রবিবার সরব হয়েছিলেন রাজারহাট চৌমাথা সংলগ্ন একটি আবাসনের বাসিন্দারা।

রাজারহাটে আবাসনের জলের নমুনা সংগ্রহ, মেডিকেল ক্যাম্পে ৭০ বাসিন্দা
  • ১১ আগস্ট, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বিধাননগর: পানীয় জলে সংক্রমণের অভিযোগ তুলে রবিবার সরব হয়েছিলেন রাজারহাট চৌমাথা সংলগ্ন একটি আবাসনের বাসিন্দারা। কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করার পাশাপাশি তাঁরা বিক্ষোভে শামিল হয়েছিলেন। সোমবারও উদ্বেগ দূর হয়নি। সংক্রমণ খতিয়ে দেখতে প্রশাসনের নির্দেশে আবাসনের রিজার্ভার থেকে পানীয় জলের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, আবাসন কর্তৃপক্ষও নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষায় পাঠিয়েছে। আবাসিকদের দাবি, সরকার এবং কর্তৃপক্ষের নমুনা বাদেও বাসিন্দারাও নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষায় পাঠিয়েছেন। দু’টি রির্পোট সঙ্গে তাঁরা মিলিয়ে দেখবেন।

Advertisement

অন্যদিকে, রবিবার বিক্ষোভের পরই ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন রাজারহাট-নিউটাউনের বিধায়ক পীযূষ কানোরিয়া। বিকালেই মেডিকেল ক্যাম্প হয়েছিল আবাসনে। সোমবারও ক্যাম্প করা হয়। সেখানে প্রায় ৭০ জন বাসিন্দা সমস্যা নিয়ে হাজির হয়েছিলেন। আবাসনের বাসিন্দা স্বপনকুমার মিত্র বলেন, ‘পঞ্চায়েত থেকে এদিনও জলের ট্যাঙ্ক পাঠিয়েছে। আমরা অনেকে জল কিনেও খাচ্ছি। দ্রুত এই সমস্যার সমাধান হোক। সেই সঙ্গে সংক্রমণের বিষয়েও তদন্ত হোক।’
আবাসন কর্তৃপক্ষের তরফে দাবি করা হয়েছে, খবর পাওয়া মাত্র সমস্ত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হয়েছে। তদন্তে দেখা গিয়েছে, জলাধার বা ট্যাঙ্কের জলে বিষাক্ত কিছু মিশে যাওয়ার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর অনুযায়ী, প্রতি তিন মাস অন্তর পরীক্ষাগারে নিয়মিত জল পরীক্ষা করাতে হয়। সংশ্লিষ্ট পরীক্ষার রিপোর্টও পর্যায়ক্রমে সংগ্রহ করে ফেসিলিটি ম্যানেজমেন্ট টিমের কাছে সংরক্ষণ করা হয়। ওয়াটার ট্যাঙ্কগুলিও প্রতি তিন মাস অন্তর নিয়মিত সাফ করা হয়। ৭০ জন বাসিন্দা চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করেছেন। তবে কোনো বড়ো বা গুরুতর স্বাস্থ্য সংক্রান্ত সমস্যার রিপোর্ট পাওয়া যায়নি। নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ