Bartaman Logo
২৪ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

তারাপীঠে পর্যাপ্ত অত্যাধুনিক সিসি ক্যামেরা বসাতে উদ্যোগ

তারাপীঠকে অপরাধীমুক্ত করতে সুডার কাছে পর্যাপ্ত সংখ্যক সিসি ক্যামেরা লাগানোর প্রস্তাব পাঠাল টিআরডিএ। বামাখ্যাপার এই সাধনস্থলে বিশেষে বিশেষ তিথিতে প্রচুর মানুষের সমাগম হয়।

তারাপীঠে পর্যাপ্ত অত্যাধুনিক সিসি ক্যামেরা বসাতে উদ্যোগ
  • ৪ জুলাই, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, রামপুরহাট: তারাপীঠকে অপরাধীমুক্ত করতে সুডার কাছে পর্যাপ্ত সংখ্যক সিসি ক্যামেরা লাগানোর প্রস্তাব পাঠাল টিআরডিএ। বামাখ্যাপার এই সাধনস্থলে বিশেষে বিশেষ তিথিতে প্রচুর মানুষের সমাগম হয়। বিভিন্ন রাজ্যের নেতা, মন্ত্রী, বিচারকদের মতো ভিআইপিরা এখানে আসেন। যে কারণে গত কয়েকবছরে উল্লেখযোগ্য হারে রেড়েছে রিসর্ট, লজ, হোটেলের সংখ্যা। পাল্লা দিয়ে বেড়েছে অপরাধও। প্রকাশ্যে গুলি করে খুন যেমন হয়েছে, তেমনি হোটেলে সঙ্গীকে খুন করে ফেরার হয়ে যাওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। এছাড়া কেপমারি, ছিনতাই নিত্যদিনের ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। সেই সঙ্গে পথ দুর্ঘটনা তো আছেই। তাই তীর্থভূমিতে পর্যটকদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে পুরো তারাপীঠকে আধুনিকমানের সিসি ক্যামেরায় মুড়ে ফেলতে চেয়ে সুডায় প্রস্তাব পাঠিয়েছে টিআরডিএ। যদিও তারাপীঠ থানার পক্ষ থেকে কয়েকটি সিসি ক্যামেরা লাগানো হয়েছে। তবে সেগুলি ততটা উন্নতমানের নয়। কোনওটির ছবি অস্পষ্ট, কোনওটি আবার বিকল হয়ে পড়ে রয়েছে। ফলে অপবাধের  কিনারা করতে কালঘাম ছুটছে পুলিসের। উল্লেখ্য, গত কৌশিকী অমাবস্যায় ব্যান্ডেল গ্যাংয়ের সদস্যরা পর্যটকের হার, মানিব্যাগ ও মোবাইল ছিনতাই করেছিল। তাদের ধরেছিল পুলিস। সম্প্রতি রথযাত্রার ভিড়েও বিহার গ্যাংয়ের এক নাবালক সহ চারজনকে ধরে পুলিস। 

Advertisement

টিআরডিএ সূত্রে জানা গিয়েছে, তারাপীঠে প্রবেশ ও প্রস্থানের পথ অর্থাৎ ট্রানজিট পয়েন্টগুলি ছাড়াও দ্বারকা ব্রিজ, মন্দির যাওয়ার সবক’টি রাস্তায়, শ্মশান, পার্ক, পূর্বসাগর মোড়, ভিআইপি রাস্তা, তিনমাথা মোড়, মুণ্ডমালিনী তলা যাওয়ার রাস্তা সহ লজ ও হোটেলের অলিগলিতে সিসি ক্যামেরা লাগানো জরুরি হয়ে দাঁড়িয়েছে। 
টিআরডিএর ভাইস চেয়ারম্যান সুকুমার মুখোপাধ্যায় বলেন, তারাপীঠে দিন-দিন পর্যটক সংখ্যা বাড়ছে। প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ দেবীর কাছে পুজো দিতে আসছেন। তাঁদের নিরাপত্তার কারণেই তারাপীঠের সর্বত্র সিসি ক্যামেরা বসানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। টিআরডিএর এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরাও। এলাকার বাসিন্দারা বলেন, পর্যটকদের ভিড়ের সঙ্গে সঙ্গে প্রতিদিনই বাড়ছে গাড়ির সংখ্যাও। ফলে যানজটের সময়ও নজরদারি চালানো যাবে।  মাঝেমধ্যেই এখানে দুর্ঘটনা হয়। কী করে দুর্ঘটনা ঘটল তা এবার থেকে ধরা পড়বে। পাশাপাশি অপরাধও কমবে। যদিও তাঁরা বলেন, শুধু সিসি ক্যামেরা বসালেই হবে না, সেগুলির রক্ষণাবেক্ষণও করতে হবে।  

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ