


নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: পর্যটনকে শিল্পের তকমা দিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। পাঁচতারা হোটেলের সংখ্যা বৃদ্ধি এবং অন্যান্য পরিকাঠামো গড়ে তোলার পাশাপাশি রাজ্যে চালু হয়েছে হোম স্টে ইনসেনটিভ স্কিম। এর ফলে বর্তমানে রাজ্যে হোম স্টে’র সংখ্যা গিয়ে দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ৩২৪-এ, যা দেশের মধ্যে সর্বাধিক। হোম স্টে তৈরির ক্ষেত্রে আগ্রহীদের আর্থিক সহায়তা প্রদানই শুধু নয়, এগুলির প্রচারের ক্ষেত্রেও এবার বড় পদক্ষেপ গ্রহণ করল পর্যটন দপ্তর। ইতিমধ্যে দপ্তর এবং পর্যটন উন্নয়ন নিগমের ওয়েবসাইট যথেষ্ট জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। বাংলার পর্যটন কেন্দ্রগুলি সম্পর্কে এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমেই খোঁজখবর নেন পর্যটকরা। তাই ঠিক হয়েছে, এই ওয়েবসাইটেই প্রত্যেক হোম স্টে’র নাম, ঠিকানা, ই-মেইল আইডি, ফোন নম্বর, সম্ভাব্য খরচ ইত্যাদি তথ্য তুলে দেওয়া হবে। ফলে কলকাতা থেকে দার্জিলিং—যে কোনও জায়গার হোম স্টে সম্পর্কে তথ্য পাওয়া যাবে এক ক্লিকেই। শীঘ্রই এই পরিষেবা চালু হবে বলে সোমবার বিধানসভার প্রশ্নোত্তর পর্বে জানিয়েছেন রাজ্যের পর্যটনমন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন। এদিন তিনি আরও জানান, চলতি অর্থবর্ষে এখনও পর্যন্ত রাজ্যে পর্যটকের সংখ্যা ১৯ কোটি ছাড়িয়েছে। এক্ষেত্রে ‘কম্পাউন্ড অ্যানুয়াল গ্রোথ রেট’ ১২.৯ শতাংশ ছাড়িয়েছে বলে বিধানসভায় জানিয়েছেন মন্ত্রী। রাজ্যের নথিভুক্ত হোম স্টে’র মধ্যে পর্যটন দপ্তরের অধীনে ২ হাজার ৫৩২টি, বনদপ্তরের অধীনে ৪০১টি এবং আদিবাসী উন্নয়ন দপ্তরের অধীনে ২ হাজার ৩৯১টি রয়েছে। এলাকাভিত্তিক ধরলে জঙ্গলমহলে ২৩৪টি, উত্তরবঙ্গের ১ হাজার ৯৯০টি এবং ১ হাজার ৬৬০টি পাহাড়ি এলাকায় রয়েছে। কলকাতায় রয়েছে আটটি হোম স্টে। মন্ত্রী আরও জানান, পর্যটনের সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্যে একাধিক পদক্ষেপ করেছে রাজ্য। প্রতি নিয়ত নতুন কর্মকাণ্ড চলছে। মোট ৯১৮টি পর্যটন কেন্দ্র গড়ে উঠেছে রাজ্যজুড়ে।