সংবাদদাতা, বিষ্ণুপুর: বাংলার বাড়ি প্রকল্পে প্রথম কিস্তির টাকা পেয়ে নির্মাণ কাজ শুরু করেছিলেন। পুরনো বাড়ির দেওয়াল ঘেঁষে ভিতও খোঁড়া হয়। কিন্তু, বুধবার রাতে সেই ভিতে জল জমে যাওয়ায় পুরনো বাড়ির গোড়া নড়বড়ে হয়ে যায়। আর তাতেই দেওয়াল চাপা পড়ে ঘুমের মধ্যেই মৃত্যু হল ইন্দাসের নন্দিপাড়ার বাসিন্দা বৃদ্ধা উজ্জ্বলা হাজরা(৬২) এবং তাঁর নাতি দেব কেওড়ার(১৫)। পাত্রসায়রের কবীরচক এলাকার বেলডাঙা গ্রামের বাসিন্দা দেব মকরসংক্রান্তি উপলক্ষ্যে মামাবাড়ি এসেছিল। দিদিমার সঙ্গে তারও মৃত্যু হওয়ায় পরিবারে শোকের ছায়া নেমে আসে। বৃহস্পতিবার সকালে স্থানীয়দের নজরে আসায় উদ্ধারকাজ শুরু হয়। ইন্দাস ব্লক হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক দু’জনকেই মৃত বলে ঘোষণা করেন। পাকাবাড়িতে থাকার স্বপ্ন অধরাই থেকে গেল উজ্জ্বলাদেবীর। পুলিস জানিয়েছে, মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বিষ্ণুপুর জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
Advertisement
ইন্দাসের বিডিও সৌরেন্দ্রনাথ পতি বলেন, দেওয়াল চাপা পড়ে মর্মান্তিকভাবে এক বৃদ্ধা ও তাঁর নাতির মৃত্যু হয়েছে। খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করি। পরিবারের পাশে প্রশাসন রয়েছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ইন্দাসের নন্দিপাড়ার বাসিন্দা উজ্জ্বলাদেবীর দুই ছেলে ও এক মেয়ে। বেশ কিছুবছর আগে তাঁর স্বামীর মৃত্যু হয়েছে। তাঁর মেয়ের আগেই বিয়ে হয়েছে। বড় ছেলে কেরলে কাজে গিয়েছেন। ছোট ছেলে বাড়িতে থাকেন। পরিবারটি অত্যন্ত দরিদ্র। কেন্দ্রের আবাস তালিকায় উজ্জ্বলাদেবীর নাম থাকা সত্ত্বেও এতদিন পাকা বাড়ি পাননি। তবে বাংলার বাড়ি প্রকল্পে প্রথম কিস্তির টাকা পাওয়ার পর তিনি বাড়ি তৈরির উদ্যোগ নিয়েছিলেন। ইট ও বালি কেনার পর পুরনো বাড়ির দেওয়াল ঘেঁষে ভিতও খোঁড়া হয়। বুধবার পার্শ্ববর্তী একটি পুকুরের মালিক মাছ ধরার সুবিধার জন্য মেশিনে করে জল তোলেন। সেই জল নালা বেয়ে এসে রাতে উজ্জ্বলাদেবীর খোঁড়া ভিতে ঢুকে যায়। তাতেই তাঁদের পুরনো বাড়ির দেওয়ালের গোড়া আলগা হয়ে যায়। রাতে তা ধসে পড়ে। তাতেই চাপা পড়ে দিদিমা ও নাতির মৃত্যু হয়।
উজ্জ্বলাদেবীর জমি জমা বলতে কিছুই নেই। অভাবের সংসার। বাংলার বাড়ির টাকা পেয়ে পাকা বাড়ি তৈরি করছিলেন। কিন্তু, সেই স্বপ্ন অধরাই রয়ে গেল। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, বুধবার উজ্জ্বলাদেবীর ছোট ছেলে বাড়িতে ছিলেন না। আত্মীয় বাড়ি গিয়েছিলেন। মকরসংক্রান্তি উপলক্ষ্যে উজ্জ্বলাদেবীর নাতি দেব কেওড়া মামাবাড়িতে এসেছিল। তাই ওইদিন দিদিমা ও নাতি দু’জনেই মাটির জরাজীর্ণ বাড়িতে ঘুমোচ্ছিলেন। রাতের বেলা দেওয়াল ধসে পড়ায় আশেপাশের কেউ শব্দ শুনতে পাননি। না হলে হয়তো তাঁদের জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হতো।
উজ্জ্বলাদেবীর সম্পর্কে এক ভাশুরপো কার্তিক হাজরা বলেন, কাকিমার বাড়িটি ধসে পড়ার মতো অবস্থায় ছিল না। নতুন খোঁড়া ভিতে জল জমে যাওয়াতেই তা ধসে পড়েছে। হত দরিদ্র পরিবারটিকে সাহায্য করার জন্য আমরা প্রশাসনের কাছে আর্জি জানিয়েছি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ইন্দাসের নন্দিপাড়ার বাসিন্দা উজ্জ্বলাদেবীর দুই ছেলে ও এক মেয়ে। বেশ কিছুবছর আগে তাঁর স্বামীর মৃত্যু হয়েছে। তাঁর মেয়ের আগেই বিয়ে হয়েছে। বড় ছেলে কেরলে কাজে গিয়েছেন। ছোট ছেলে বাড়িতে থাকেন। পরিবারটি অত্যন্ত দরিদ্র। কেন্দ্রের আবাস তালিকায় উজ্জ্বলাদেবীর নাম থাকা সত্ত্বেও এতদিন পাকা বাড়ি পাননি। তবে বাংলার বাড়ি প্রকল্পে প্রথম কিস্তির টাকা পাওয়ার পর তিনি বাড়ি তৈরির উদ্যোগ নিয়েছিলেন। ইট ও বালি কেনার পর পুরনো বাড়ির দেওয়াল ঘেঁষে ভিতও খোঁড়া হয়। বুধবার পার্শ্ববর্তী একটি পুকুরের মালিক মাছ ধরার সুবিধার জন্য মেশিনে করে জল তোলেন। সেই জল নালা বেয়ে এসে রাতে উজ্জ্বলাদেবীর খোঁড়া ভিতে ঢুকে যায়। তাতেই তাঁদের পুরনো বাড়ির দেওয়ালের গোড়া আলগা হয়ে যায়। রাতে তা ধসে পড়ে। তাতেই চাপা পড়ে দিদিমা ও নাতির মৃত্যু হয়।
উজ্জ্বলাদেবীর জমি জমা বলতে কিছুই নেই। অভাবের সংসার। বাংলার বাড়ির টাকা পেয়ে পাকা বাড়ি তৈরি করছিলেন। কিন্তু, সেই স্বপ্ন অধরাই রয়ে গেল। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, বুধবার উজ্জ্বলাদেবীর ছোট ছেলে বাড়িতে ছিলেন না। আত্মীয় বাড়ি গিয়েছিলেন। মকরসংক্রান্তি উপলক্ষ্যে উজ্জ্বলাদেবীর নাতি দেব কেওড়া মামাবাড়িতে এসেছিল। তাই ওইদিন দিদিমা ও নাতি দু’জনেই মাটির জরাজীর্ণ বাড়িতে ঘুমোচ্ছিলেন। রাতের বেলা দেওয়াল ধসে পড়ায় আশেপাশের কেউ শব্দ শুনতে পাননি। না হলে হয়তো তাঁদের জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হতো।
উজ্জ্বলাদেবীর সম্পর্কে এক ভাশুরপো কার্তিক হাজরা বলেন, কাকিমার বাড়িটি ধসে পড়ার মতো অবস্থায় ছিল না। নতুন খোঁড়া ভিতে জল জমে যাওয়াতেই তা ধসে পড়েছে। হত দরিদ্র পরিবারটিকে সাহায্য করার জন্য আমরা প্রশাসনের কাছে আর্জি জানিয়েছি।



