সংবাদদাতা, সিউড়ি: বীরভূমের সাঁইথিয়া ব্লকে কোনও ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র নেই। সাঁইথিয়া শহরে থাকা গ্রামীণ হাসপাতালকে ইতিমধ্যেই জেলা হাসপাতালে উন্নীত করা হয়েছে। তাই বিকল্প হিসেবে এই ব্লকের অন্যতম জনবহুল এলাকা আহমদপুরের ঈশ্বরপুর প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রকে ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে উন্নীত করার দাবি স্থানীয় বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, আহমদপুরে স্বাস্থ্য পরিষেবার হাল খারাপ। ঈশ্বরপুর প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে মাত্র একজন চিকিৎসক। তাও তাঁকে সব সময়ে পাওয়া যায় না। এছাড়া এই হাসপাতালে ইনডোর ইউনিট নেই। তবে জরুরি ভিত্তিতে প্রসব করানো হয়। কিন্তু গুরুতর অসুস্থতায় বাসিন্দাদের ছুটতে হয় সিউড়ি সুপার স্পেশালিটি, সাঁইথিয়া জেলা হাসপাতাল না হলে বোলপুর সিয়ান হাসপাতালে। এই এলাকায় বেসরকারি হাসপাতালও নেই। ফলে রাজ্য সরকারের স্বাস্থ্যসাথী কার্ড থাকা সত্ত্বেও দুর্ভোগ পোহাতে হয় মানুষকে।
Advertisement
বাসিন্দাদের একাংশের অভিযোগ, ভোটের আগে স্বাস্থ্য ব্যবস্থার পরিকাঠামো উন্নয়ন নিয়ে একাধিক প্রতিশ্রুতি শোনা যায়। কিন্তু ভোট চলে গেলেই শুরু হয় গড়িমসি। ফলে এলাকার চিকিৎসা পরিকাঠামোর হাল যে কে সেই। আহমদপুরে একটি সুস্বাস্থ্য কেন্দ্রও রয়েছে। এছাড়া রয়েছে আরও একাধিক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র। কিন্তু সেইসব স্বাস্থ্যকেন্দ্রে জরুরি প্রাথমিক চিকিৎসা ছাড়া অন্য কোনও পরিষেবা মেলে না। সকাল ৯টা থেকে বিকেল তিনটে অবধি নির্দিষ্ট সময়ে ছাড়া জরুরি প্রয়োজনেও চিকিৎসা পাওয়া মুশকিল। তাছাড়া এই এলাকায় ডাক্তারদের প্রাইভেট চেম্বারও হাতে গোনা। ফলে রাতের দিকে এলাকার বাসিন্দারা গুরুতর অসুস্থ হলে তাঁদের নিয়ে ছুটতে হয় সিউড়ি, সাঁইথিয়া বা বোলপুরে। তাই সাঁইথিয়া ব্লকে ইনডোর ইউনিট বিশিষ্ট একটি ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র করার দাবি স্থানীয় বাসিন্দাদের। আগামী বিধানসভা ভোটের আগে তাঁদের দাবি মেটে কি না, সেই অপেক্ষায় বাসিন্দারা। উল্লেখ্য, আহমেদপুরে দিনের পর দিন বাড়ছে জনসংখ্যা। কিন্তু স্বাস্থ্য পরিষেবার পরিকাঠামো সেই তুলনায় সামান্যই।
সাঁইথিয়ার ঈশ্বরপুর প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে সব সময় ডাক্তার না পাওয়ার বিষয়ে বিএমওএইচ নাসির ইকবাল বলেন, একজন চিকিৎসক আছেন ওখানে। কী করে তিনি সব সময় থাকবেন? সরকারি ছুটির দিন ছাড়া তিনি সেখানে সকাল ন’টা থেকে বিকেল তিনটে অবধি থাকেন। তবে এই হাসপাতালকে ব্লক হাসপাতালে উন্নীত করার প্রস্তাবের বিষয়ে আমার জানা নেই।
সাঁইথিয়ার ঈশ্বরপুর প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে সব সময় ডাক্তার না পাওয়ার বিষয়ে বিএমওএইচ নাসির ইকবাল বলেন, একজন চিকিৎসক আছেন ওখানে। কী করে তিনি সব সময় থাকবেন? সরকারি ছুটির দিন ছাড়া তিনি সেখানে সকাল ন’টা থেকে বিকেল তিনটে অবধি থাকেন। তবে এই হাসপাতালকে ব্লক হাসপাতালে উন্নীত করার প্রস্তাবের বিষয়ে আমার জানা নেই।



