নিজস্ব প্রতিনিধি, আসানসোল: আমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে টি ২০ বিশ্বকাপের ম্যাচ হচ্ছিল ভারত ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যে। একপেশে ভাবেই ম্যাচ জিতে যায় ভারত। সারা দেশ যখন তৃতীয়বার টি ২০ ক্রিকেট বিশ্বকাপ জেতার আনন্দে মাতোয়ারা তখনই সোশ্যাল মিডিয়ায় জুড়ে শুরু হয় তৃণমূল-বিজেপি ডুয়েল। ভারতের বিশ্বকাপ জয়ও বাংলা ভোটের সঙ্গে যুক্ত হয়ে যায়। দেশের ক্রিকেটারদের কৃতিত্বকে ছোট করে এই জয়ের কৃতিত্ব মোদি, অমিত শাহকে দেওয়া শুরু করে বিজেপির সোশ্যাল মিডিয়ায় যোদ্ধারা। একজন পোস্ট করে ভারতের জয়ের পর জনতার প্রবল গর্জন। মাঠে উপস্থিত কেন্দ্রীয় স্বরাষ্টমন্ত্রী অমিত শাহকে হাততালি দিতে দেখা যায়। সেই ভিডিও পোস্ট করে লেখা হয়, ‘আয় মমতা দেখে যা, মোদি, শাহের ক্ষমতা’। অনেকে আবার লেখেন, যাঁরা নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামকে অপয়া বলেছেন তাঁরা বাংলাদেশে যাক। কেউ আবার লেখেন, ‘ভাইপো বুঝে গেল জয় শাহের ক্ষমতা। ভারতের জয়কে কার্যত বিজেপির জয় ধরে নিয়ে অনেকে লেখেন, এবার পালা বাংলা জয়। ফের জিতবে ভারত।
পাল্টা স্লোগান তুলতে সময় নেয়নি তৃণমূল কংগ্রেসের ভোট কুশলীরাও। তৃণমূলের সোশ্যাল মিডিয়া যোদ্ধারা পোস্ট করেন, ‘মাঠে ছিল না নরেন, তাই কাপ যায়নি ফরেন’। এই ব্যঙ্গ থেকে স্পষ্ট প্রধানমন্ত্রী মাঠে উপস্থিত থাকাকালীন ভারতের পরাজয়কে কটাক্ষ করেছে তৃণমূলের নতুন প্রজন্ম। দুই শিবিরের একে অপরকে আক্রমণ ও প্রতি আক্রমণ আলোচনার বিষয় হয়ে ওঠে। রবিবারই একটি জনসভা থেকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় প্রশ্ন তুলেছিলেন, কোন অগ্নিপরীক্ষা দিয়ে জয় শা আইসিসির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন। জয় শাহের মাঠে উপস্থিতিতে জয়কে নিজেদের জয় হিসাবেই ধরে নেয় বিজেপির একাংশ। তৃণমূল রাজ্য সম্পাদক ভি শিবদাসন দাসু বলেন, ভারতের জয়ে আমরা সবাই খুশি। খেলোয়াড়দের এই কৃতিত্বকে কিছু অন্ধভক্ত বিজেপির জয় মনে করছে। হাস্যকর। মনে রাখবেন ইংরেজদের মতো সারা দেশকে যাঁরা গোলাম করতে চাইছে সেই বিজেপির বিরুদ্ধে মানুষ গর্জে উঠবে।
বিজেপি জেলা সহ সভাপতি প্রশান্ত চক্রবর্তী বলেন, দেশের খেলাধুলোর পরিকাঠামো উন্নয়নে বিজেপি সরকার গুরুত্বপূর্ণ কাজ করেছে। আমাদের আমলেই বিভিন্ন ক্রীড়াক্ষেত্রে ভারত সাফল্য পাচ্ছে।