Bartaman Logo
২১ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / বিদেশ

কিয়ের স্টারমারের বিরুদ্ধে কোর্টে ভারতীয় বংশোদ্ভূত লর্ড রেনজার, বাক স্বাধীনতা বিতর্ক, খেতাব বাতিলের প্রতিবাদ

লর্ড রেনজার কিয়ের স্টারমারের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন বাক স্বাধীনতার লঙ্ঘনের অভিযোগে। খেতাব বাতিলের প্রেক্ষিতে বিস্তারিত জানুন।

কিয়ের স্টারমারের বিরুদ্ধে কোর্টে ভারতীয় বংশোদ্ভূত লর্ড রেনজার, বাক স্বাধীনতা বিতর্ক, খেতাব বাতিলের প্রতিবাদ
  • ৯ জুন, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, লন্ডন: ঐতিহ্যশালী সিবিই খেতাব প্রত্যাহারের ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টারমারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করলেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ ব্যবসায়ী তথা কনজারভেটিভ পার্টির লর্ড রেমি রেনজার। তাঁর অভিযোগ, সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টের কারণে খেতাব প্রত্যাহার বাক স্বাধীনতার পরিপন্থী।

Advertisement

ব্যবসা ও সামাজিক সংগতিতে অবদানের স্বীকৃতি হিসাবে ৭৮ বছরের রেনজারকে ২০১৬ সালে ‘অর্ডার অব দ্য ব্রিটিশ এম্পায়ার’-এর তৃতীয় সর্বোচ্চ সম্মান সিবিই পুরস্কারে ভূষিত করা হয়েছিল। যদিও সোশ্যাল মিডিয়ায় এক ভারতীয় মহিলা সাংবাদিক সম্পর্কে আপত্তিকর মন্তব্য, শিখ বিচ্ছিন্নতাবাদীদের সমালোচনা ও পাকিস্তানিদের প্রতি অপমানজনক মন্তব্য করার ঘটনায় বিতর্কে জড়ান এই ধনকুবের ব্যবসায়ী। তার জেরেই রেনজারের সিবিই খেতাব প্রত্যাহৃত করে ফরফিচার কমিটি। ২০২৪ সালের লন্ডন গেজেটে এবিষয়ে নোটিস প্রকাশিত হয়। সেখানে বলা হয়, রাজা নির্দেশ দিয়েছেন, সিবিই বাতিল ও রদ করা হবে এবং সংশ্লিষ্ট নির্দেশে রেজিস্টার থেকে তাঁর নাম মুছে ফেলা হবে। এমবিই খেতাব এখনও বজায় থাকলেও সিবিই খেতাব হারানোয় রেনজারকে প্রবল বিড়ম্বনার মুখে পড়তে হয়। তিনি নিজেকে ‘বাতিল সংস্কৃতি’র শিকার বলে দাবি করেন। প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপের কারণ, ফরফিচার কমিটি সরাসরি দেখভাল করে প্রধানমন্ত্রীর অফিস। রেনজারের দাবি, সিবিই খেতাব প্রত্যাহার ছিল ‘অসামঞ্জস্যপূর্ণ’। তাঁর আইনজীবী মার্ক লুইস বলেন, মামলাটি বিচারাধীন থাকায় ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে মন্তব্য করা উচিত হবে না। তবে, বাক স্বাধীনতার সঙ্গে আপস করে সরকারের ‘বাতিল সংস্কৃতি’ গ্রহণ কতটা আইনসম্মত সেটাই দেখার। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ