তেহরান: ইজরায়েল-আমেরিকার সঙ্গে ইরানের যুদ্ধে প্রাণ গেল এক ভারতীয়ের। শনিবার ওমানের উত্তর-পশ্চিম উপকূলের মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের পতাকাবাহী এমকেডি ভিওয়াইওএম নামে তেলবাহী ট্যাঙ্কারে ড্রোন হামলা হয়। ওমানের পোর্ট সুলতান কাবুস থেকে ৫২ নটিক্যাল মাইল দূরে হামলাটি হয়েছে। মৃত ভারতীয় নাবিকের নাম-পরিচয় জানা যায়নি। এব্যাপারে ওমান প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলেছে মাসকাটের ভারতীয় দূতাবাস। তেলবাহী ওই জাহাজে মোট ২১ জন নাবিক ছিলেন। তাঁদের মধ্যে ১৬ জন ভারতীয়। তাঁদের সবাইকে উদ্ধার করেছে ওমানের নৌসেনা। সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, ওই ট্যাঙ্কারে ইরান হামলা চালিয়েছে।
ওমান, সৌদি আবর, কুয়েত, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি থেকে ইজরায়েল। যুদ্ধের কালো মেঘ গ্রাস করেছে গোটা পশ্চিম এশিয়াকে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের হামলার জবাব দিচ্ছে ইরানও। তবে ওমানের বন্দরে ইরানের মিসাইল হামলা নিয়ে জোর চর্চা চলছে। কারণ যুদ্ধ থামাতে ইরান, আমেরিকা ও ইজরায়েলের সঙ্গে মধ্যস্থতাকারী হিসাবে কাজ করেছে মাসকাট। বিষয়টি অস্বীকার না করে ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেন, ‘ওমানে যা ঘটেছে, তা আমাদের পছন্দের সিদ্ধান্ত ছিল না।’
গত শনিবার ইজরায়েলের বিমানহানায় মৃত্যু হয়েছে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লা আলি খামেনেইয়ের। সর্বোচ্চ নেতার অধীনে রয়েছে ইরানের সামরিক বাহিনী আইআরজিসি। আরাঘচির কথায়, আমরা ইতিমধ্যে সশস্ত্র বাহিনীকে হামলার লক্ষ্যবস্তু নিয়ে সতর্ক হতে বলেছি। বর্তমানে বাহিনীর ইউনিটগুলি এখন কিছুটা বিচ্ছিন্ন অবস্থায় রয়েছে। তারা পূর্বের নির্দেশ অনুযায়ী কাজ করছে।’ অর্থাৎ সর্বোচ্চ নেতা খামেনেই জীবিত থাকাকালীন যে নির্দেশ দিয়ে গিয়েছিলেন, সেইমতো অভিযান চালাচ্ছে আইআরজিসি।