Bartaman Logo
৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির ক্ষেত্রে ‘ইন্ডিয়া ফার্স্ট’ নীতি মানবে দিল্লি

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতি নিয়েছেন। নয়াদিল্লিরও নীতি ‘ইন্ডিয়া ফার্স্ট’। ভবিষ্যতে বাণিজ্য সংক্রান্ত কোনও চুক্তি সারতে গেলে বিকশিত ভারতের লক্ষ্যে এই নীতিই অনুসরণ করবে দেশ।

মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির ক্ষেত্রে ‘ইন্ডিয়া ফার্স্ট’ নীতি মানবে দিল্লি
  • ২৪ মার্চ, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নয়াদিল্লি: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতি নিয়েছেন। নয়াদিল্লিরও নীতি ‘ইন্ডিয়া ফার্স্ট’। ভবিষ্যতে বাণিজ্য সংক্রান্ত কোনও চুক্তি সারতে গেলে বিকশিত ভারতের লক্ষ্যে এই নীতিই অনুসরণ করবে দেশ। রবিবার এই মন্তব্য করেছেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। তিনি বলেন, মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) এখন আর কেবল অর্থনীতির মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। বরং কৌশলগত সুবিধার কথা মাথায় রেখেই এই চুক্তি করা হয়। এদিন নির্দিষ্ট কোনও দেশের নাম করেননি জয়শঙ্কর। তবে সম্প্রতি ভারতীয় পণ্যের উপর শুল্ক চাপানোর হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তার প্রেক্ষিতেই জয়শঙ্করের এই মম্তব্য বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। জয়শঙ্করের বার্তা স্পষ্ট— দরাদরিতে আমেরিকাকে বাড়তি কোনও সুবিধা দেবে না ভারত। তিনি বলেন, ‘বিশ্ব অর্থনীতিতে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে বাণিজ্য চুক্তি বড় ভূমিকা নেয়। ভারত এখন তিনটি চুক্তি নিয়ে আলোচনা চালাচ্ছে। ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন এবং ব্রিটেনের সঙ্গে এফটিএ এবং আমেরিকার সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক চুক্তি (বিটিএ)। চলতি সপ্তাহে নিউ জিল্যান্ডের সঙ্গেও আলোচনা শুরু হয়েছে। আগে থেকেই বেশ কয়েকটি দেশের সঙ্গে আলোচনা চলছে।’ জয়শঙ্করের কথায়, অতীতে এশিয়ার দেশগুলির সঙ্গেই এফটিএ সারত দিল্লি। তাই উপসাগরীয় এবং পশ্চিমী দেশগুলির সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তির ক্ষেত্রে অর্থনীতির তুলনায় কৌশলগত অবস্থানকেই অগ্রাধিকার দেওয়া হতো। এখন দুই ক্ষেত্রে ভারসাম্য আনার চেষ্টা হচ্ছে।   

Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ