নয়াদিল্লি ও মুম্বই: বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’য় ফাটল ক্রমেই চওড়া হচ্ছে। একের পর এক হারের ধাক্কায় জেরবার কংগ্রেস বিরোধী শিবিরে রীতিমতো কোণঠাসা। কংগ্রেসের হাত ছেড়ে বিহারের আসন্ন বিধানসভা ভোটে একলা চলার ইঙ্গিত আসছে লালুপ্রসাদের আরজেডি থেকে। আক্ষেপের সুর ন্যাশনাল কনফারেন্স (এনসি) নেতা ওমর আবদুল্লার কণ্ঠেও। একদিন আগেই তাঁর বিস্ফোরক মন্তব্য ছিল, শুধুমাত্র গত বছরের লোকসভা নির্বাচনের জন্যই যদি ‘ইন্ডিয়া’ জোট গড়া হয়ে থাকে, তাহলে এখন তা বন্ধ করে দেওয়া উচিত। জোটের এই দশার জন্য শুক্রবার কংগ্রেসকে কাঠগড়ায় তুলল আরও এক শরিক। এদিন শিবসেনার উদ্ধব থ্যাকারে গোষ্ঠীর নেতা সঞ্জয় রাউত বলেন, ‘ইন্ডিয়া’ জোটকে
Advertisement
অটুট রাখার দায় কংগ্রেসের উপরই বর্তায়। কারণ তারাই এই জোটের সবচেয়ে বড় দল। ‘ইন্ডিয়া’ জোট বর্তমানে আদৌ বেঁচে আছে কি না, গতকাল কার্যত সেই প্রশ্নই তুলে দেন ওমর আবদুল্লা। জম্মু ও কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রীর আক্ষেপ ছিল, জোটের না আছে কোনও এজেন্ডা, না নেতৃত্বের ঠিক-ঠিকানা। আর এদিন রাউত বলেন, শরিক দলগুলি ভাবছে, ইন্ডিয়া জোট শুধুমাত্র লোকসভা ভোটের জন্য গড়া হয়েছিল। এখন আর এই জোটের কোনও অস্তিত্ব নেই। এই অবস্থার জন্য দায়ী কংগ্রেস। কারণ না করা হচ্ছে কোনও যোগাযোগ, না হচ্ছে বৈঠক। লোকসভা ভোটে আমরা একত্রে লড়ে ভালো ফল করেছিলাম। ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নির্ধারণে বৈঠক হওয়া উচিত ছিল। আর সেই উদ্যোগ গ্রহণের দায়িত্ব কংগ্রেসের নেওয়া উচিত ছিল।
অবশ্য গতকাল ওমর আবদুল্লার আক্ষেপের পর পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেছেন তাঁর বাবা তথা ন্যাশনাল কনফারেন্সের সভাপতি ফারুক আবদুল্লা। ওমরের মন্তব্য নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে ফারুক বলেন, জোট (ইন্ডিয়া) স্থায়ী। এর উদ্দেশ্যে শুধু নির্বাচন নয়। দেশের গণতন্ত্র বজায় রাখতে এই জোট প্রয়োজন। দেশকে শক্তিশালী করা ও বিদ্বেষ দূর করার লক্ষ্যে একযোগে কাজ করতে হবে শরিক দলগুলিকে।
অবশ্য গতকাল ওমর আবদুল্লার আক্ষেপের পর পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেছেন তাঁর বাবা তথা ন্যাশনাল কনফারেন্সের সভাপতি ফারুক আবদুল্লা। ওমরের মন্তব্য নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে ফারুক বলেন, জোট (ইন্ডিয়া) স্থায়ী। এর উদ্দেশ্যে শুধু নির্বাচন নয়। দেশের গণতন্ত্র বজায় রাখতে এই জোট প্রয়োজন। দেশকে শক্তিশালী করা ও বিদ্বেষ দূর করার লক্ষ্যে একযোগে কাজ করতে হবে শরিক দলগুলিকে।



