সংবাদদাতা, বনগাঁ: স্বাধীনতা দিবসের আগে বুধবার হাবড়া থেকে জঙ্গি সন্দেহে পাক নাগরিক গ্রেপ্তারের ঘটনায় নড়েচড়ে বসেছে পুলিশ প্রশাসন। পেট্রাপোল সীমান্তেও নজরদারি বাড়িয়েছে রেল পুলিশ। স্বাধীনতা দিবসে নাশকতা এড়াতে বুধবার পেট্রাপোল ও বনগাঁ রেল স্টেশনে যৌথভাবে নজরদারি চালায় আরপিএফ ও জিআরপি। এদিন সীমান্তে পেট্রাপোল সীমান্তে রেল লাইনের আশেপাশে কোনো বিস্ফোরক রাখা আছে কি না, জানতে মেটাল ডিটেক্টর দিয়ে তল্লাশি করে পুলিশকর্মীরা। বনগাঁ স্টেশনেও নজরদারি চালায় তারা। এদিন প্ল্যাটফর্মের পাশাপাশি ট্রেনের কামরাতেও নজরদারি চালায় আরপিএফ ও জিআরপি। পেট্রাপোল সীমান্ত পেরিয়ে প্রতিদিন বহু বাংলাদেশি নাগরিক ভারতে আসেন। বাংলাদেশিদের একটা বড়ো অংশ বনগাঁ স্টেশনে এসে ট্রেনে যাতায়াত করেন। ফলে বাংলাদেশিদের আনাগোনা লেগেই থাকে বনগাঁ স্টেশনে। এদিন স্টেশনে আসা বাংলাদেশিদের পাসপোর্ট খতিয়ে দেখা হয়। তল্লাশি করা হয় ব্যাগে। যদিও তল্লাশিতে সন্দেহজনক বস্তু মেলেনি। ২০০৭ সালে এপ্রিল মাসে পেট্রাপোল সীমান্ত পেরিয়ে এদেশে আসে লস্কর ই তৈবার ৪ জঙ্গি। বিএসএফ গ্রেপ্তার করেছিল। এদের মধ্যে দুজন ভারতীয় ও দুজন পাকিস্তানি নাগরিক। ধৃতদের বিরুদ্ধে ২০০৬ সালে মুম্বই ট্রেন বিস্ফোরণের সাথে যুক্ত থাকার অভিযোগ ছিল। এছাড়াও নানা সময়ে অনুপ্রবেশকারী ধরা পড়েছে সীমান্তে। তারা নাশকতার পরিকল্পনা করে এসেছিল বলে পরবর্তীতে জানতে পেরেছে গোয়েন্দারা। তাই স্বাধীনতা দিবসের আগে বাড়তি নজরদারি চালানো হচ্ছে বনগাঁ সীমান্তে। রেল পুলিশ সূত্রে খবর, নজরদারি চলবে।



