নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: আলিপুরে জেলা পরিষদ ভবনের নীচের তলায় ছিল আঞ্চলিক পরিবহণ অফিস বা আরটিও। আগুন লাগার পর সেই অফিস এখন বন্ধ। বিকল্প ব্যবস্থা হিসাবে জেলাশাসকের অফিসের পিছনে একটি পুরানো ঘরকে প্রস্তুত করা হচ্ছে। কিন্তু যাঁরা এই অফিসে কাজ নিয়ে আসছেন, যেমন লাইসেন্স, ফাইন দেওয়া প্রভৃতি, তাঁদের বাইরে খোলা আকাশের নীচে দাঁড়াতে হচ্ছে। রোদ, বৃষ্টির মধ্যে অপেক্ষা করেই সারতে হচ্ছে কাজ। এতে অসন্তুষ্ট অনেকেই। বৃষ্টিতে ভিজে গেলে কাগজপত্র নষ্ট হচ্ছে। কেউ কেউ বিরক্ত হয়ে চলে যাচ্ছেন। তবে এনিয়ে জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, নতুন অফিসঘরের কাজ দ্রুত গতিতে চলছে। ওই কাজ শেষ হলে আর কাউকে এখানে এসে খোলা আকাশের নীচে দাঁড়াতে হবে না।
এক-দেড় মাস আগেও পরিস্থিতি ছিল অন্যরকম। অগ্নিকাণ্ডের কারণে বেশ কিছুদিন বিভাগ বন্ধ থাকার পর বিকল্প স্থানে কাজ শুরু হয়েছে। কিন্তু তাতেই সমস্যা বেড়েছে আম জনতার। তাদের প্রশ্ন, বর্ষার মধ্যে কেন একটা অস্থায়ী ছাউনি করে দেওয়া হল না এখানে? তাহলে ভিজতে হয় না। হালকা ঝিরঝির বৃষ্টিতে সেরকম সমস্যা না হলেও ভারী বৃষ্টিতে বিপাকে পড়েন সবাই। ছাতাতেও কাজ হয় না।এদিকে, যাঁরা বিভিন্ন কাজ নিয়ে আসছেন, তাঁদের ছবি তোলার জন্য যে ব্যবস্থা করা হয়েছে, সেটা দেখেও অবাক হচ্ছেন অনেকেই। দুটো বাঁশের খুঁটিতে সাদা কাগজের ব্যাকগ্রাউন্ড বানানো হয়েছে। তার সামনে দাঁড় করিয়ে ছবি নেওয়া হচ্ছে। মেটিয়াবুরুজের আক্রম খান থেকে সোনারপুরের বিশ্বজিৎ মল্লিক বলেন, ‘আমরা ঠেকায় পড়ে আসছি। নাহলে কে এভাবে রোদে জলে দাঁড়িয়ে কাজ করবে! আগে অফিসের মধ্যেই আমরা অপেক্ষা করতাম।’