


মুম্বই: ২০১৯ থেকে ২০২৪ সালের বিধানসভা নির্বাচনের মাঝে সম্পদ বেড়েছে। অথচ ভোটের আগে সেবিষয়ে কিছুই জানানো হয়নি। সংশ্লিষ্ট ঘটনায় আয়কর দপ্তরের নোটিস পেলেন পশ্চিম আওরঙ্গাবাদের শিবসেনা (সিন্ধেপন্থী) বিধায়ক সঞ্জয় শিরসাত। এব্যাপারে মহারাষ্ট্রের সামাজিক ন্যায়বিচারমন্ত্রী সঞ্জয় জানান, প্রশাসন তার কাজ করছে। এর পিছনে কোনও রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র নেই। তাতে অবশ্য চিঁড়ে ভিজছে না। বিরোধীদের দাবি, সিন্ধের দলকে চাপে রাখতেই এই কৌশল। তবে তাঁর একটি বক্তব্য ঘিরে জোর বিতর্ক দানা বেঁধেছে। তিনি জানান, উপ মুখ্যমন্ত্রী তথা দলের নেতা একনাথ সিন্ধের সাংসদ পুত্রও আয়কর নোটিস পেয়েছেন। পরে সেই বক্তব্য থেকে সরে আসেন তিনি।
বৃহস্পতিবার ছত্রপতি শম্ভাজিনগরের অনুষ্ঠানে সঞ্জয়ের বক্তব্যের ভিডিও প্রকাশ্যে আসে। সেখানে তিনি বলেন, ‘অর্থ আয় করা সহজ। কিন্তু খরচ করা কঠিন।’ তারপরেই বিধানসভা চত্বরে তাঁকে চেপে ধরেন সাংবাদিকরা। উত্তরে মন্ত্রী বলেন, ‘কয়েকজন আয়কর দপ্তরে আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন। তার ভিত্তিতেই নোটিস পাঠানো হয়েছে। বুধবার এবিষয়ে আমার উত্তর জানতে চেয়েছিল আয়কর দপ্তর। তবে আমি কিছুটা সময় চেয়ে নিয়েছি। ভুল কিছু করিনি। লোকে ভাবে রাজনৈতিক নেতাদের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হয় না। সেটা ঠিক নয়। আমি যথাযথ উত্তর দেব।’ তাহলে কী ফাঁসানোর জন্যই এমনটা করা হয়েছে? সঞ্জয়ের জবাব, ‘প্রশাসন নিজের কাজ করছে। তা নিয়ে আমার কোনও সমস্যা নেই। আমার উপর কেউ চাপ সৃষ্টি করেনি। শ্রীকান্ত সিন্ধেও নোটিস পেয়েছেন।’ কিছুক্ষণ পরেই ভিন্ন সুর শোনা যায় সিন্ধেপন্থী শিবসেনার এই বিধায়কের গলায়। বলেন, ‘কিছু লোক মনে করছেন, আমি শ্রীকান্তের নোটিস পাওয়ার খবর সবাইকে জানাচ্ছি। তিনি নোটিস পেয়েছেন কি না, সেবিষয়ে আমার কিছু জানা নেই।’