নয়াদিল্লি: বার্ষিক ১০০ কোটি বা তা বেশি উপার্জনকারীর সংখ্যা পাঁচ বছরে চার গুণেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। আয়কর রিটার্নের তথ্যের ভিত্তিতে সোমবার সংসদে একথা জানালেন অর্থমন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী পঙ্কজ চৌধুরী। এসংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেছেন, ২০২০-২১ সমীক্ষাবর্ষে দেশে শতকোটি বা তার বেশি উপার্জনকারীর সংখ্যা ছিল ১৪২ জন। ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে সেই সংখ্যাটা বেড়ে হয়েছে ৫৬৭ জন। ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে এই তালিকায় ছিলেন ৪১৫ জন। এর আগের অর্থবর্ষে এই সংখ্যা ছিল ২৮৪ জন। আর ২০২২-২৩ পর্বে ৩০১ জন।
কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সংসদে জানিয়েছেন, ২০২৫ সালের আয়কর আইন বা ১৯৬১ সালের পূর্বতন আইনে ভারতে ‘বিলিয়নেয়ার’ শব্দটির বিধিবদ্ধ কোনো সংজ্ঞা নেই। আইটিআর-এ ১০০ কোটি বা তার বেশি উপার্জন দেখানো ব্যক্তিদের উপর সরকার নজর রাখে। তবে ২০১৬ সালের ১ এপ্রিল ১৯৫৭ সালের সম্পদ-কর আইনের অবলুপ্তি হওয়ায় শতকোটি উপার্জনকারীদের মোট সম্পদ সংক্রান্ত তথ্য সরকার সংরক্ষণ করে রাখে না। এদিন কেন্দ্রের তরফে দাবি করা হয়েছে, দেশে আর্থিক বৈষম্য কমছে বলে একাধিক সূচকে ইঙ্গিত মিলছে। সর্বশেষ গৃহস্থালি ভোগ্যপণ্য ব্যয় সমীক্ষায় (২০২৩-২৪) দেখা গিয়েছে, শহর ও গ্রামাঞ্চল উভয় স্থানেই উপার্জনের বৈষম্য নিম্নমুখী। গিনি কোইফিসিয়েন্টেও তার প্রতিফলন ঘটেছে। সরকারের আরও দাবি, ১৫ বছর বা তার ঊর্ধ্বে বেকারত্বের হারও নিম্নমুখী হয়েছে। ২০২২ সালে এই হার ছিল ৩.৬ শতাংশ। ২০২৫ সালে তা কমে হয়েছে ৩.১ শতাংশ।