নিজস্ব প্রতিনিধি, আরামবাগ: ইকবাল আহমেদ ফ্যানস ক্লাবের পরিচালনায় ‘প্রধান কাপ’ ঘিরে খানাকুলে উন্মাদনা দেখা গেল। দ্বিতীয় বর্ষে মহিলা, পুরুষ উভয় দলের ফুটবল টুর্নামেন্টের পাশাপাশি ক্লাবের তরফে একাধিক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। ক্লাবের কর্তারা জানিয়েছেন, গত শুক্রবার খানাকুল ফুটবল ময়দানে রক্তদান শিবিরের আয়োজন হয়। তাতে প্রায় ১০০জন রক্তদাতাকে পথ নিরাপত্তায় সচেতন করতে হেলমেট দেওয়া হয়। সবুজায়নের লক্ষ্যে গাছের চারা বিলি করা হয়েছে।
Advertisement
গত রবিবার সাধারণতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে মহিলা ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন হয়। সেদিন মাঠে ক্লাব ও জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। তারসঙ্গে চারটি মহিলা ফুটবল টিম টুর্নামেন্টে অংশ নেয়। আরামবাগ ছাড়াও ভিন জেলা থেকে সেইসব টিম অংশ নেয়। টুর্নামেন্টের ফাইনালে আরামবাগের বিক্রমপুর বিশালক্ষ্মী মাতা মহিলা কোচিং সেন্টার বাঁকুড়ার ভারতী আদিবাসী সোসাইটিকে ১-০ গোলে পরাজিত করে।
সোমবার পুরুষ ফুটবল টুর্নামেন্ট হয়। তাতেও চারটি টিম অংশ নেয়। ফাইনাল খেলা হয় আরামবাগের এ্যলি স্পোর্টস ও পশ্চিম মেদিনীপুরের প্রিয়াংশী ইলেভেনের মধ্যে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মীমাংসা না হওয়ায় টাইব্রেকার হয়। তাতে এক গোলে জয়ী হয় এ্যলি স্পোর্টস। ক্লাবের সম্পাদক বাদশা সা বলেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুপ্রেরণায় এবারের প্রধান কাপ ও অন্যান্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। মুখ্যমন্ত্রীর ‘সেফ ড্রাইভ সেভ লাইফ’ কর্মসূচির প্রসারে রক্তদাতাদের হেলমেট দেওয়া হয়েছে। তারসঙ্গে দুঃস্থদের ব্ল্যাঙ্কেট দেওয়া হয়। ফুটবল টুর্নামেন্টগুলিতে বাইরের টিমের খেলা দেখার জন্য দর্শকদের উচ্ছ্বাস ছিল তুঙ্গে। কর্মসূচিতে সবার সহযোগিতাও পাওয়া গিয়েছে। সারা বছর আমরা খেলাধুলোর পাশাপাশি নানা সামাজিক কাজকর্ম করি। ক্লাবের সদস্যরা জানিয়েছেন, ফুটবল টুর্নামেন্টে জয়ী দলগুলিকে ট্রফি, আর্থিক পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। তারসঙ্গে টুর্নামেন্টের বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভালো খেলোয়াড়দেরও পুরস্কার দেওয়া হয়। কলকাতা থেকে আসা তিনজন রেফারি টুর্নামেন্ট পরিচালনা করেন। তাঁদের সংবর্ধনা ও উপহার দেওয়া হয়। পৃথক অনুষ্ঠানে ছিলেন তারকেশ্বর পুরসভার চেয়ারম্যান উত্তম কুণ্ডু, অধ্যাপক ওয়াইজুল হক, আরামবাগ পুরসভার কাউন্সিলার স্বপন নন্দী, জেলা পরিষদ সদস্য পলাশ রায় প্রমুখ।
সোমবার পুরুষ ফুটবল টুর্নামেন্ট হয়। তাতেও চারটি টিম অংশ নেয়। ফাইনাল খেলা হয় আরামবাগের এ্যলি স্পোর্টস ও পশ্চিম মেদিনীপুরের প্রিয়াংশী ইলেভেনের মধ্যে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মীমাংসা না হওয়ায় টাইব্রেকার হয়। তাতে এক গোলে জয়ী হয় এ্যলি স্পোর্টস। ক্লাবের সম্পাদক বাদশা সা বলেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুপ্রেরণায় এবারের প্রধান কাপ ও অন্যান্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। মুখ্যমন্ত্রীর ‘সেফ ড্রাইভ সেভ লাইফ’ কর্মসূচির প্রসারে রক্তদাতাদের হেলমেট দেওয়া হয়েছে। তারসঙ্গে দুঃস্থদের ব্ল্যাঙ্কেট দেওয়া হয়। ফুটবল টুর্নামেন্টগুলিতে বাইরের টিমের খেলা দেখার জন্য দর্শকদের উচ্ছ্বাস ছিল তুঙ্গে। কর্মসূচিতে সবার সহযোগিতাও পাওয়া গিয়েছে। সারা বছর আমরা খেলাধুলোর পাশাপাশি নানা সামাজিক কাজকর্ম করি। ক্লাবের সদস্যরা জানিয়েছেন, ফুটবল টুর্নামেন্টে জয়ী দলগুলিকে ট্রফি, আর্থিক পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। তারসঙ্গে টুর্নামেন্টের বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভালো খেলোয়াড়দেরও পুরস্কার দেওয়া হয়। কলকাতা থেকে আসা তিনজন রেফারি টুর্নামেন্ট পরিচালনা করেন। তাঁদের সংবর্ধনা ও উপহার দেওয়া হয়। পৃথক অনুষ্ঠানে ছিলেন তারকেশ্বর পুরসভার চেয়ারম্যান উত্তম কুণ্ডু, অধ্যাপক ওয়াইজুল হক, আরামবাগ পুরসভার কাউন্সিলার স্বপন নন্দী, জেলা পরিষদ সদস্য পলাশ রায় প্রমুখ।



