ওয়াশিংটন, ১১ ফেব্রুয়ারি: যুদ্ধবিরতি চুক্তির সব শর্ত মানছে না ইজরায়েল। তাই আপাতত ইজরায়েলি বন্দিদের মুক্তি দেওয়ার প্রক্রিয়া বন্ধ রাখা হচ্ছে। গতকাল, সোমবার সেই কথাই জানিয়েছিল জঙ্গিগোষ্ঠী হামাস। যুদ্ধবিরতি চুক্তির সব শর্ত মানলেই বন্দি মুক্তির প্রক্রিয়া ফের শুরু করবেন তারা। যদিও হামাসের সেই বক্তব্য শুনতে নারাজ আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি হামাসকে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন, ‘শনিবার দুপুর ১২টার মধ্যে যদি সব বন্দি তেল আবিবে ফিরে না আসেন, তবে আমি বলব যুদ্ধবিরতি চুক্তি বাতিল করতে। আর তারপরই নারকীয় পরিস্থিতি তৈরি হবে।’ আমেরিকা কী এবারে হামাসের বিরুদ্ধে হামলা চালাবে যদি না ইজরায়েলি বন্দিদের সময় মতো ছেড়ে দেওয়া হয়? এই প্রশ্নের উত্তরে ট্রাম্প বলেন, ‘আপনারা দেখতেই পাবেন কী হবে। আর হামাসও বুঝতে পারবে কী হতে চলেছে। আমি শনিবার দুপুর ১২টা বলতে কী বুঝিয়েছি সেটা হামাস নিশ্চয়ই বুঝতে পারবে।’
Advertisement
আমেরিকার প্রেসিডেন্ট পদে শপথ নেওয়ার আগেই হামাসকে হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন ট্রাম্প। ইজরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধ থামাতে ও শান্তি ফিরিয়ে আনতে ওই জঙ্গিগোষ্ঠীকে কড়া নির্দেশ দেন তিনি। তারপরই ইজরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধবিরতিতে গিয়ে বন্দিদের মুক্তি দিতে থাকে হামাস। পাল্টা গ্রেপ্তার করা প্যালেস্তানীয়দেরও জেল থেকে মুক্তি দেয় তেল আবিব। এইভাবেই গাজায় শান্তি ফিরে আসে।
কিন্তু আচমকাই হামাসের বেঁকে বসাতে পরিস্থিতি আবার ভয়ঙ্কর হয়ে উঠতে পারে সেই আশঙ্কাই করছে গোটা বিশ্ব। গতকাল, সোমবারই আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানান, গাজার দখল নেব আমরা। পুরো খালি করে দেওয়া হবে গাজা উপত্যকা। মোট ২০ লক্ষ বাসিন্দাকে সরিয়ে দেওয়া হবে ওই জায়গা থেকে। এতেই থেমে থাকেননি রিপাবলিকান নেতা। তিনি স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জর্ডন ও মিশরকেও। আমেরিকার প্রস্তাব মতো গাজায় বসবাসকারী প্যালেস্তানীয়দের যদি নিজেদের দেশে স্থান না দেয় জর্ডন এবং মিশর, তাহলে তাদের সবরকম অনুদান বন্ধ করে দেওয়া হবে।
কিন্তু আচমকাই হামাসের বেঁকে বসাতে পরিস্থিতি আবার ভয়ঙ্কর হয়ে উঠতে পারে সেই আশঙ্কাই করছে গোটা বিশ্ব। গতকাল, সোমবারই আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানান, গাজার দখল নেব আমরা। পুরো খালি করে দেওয়া হবে গাজা উপত্যকা। মোট ২০ লক্ষ বাসিন্দাকে সরিয়ে দেওয়া হবে ওই জায়গা থেকে। এতেই থেমে থাকেননি রিপাবলিকান নেতা। তিনি স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জর্ডন ও মিশরকেও। আমেরিকার প্রস্তাব মতো গাজায় বসবাসকারী প্যালেস্তানীয়দের যদি নিজেদের দেশে স্থান না দেয় জর্ডন এবং মিশর, তাহলে তাদের সবরকম অনুদান বন্ধ করে দেওয়া হবে।



