নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: যেসব কর্মচারী ইএসআই সুবিধা পেয়ে থাকেন, তাঁরা চিকিৎসার জন্য প্রাথমিকভাবে ইএসআই হাসপাতালে যান, যেখানে বিনামূল্যে পরিষেবা মেলে। যেখানে ইএসআইয়ের সঙ্গে বেসরকারি হাসপাতাল বা চিকিৎসা কেন্দ্রের গাঁটছড়া আছে, সেখানেও যাতে তাঁরা যেতে পারেন, এবার সেই দাবি উঠল। পাশাপাশি ইএসআই সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে বেতনের ঊর্ধ্বসীমা ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত বাড়ানোর দাবিও উঠল।
Advertisement
ইএসআই হাসপাতালগুলিতে আউটডোরে চিকিৎসক থাকেন সর্বাধিক সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত। ছুটির দিনগুলিতে চিকিৎসক পাওয়া কঠিন। বহু জায়গা আছে, যেখানে কর্মীদের পক্ষে চটজলদি ইএসআই হাসপাতালে যাওয়া কঠিন। এই পরিস্থিতিতে বেসরকারি জায়গায় চিকিৎসার সুযোগ করে দেওয়ার দাবি তুললেন ইএসআইয়েরই বোর্ড সদস্য এসপি তিওয়ারি। তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে কর্মীরা আমাদের কাছে এই বিষয়ে দাবি জানিয়ে আসছেন। তাছাড়া যেখানে বেসরকারি চিকিৎসা ব্যবস্থার সঙ্গে ইএসআইয়ের গাঁটছড়া আছে, সেখানে এই দাবি অন্যায্য নয় একেবারেই। নিয়ম অনুযায়ী যেকোনও কর্মীকে আগে ইএসআই হাসপাতালের আউটডোরে ডাক্তার দেখাতে হবে এবং সেইমতো হাসপাতালে ভর্তি হতে হবে। যদি সেখানে সঠিক চিকিৎসার পরিকাঠামো না থাকে, তাহলে রোগীকে সরকারি হাসপাতালে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
এটা হওয়া যুক্তিসঙ্গত নয় বলে মনে করেন এসপি তিওয়ারি। তাঁর কথায়, ইএসআই পরিষেবার আওতাভুক্ত একজন কর্মীর সুষ্ঠু পরিষেবা পাওয়ার অধিকার আছে। তিনি কেন ছুটির দিনে ইএসআই আউটডোর এড়িয়ে বেসরকারি জায়গায় ডাক্তার দেখাতে পারবেন না, সেই প্রশ্ন তুলছি আমরা। সরকারের কাছে এই বিষয়ে চাপ সৃষ্টি করা হবে। পাশাপাশি আমরা চাই, ‘আয়ুষ্মান ভারত’ প্রকল্পের সঙ্গেই ইএসআই হাসপাতালগুলিকে যুক্ত করা হোক। তাতে ক্যাশলেস পরিষেবার ক্ষেত্রে অনেক বেশি সুবিধা পাবেন কর্মীরা। কেন্দ্রীয় প্রকল্পটিতে আরও বেশি সংখ্যক হাসপাতালকে অন্তর্ভুক্ত করা সম্ভব হবে এই নীতিগত সিদ্ধান্তের ফলে।
ইএসআইয়ের বহু সুবিধা আছে, যেগুলি সম্পর্কে কর্মীরা সচেতন নন। এস পি তিওয়ারি বলেন, এই বিষয়ে একটি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম বা পোর্টালেরও দাবি রাখছি আমরা, যেখানে সবাই চাইলে এক ঝলকে সব সুবিধা সম্পর্কে অবগত হতে পারবেন। তিনি বলেন, একজন বোর্ড সদস্য হিসেবে ও শ্রমিক সংগঠন টিইউসিসি’র তরফে আমি বিষয়গুলি তুলে ধরব। দাবি না মানা হলে, দীর্ঘ আন্দোলনের পথে হাঁটতে পারি আমরা।
এটা হওয়া যুক্তিসঙ্গত নয় বলে মনে করেন এসপি তিওয়ারি। তাঁর কথায়, ইএসআই পরিষেবার আওতাভুক্ত একজন কর্মীর সুষ্ঠু পরিষেবা পাওয়ার অধিকার আছে। তিনি কেন ছুটির দিনে ইএসআই আউটডোর এড়িয়ে বেসরকারি জায়গায় ডাক্তার দেখাতে পারবেন না, সেই প্রশ্ন তুলছি আমরা। সরকারের কাছে এই বিষয়ে চাপ সৃষ্টি করা হবে। পাশাপাশি আমরা চাই, ‘আয়ুষ্মান ভারত’ প্রকল্পের সঙ্গেই ইএসআই হাসপাতালগুলিকে যুক্ত করা হোক। তাতে ক্যাশলেস পরিষেবার ক্ষেত্রে অনেক বেশি সুবিধা পাবেন কর্মীরা। কেন্দ্রীয় প্রকল্পটিতে আরও বেশি সংখ্যক হাসপাতালকে অন্তর্ভুক্ত করা সম্ভব হবে এই নীতিগত সিদ্ধান্তের ফলে।
ইএসআইয়ের বহু সুবিধা আছে, যেগুলি সম্পর্কে কর্মীরা সচেতন নন। এস পি তিওয়ারি বলেন, এই বিষয়ে একটি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম বা পোর্টালেরও দাবি রাখছি আমরা, যেখানে সবাই চাইলে এক ঝলকে সব সুবিধা সম্পর্কে অবগত হতে পারবেন। তিনি বলেন, একজন বোর্ড সদস্য হিসেবে ও শ্রমিক সংগঠন টিইউসিসি’র তরফে আমি বিষয়গুলি তুলে ধরব। দাবি না মানা হলে, দীর্ঘ আন্দোলনের পথে হাঁটতে পারি আমরা।



