নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: সাপ ইঁদুর খাবে। ইঁদুর খাবে ইলেকট্রিকের তার। আর দু’পক্ষের ‘খাওয়াখায়িতে’ প্রাণ ওষ্টাগত কলকাতা পুরসভার। ক’দিন আগে সাপ ঢুকেছিল ধর্মতলার পুরভবনে। তাকে বের করতে জিভ বেরিয়ে গিয়েছিল। এবার শ্মশানের ইলেকট্রিক চুল্লির ইলেকট্রিকের তার কেটে দিল ইঁদুর। ফলে প্রায় ১০ ঘণ্টা দাহকাজ করা গেল না। সৎকার বন্ধ থাকল কাশীপুরের রতনবাবুর ঘাট সংলগ্ন শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণ মহাশ্মশানে। দেহ ফিরিয়ে নিয়ে গেলেন মৃতের আত্মীয়রা।
Advertisement
গণেশের বাহনের উৎপাতে বুধবার নাজেহাল অবস্থা ছিল কাশীপুর মহাশ্মশানে। সমস্যা শুরু সকালে সাড়ে ৯টা নাগাদ। ঠিক হতে হতে রাত ৮টা হয়ে যায়। গতিক এমন দাঁড়ায় যে, পুরসভাকে সমাজমাধ্যমে বার্তা দিয়ে শ্মশান বন্ধ থাকার কথা ঘোষণা করতে হয়েছে।ইঁদুরের উৎপাত পুরসভার কেন্দ্রীয় ভবনে নতুন কিছু নয়। এবার শ্মশানঘাটেও দাঁত গলাল ইঁদুর। প্রাণীগুলিতাদের ধারালো দাঁত দিয়ে বৈদ্যুতিক চুল্লির কন্ট্রোল প্যানেলের তার দেয় কেটে। বিপত্তির সেই শুরু। এমনকি দূষণনিয়ন্ত্রক মেশিনও কাজ করেনি। ফলে তিনটি বৈদ্যুতিক চুল্লির পাশাপাশি দু’টি কাঠের চুল্লিও ছিল বন্ধ।অবস্থা সুবিধের নয় দেখে পুরসভা বিভিন্ন সমাজমাধ্যমে বার্তা দিয়ে জানিয়ে দেয়, বিদ্যুতের লাইনে জরুরি ভিত্তিতে কাজ করতে হবে। তাই সন্ধ্যা সাতটা পর্যন্ত দাহকার্য বন্ধ থাকবে। এদিকে উত্তর কলকাতার একাংশ ও উত্তরের শহরতলি লাগোয়া বরানগর, ডানলপের মানুষ দাহ করাতে এসে বিপাকে পড়েন। শ্মশান সূত্রে জানা গিয়েছে, সবমিলিয়ে তিনটি মরদেহ ফেরত পাঠাতে হয়েছে।
এদিন সকালে তখন ৯টা বেজে ২০ মিনিট। হঠাৎ বিকট শব্দ।তারপরই বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন। পরিষেবা যায় বন্ধ হয়ে।শ্মশান কর্তৃপক্ষ খবর দেয় পুরসভার বিদ্যুৎ বিভাগ ও সিইএসসিকে।তারা এসে দেখে কন্ট্রোল প্যানেলের একাধিক তার ইঁদুরেকেটে দিয়েছে।শুধু কেটেই ক্ষান্ত হয়নি, টানাহেঁচড়া করেছে।ফলে একটি তারের সঙ্গেঅন্য তার জুড়ে হয়ে গিয়েছে শট সার্কিট। সেই কারণে কন্ট্রোল প্যানেল ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত। পাশাপাশি, হাইভোল্টেজ লাইনের সঙ্গে যুক্ত থাকা অন্যান্য যন্ত্রেরওক্ষতি হয়েছে। এরপর জরুরি ভিত্তিতে মেরামতির কাজ শুরু হয়। এক কর্মী বলেন, শুধু মেরামতি করলেই পরিষেবা চালু হবে না। কারণ বৈদ্যুতিক চুল্লিগুলিউত্তপ্ত হতে কমপক্ষে তিন ঘণ্টা সময় নেয়। ফলে ফার্নেস স্বাভাবিক ছন্দে ফিরতে রাত হয়ে যায়।
পুরসভার এক নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার কার্তিক মান্না বলেন, ‘ঘটনাটি সঙ্গে সঙ্গে ডেপুটি মেয়র অতীন ঘোষকে জানানো হয়েছে। সিইএসসিকেও খবর দেওয়া হয়। তারা এসে মেরামতির কাজ শুরু করে। এর পাশাপাশি শ্মশান বন্ধ থাকা সংক্রান্তবিজ্ঞপ্তি গেটের বাইরে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়।’ শ্মশানের এক কর্মী বলেন, প্রতি মাসের ২০ তারিখ শ্মশানের যন্ত্রাংশ ও চুল্লি-সহ সবকিছুর রক্ষণাবেক্ষণের কাজ হয়। তবে ইঁদুরের এমন কাণ্ড হবে ভাবা যায়নি। শ্মশানে একদিনে গড়ে ২৫টির মতো দেহ সৎকার হয়। মাসে কমবেশি ৬০০ দেহ দাহ হয় নিয়মিত। এদিন তা বন্ধ থাকায়চাপ গিয়ে পড়ে পার্শ্ববর্তী অন্যান্য শ্মশানে। ফলে ইঁদুরের উৎপাতের প্রভাব গিয়ে পড়ে সর্বত্র। গণেশের বাহন বলে ছেড়ে দেয়নি কেউ। এদিন লাগাতার অভিসম্পাত কুড়িয়েছে ‘ভিলেন ইঁদুর’।
এদিন সকালে তখন ৯টা বেজে ২০ মিনিট। হঠাৎ বিকট শব্দ।তারপরই বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন। পরিষেবা যায় বন্ধ হয়ে।শ্মশান কর্তৃপক্ষ খবর দেয় পুরসভার বিদ্যুৎ বিভাগ ও সিইএসসিকে।তারা এসে দেখে কন্ট্রোল প্যানেলের একাধিক তার ইঁদুরেকেটে দিয়েছে।শুধু কেটেই ক্ষান্ত হয়নি, টানাহেঁচড়া করেছে।ফলে একটি তারের সঙ্গেঅন্য তার জুড়ে হয়ে গিয়েছে শট সার্কিট। সেই কারণে কন্ট্রোল প্যানেল ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত। পাশাপাশি, হাইভোল্টেজ লাইনের সঙ্গে যুক্ত থাকা অন্যান্য যন্ত্রেরওক্ষতি হয়েছে। এরপর জরুরি ভিত্তিতে মেরামতির কাজ শুরু হয়। এক কর্মী বলেন, শুধু মেরামতি করলেই পরিষেবা চালু হবে না। কারণ বৈদ্যুতিক চুল্লিগুলিউত্তপ্ত হতে কমপক্ষে তিন ঘণ্টা সময় নেয়। ফলে ফার্নেস স্বাভাবিক ছন্দে ফিরতে রাত হয়ে যায়।
পুরসভার এক নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার কার্তিক মান্না বলেন, ‘ঘটনাটি সঙ্গে সঙ্গে ডেপুটি মেয়র অতীন ঘোষকে জানানো হয়েছে। সিইএসসিকেও খবর দেওয়া হয়। তারা এসে মেরামতির কাজ শুরু করে। এর পাশাপাশি শ্মশান বন্ধ থাকা সংক্রান্তবিজ্ঞপ্তি গেটের বাইরে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়।’ শ্মশানের এক কর্মী বলেন, প্রতি মাসের ২০ তারিখ শ্মশানের যন্ত্রাংশ ও চুল্লি-সহ সবকিছুর রক্ষণাবেক্ষণের কাজ হয়। তবে ইঁদুরের এমন কাণ্ড হবে ভাবা যায়নি। শ্মশানে একদিনে গড়ে ২৫টির মতো দেহ সৎকার হয়। মাসে কমবেশি ৬০০ দেহ দাহ হয় নিয়মিত। এদিন তা বন্ধ থাকায়চাপ গিয়ে পড়ে পার্শ্ববর্তী অন্যান্য শ্মশানে। ফলে ইঁদুরের উৎপাতের প্রভাব গিয়ে পড়ে সর্বত্র। গণেশের বাহন বলে ছেড়ে দেয়নি কেউ। এদিন লাগাতার অভিসম্পাত কুড়িয়েছে ‘ভিলেন ইঁদুর’।



