


শিবাজী চক্রবর্তী, কলকাতা: ২২ বছরের খরা কাটিয়ে তাঁর কোচিংয়েই ভারতসেরা হয়েছে ইস্ট বেঙ্গল। শুক্রবার ক্লাব তাঁবুতে জমকালো সেলিব্রেশনের পর বর্তমানের সামনে খোলামেলা অস্কার।
প্রশ্ন: লিগ জয়ের রসায়ন ঠিক কী?
অস্কার: টিম বন্ডিং। আনোয়ার, সিবলে, মিগুয়েলরা সিংহ হৃদয়। এছাড়াও সুপার কাপ ও শিল্ডের ব্যর্থতা মানতে পারেনি গোটা দল। জবাব দিতে মুখিয়ে ছিল ওরা।
প্রশ্ন: পরের মরশুমে ইস্ট বেঙ্গলে থাকছেন?
অস্কার: ৩১ মে চুক্তি শেষ। পুরোটাই ম্যানেজমেন্টের উপর নির্ভরশীল। আগামী সপ্তাহে হয়তো থিঙ্কট্যাঙ্কের সঙ্গে বসতে পারি আলোচনায়।
প্রশ্ন: কোচ হিসাবে কতটা তৃপ্ত?
অস্কার: কোচিং কেরিয়ারে অন্যতম সেরা সাফল্য। দায়িত্ব নিয়েই ডার্বিতে ডাগ-আউটে বসি। প্রথম ম্যাচে হারতে হয়েছিল। চ্যালেঞ্জ নিতে ভয় পাই না। ফেব্রুয়ারি থেকে নতুন মরশুমে দলগঠনের পরিকল্পনা সাজিয়েছিলাম। ম্যানেজমেন্ট পূর্ণ সহযোগিতা করেছে ফুটবলার রিক্রুটমেন্টের ক্ষেত্রে।
প্রশ্ন: আপনার ম্যান ম্যানেজমেন্ট নিয়ে অনেকেই প্রশ্ন তুলেছিলেন। রাগ হয়নি?
অস্কার: ইস্ট বেঙ্গলের স্বার্থেই কিছু কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে। ফুটবলাররা পেশাদার। তাদের কাছ থেকে সেরাটা চাই। ভুল করলে বকাবকি করি। এই আবেগ ছাড়া রোবট হয়ে কোচিং করাতে চাইনি। দলের ভালোর জন্য যা করার করেছি।
প্রশ্ন: আইএসএলে ইস্ট বেঙ্গলের টার্নিং পয়েন্ট কোনটা?
অস্কার: জামশেদপুরের কাছে হার। কেরলের বিরুদ্ধে ড্র। গেল গেল রব উঠেছিল। কিন্তু হাল ছাড়িনি। ফুটবলাররা খোঁচা খেয়ে ফিরে এসেছে। মাঝপথে ঘোষণা করি যে মরশুম শেষে দায়িত্ব ছাড়ছি। সব চাপ ওদের উপর থেকে নিজের কাঁধে সরিয়ে নিই।