ফিলাডেলফিয়া: রেফারির শেষ বাঁশি বাজতেই হাত মুষ্টিবদ্ধ করে গ্যালারির দিকে এগিয়ে যাচ্ছিলেন কিলিয়ান এমবাপ। প্যারাগুয়ের গোলকিপার অলর্যান্ডো গিল তখন ফরাসি তারকার দিকে হাত বাড়িয়ে দেন করমর্দনের জন্য। কিন্তু কিলিয়ান গুরুত্ব দেননি। এরপরই গিল বল ছুড়ে মারলেন এমবাপের পিঠে!
এটা তো খেলা শেষের চিত্র। গোটা ম্যাচজুড়েই একাধিকবার ঝামেলায় জড়িয়েছেন দু’দলের ফুটবলাররা। আসলে দুরন্ত ছন্দে থাকা ফ্রান্সকে আটকাতে প্যারগুয়ের কৌশল ছিল গা জোয়ারি ফুটবল। কড়া ট্যাকল, উসকানি, ঝগড়া— যেনতেনপ্রকারেণ ফরাসি ফুটবলারদের বিব্রত করাই লক্ষ্য ছিল লাতিন আমেরিকার দেশটির। শেষদিকে এমবাপে-র্যাবিয়টরাও পালটা দিতে ছাড়েননি। ম্যাচ জেতার পর এমবাপের হুংকার, ‘গা জোয়ারি ফুটবল আমরাও খেলতে পারি।’ জয়ের নায়ক আরও বলেন, ‘আমরা জানতাম, ম্যাচটা কঠিন হতে চলেছে। ওরা ভেবেছিল কুৎসিত ফুটবল খেলে আমাদের রুখে দেবে। এটাই ওদের কৌশল। ভুল কী ঠিক, সেটা বলতে চাইছি না। ওরা আমাদের উপর চাপ সৃষ্টি করতে চেয়েছিল। ইটের বদলে পাটকেলেই জবাব দেওয়া হয়েছে। বুঝিয়ে দিয়েছি, অপছন্দের এই ঘরানার ফুটবলও ওদের থেকে আমরা ভালো খেলি।’ কোচ দিদিয়ের দেশঁ বিরক্ত প্যারাগুয়ের জঘন্য কৌশলে। সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘শেষদিকে এমবাপেকে যেভাবে ওরা কড়া ট্যাকল করছিল, তাতে আমি ভয় পেয়েছিলাম। তাই দু’জন ফুটবলারকে ওর পাশে থাকতে বলি।’ অবশ্য প্যারাগুয়ে যতই টাফ ফুটবল খেলুক এমবাপে ঠিক গোলের দেখা পেয়েছেন। সেই সুবাদে বিশ্বকাপে তাঁর গোলসংখ্যা দাঁড়াল ১৯। সামনে শুধু লায়োনেল মেসি (২০)।