‘তনভি দ্য গ্রেট’ শুভাঙ্গী দত্তর প্রথম ছবি। ইতিমধ্যেই নানা মহল থেকে প্রশংসা পেয়েছেন অভিনেত্রী। সাক্ষাৎকারে জানালেন সেই অভিজ্ঞতার কথা।
‘তনভি দ্য গ্রেট’ শুভাঙ্গী দত্তর প্রথম ছবি। ইতিমধ্যেই নানা মহল থেকে প্রশংসা পেয়েছেন অভিনেত্রী। সাক্ষাৎকারে জানালেন সেই অভিজ্ঞতার কথা।
নবাগতরা সাধারণত রোমান্টিক ছবির মাধ্যমে বলিউডে আত্মপ্রকাশ করেন। কিন্তু শুভাঙ্গী এই ছবিতে এক অটিস্টিক মেয়ের চরিত্রে অভিনয় করেছেন। কেরিয়ারের শুরুতেই চ্যালেঞ্জিং চরিত্র। সেই চ্যালেঞ্জ উতরেও গিয়েছেন তিনি। ‘আমার মনে হয় এর চেয়ে ভালো চরিত্র দিয়ে ডেবিউ করতে পারতাম না। সকলের ভালো লাগছে জেনে মনে হচ্ছে পরিশ্রম সার্থক’, বললেন অভিনেত্রী।
প্রথম ছবিতেই অনুপম খের, জ্যাকি শ্রফ, অরবিন্দ স্বামী, বোমান ইরানি-র মতো তারকাদের সঙ্গে অভিনয়ের সুযোগ পেয়েছেন শুভাঙ্গী। নার্ভাস লেগেছিল? শুভাঙ্গী হেসে বলেন, ‘প্রথমে ভয় পেয়েছিলাম। কিন্তু কাজ করতে করতে আমরা পরিবারের মতো হয়ে গিয়েছিলাম। ওঁরা আমাকে যেভাবে গাইড করেছেন, তা কল্পনাও করা যাবে না। আমি ওঁদের কাছে অনেক কিছু শিখেছি, যা আগামী জীবনে কাজে লাগাতে পারব।’
অনুপম খের-এর অভিনয় শিক্ষার প্রতিষ্ঠান ‘অ্যাক্টর প্রিপেয়ার্স’-এর শিক্ষার্থী ছিলেন শুভাঙ্গী। সে কারণেই কি সহজে সুযোগ পেলেন? অভিনেত্রীর জবাব, ‘১৩ বছর বয়স থেকে আমি অডিশন দিচ্ছি। স্কুল পালিয়ে, মুখে অদ্ভুত মেকআপ করে আমি অডিশন দিতে যেতাম। প্রচুর অডিশন দিয়েছি, কিন্তু সুযোগ পাইনি। ‘অ্যাক্টর প্রিপেয়ার্স’-এ তিন মাসের কোর্স করেছি। অনুপম স্যার এই ছবির জন্য নতুন মুখ চেয়েছিলেন। এখন মনে হয় আগে সুযোগ পাইনি, সেটা ভালোই হয়েছে। নাহলে এই চরিত্রে সুযোগ পেতাম না।’
অনুপম আদ্যোপান্ত গাইড করেছেন শুভাঙ্গীকে। অভিনেত্রীর কথায়, ‘আমি আগে যা কিছু শিখেছি, অনুপম স্যার এই ছবির শ্যুটিংয়ে আমাকে সব কিছু ভুলে যেতে বলেছিলেন। উনি মানুষ হিসেবেও অসাধারণ। ছবির সব কলাকুশলী ওঁর কাছে পরিবারের মতো ছিল। আমি মজা করে বলতাম ‘খানদান’ নয়, ‘খেরদান’।’
দেবারতি ভট্টাচার্য