Bartaman Logo
২৫ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / খেলা

‘হাম কিসিসে কম নেহি’, প্রমাণ করতে হবে লিস্টন-আনোয়ারদের

ডুরান্ড ডার্বিতে বিদেশি ফুটবলারদের অনুপস্থিতিতে ভারতীয়দের সামনে বড়ো সুযোগ। মানসিক দৃঢ়তা ও শারীরিক সক্ষমতা নিয়ে মাঠে নামবে তারা। বিস্তারিত পড়ুন।

‘হাম কিসিসে কম নেহি’, প্রমাণ করতে হবে লিস্টন-আনোয়ারদের
  • ২৫ জুলাই, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

শিশির ঘোষ: আজ মরশুমের প্রথম বড়ো ম্যাচ। ডুরান্ড ডার্বি। দীর্ঘ কেরিয়ারে এই মেগা ম্যাচ বহুবার খেলেছি। কত স্মৃতি মাথায় ঘুরছে। কিন্তু, টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচই ডার্বি! এমনটা আগে দেখিনি। দুই দলের বিদেশিরা এখনও তো শহরেই এসে পৌঁছায়নি! কোচেরাও বা ক’দিন অনুশীলন করানোর সুযোগ পেয়েছেন? অতীতে চূড়ান্ত সূচি ঠিক হওয়ার আগে ক্লাবদের কাছে অনুমোদন নেওয়া হত। শুনছি, এখন তার বালাই নেই। তুমি আগে থেকে না জানলে প্রস্তুতি নেবে কীভাবে! এ তো আর মেশিন নয়, যে নামিয়ে দিলাম আর দৌড়াতে শুরু করে দেবে। খেলোয়াড়দের শারীরিক সক্ষমতার দিকটাও তো দেখা উচিত। 

Advertisement

মোহন বাগান ও ইস্ট বেঙ্গলের দু’জন করে বিদেশি শহরে এসেছে। তারা কেউই ম্যাচ ফিট নয়। অগত্যা স্বদেশি প্লেয়ারদের নিয়েই প্রথম একাদশ সাজাতে হবে কোচেদের। আমি বলব, এতে শাপে বর হয়েছে। এই ডার্বি  ভারতীয় ফুটবলারদের কাছে প্রমাণের বড়ো মঞ্চ। যারা বছরের পর বছর সুযোগ না পাওয়ার অভিযোগ করে এসেছে। শনিবার তাদের সামনে সোনার সুযোগ। চেনাও তোমাদের জাত। দেখিয়ে দাও, ‘হাম কিসিসে কম নেহি।’ বড়ো ম্যাচে ভালো খেললে রাতারাতি নায়ক হয়ে উঠবে। তখন আর সুযোগের অভাব হবে না।
এবার ম্যাচের কথায় আসা যাক। ডার্বিতে কাউকে এগিয়ে বা পিছিয়ে রাখা যায় না। তবে আন্তোনিও হাবাস, মোহন বাগানের প্রাক্তন সারথি এবার ইস্ট বেঙ্গলের হেড কোচ। তিনি যথেষ্ট অভিজ্ঞ। কলকাতার ময়দান তাঁর চেনা। সেই সঙ্গে মোহন বাগান টিমও। পক্ষান্তরে, মোহন বাগানের নতুন কোচ পানাজিওটিস ডিম্পেরিসের কলকাতায় কোচিং করানোর অভিজ্ঞতা নেই। পাঞ্জাবে কোচিং আর মোহন বাগান-ইস্ট বেঙ্গলের দায়িত্ব সামলানো এক ব্যাপার নয়। তবে দলগত শক্তির বিচারে দু’দলই উনিশ-বিশ। মোহন বাগানের কোর স্কোয়াড দীর্ঘদিন একসঙ্গে খেলার সুবিধা পাবে ঠিকই, তবে ইস্ট বেঙ্গলও পিছিয়ে নেই। 
টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচ এমনতিই কঠিন। তা-ও আবার ডার্বি! লিস্টন-বিষ্ণুদের কাছে এর চেয়ে কঠিন পরীক্ষা আর কী হতে পারে! তাছাড়া দুটো দলই তৈরি নয়। অনুশীলনের পর্যাপ্ত সময় পায়নি। তাই শেষ পর্যন্ত বড়ো ম্যাচে ব্যবধান গড়বে মানসিক দৃঢ়তা আর শারীরিক সক্ষমতা। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ