


সংবাদদাতা, খড়্গপুর: ভোটকর্মী হিসেবে এবার কাজ করবেন খড়্গপুর আইআইটির বিপুল সংখ্যক কর্মী। প্রতিষ্ঠানের ২১১ জন গ্রুপ সি ও ডি কর্মীর মধ্যে ১৭১ জনকেই প্রশিক্ষণের চিঠি দেওয়া হয় নির্বাচন কমিশনের তরফে। তাঁদের মধ্যে বেশিরভাগই খড়্গপুর আইআইটির বিভিন্ন হস্টেল (হল) এবং হাসপাতালের কর্মী। ফলে হস্টেল পরিচালনা এবং হাসপাতালের জরুরি পরিষেবায় ব্যাঘাত ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা কর্তৃপক্ষের। আইআইটি সূত্রে জানা যায়, জরুরি পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত কর্মীদের অব্যাহতি দেওয়ার জন্য চিঠি দেওয়া হয় জেলা নির্বাচনী আধিকারিক তথা জেলাশাসক বিজিন কৃষ্ণাকে। বুধবার সন্ধ্যায় এনিয়ে মেদিনীপুরে অতিরিক্ত জেলাশাসকের সঙ্গে একপ্রস্থ বৈঠকও হয় আইআইটি কর্তৃপক্ষের।
বৈঠকের পরই আপাতত সমাধান সূত্র বেরিয়েছে বলে আইআইটি সূত্রে জানা গিয়েছে। জেলা প্রশাসনের তরফে আশ্বস্ত করা হয়েছে, পড়ুয়াদের খাবার সরবরাহ এবং আইআইটির হাসপাতালের জরুরি পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত কর্মীদের অব্যাহতি দেওয়া হবে। প্রায় ৬৫জন কর্মীকে ভোট পরিচালনার দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হতে পারে বলেও জানা গিয়েছে। এই বিষয়ে আইআইটি খড়্গপুরের ডিরেক্টর অধ্যাপক সুমন চক্রবর্তী বলেন, ‘আইআইটি খড়্গপুরে প্রায় ১৭ হাজার আবাসিক পড়ুয়া রয়েছেন। তাঁদের প্রতিদিন খাবার দেওয়া, হল পরিষ্কার সহ নানা কাজের সঙ্গে যুক্ত গ্রুপ সি ও ডি কর্মীরা। আইআইটির হাসপাতাল পরিচালনার মত গুরুত্বপূর্ণ কাজের সঙ্গেও তাঁরা যুক্ত। এজন্যই আমরা জেলাশাসককে চিঠি দিয়েছিলাম। জরুরি পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত বেশকিছু কর্মীকে অব্যাহতি দেওয়া হচ্ছে বলে জানতে পেরেছি। পশ্চিম মেদিনীপুরের জেলাশাসক বিজিন কৃষ্ণা জানিয়েছেন, নির্বাচন প্রক্রিয়া ভালোভাবে সম্পন্ন করার জন্য বিপুল সংখ্যক কর্মী প্রয়োজন। এখনও প্রায় তিন হাজার কর্মীর ঘাটতি রয়েছে। অন্যদিকে, নির্বাচনের কাজে এবার কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মীদের বেশি করে কাজ লাগানোর উদ্যোগ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। ফলে ডাক পাচ্ছেন আইআইটির মতো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কর্মীরাও।