নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: হাতির করিডর দিয়ে মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের যাতায়াতে থাকবে এসকর্ট। এজন্য বনদপ্তরের পক্ষ থেকে মোতায়েন করা হবে ক্যুইক রেসপন্স টিম (কিউআরটি)। শনিবার বৈঠকের পর এমনটাই জানান জলপাইগুড়ির অতিরিক্ত জেলাশাসক (সাধারণ) ধীমান বাড়ই। জঙ্গল লাগোয়া এলাকায় মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীরা তাড়াতাড়ি পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছনোর জন্য যাতে কোনওভাবে ‘সহজ পথ’ বেছে নিতে গিয়ে বন্যপ্রাণের হামলার মুখে না পড়ে, সেজন্য বিভিন্ন এলাকায় ড্রপ গেট বসানো হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি। মাধ্যমিক নির্বিঘ্নে করতে এদিন জেলাশাসকের দপ্তরে বিভিন্ন দপ্তরের আধিকারিকদের নিয়ে বৈঠক হয়। বৈঠকে শিক্ষাদপ্তরের পাশাপাশি ছিলেন দমকল, বিদ্যুৎ, বন, স্বাস্থ্য, পরিবহণ দপ্তরের আধিকারিকরা। বৈঠকে যোগ দেন বিডিও, এসডিও’রা।
Advertisement
অতিরিক্ত জেলাশাসক বলেন, জলপাইগুড়ি জেলায় এবার একশোটি পরীক্ষাকেন্দ্র থাকছে। কোথাও যাতে পরীক্ষার্থীদের পৌঁছতে এবং পরীক্ষা দেওয়ার পর বাড়ি ফিরতে কোনওরকম সমস্যা না হয়, সেজন্য প্রশাসনের তরফে প্রচুর বাস ও গাড়ির ব্যবস্থা করা হয়েছে। জঙ্গল এলাকায় কোন রাস্তা দিয়ে কতজন পড়ুয়া মাধ্যমিক পরীক্ষা দিতে যাবে, তার ডেটাব্যাঙ্কও তৈরি করে ফেলেছে জেলা প্রশাসন।
কয়েক বছর আগে মাধ্যমিক পরীক্ষা দিতে যাওয়ার পথে হাতির হামলায় রাজগঞ্জ এলাকায় এক পরীক্ষার্থীর মৃত্যু হয়। সেকথা মাথায় রেখে এবারও বিশেষ নজরদারি থাকছে। এদিন বোদাগঞ্জ জঙ্গল এলাকায় কতজন মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী রয়েছে, তারা কোন পথ দিয়ে পরীক্ষাকেন্দ্রে যাবে, সেসব নিয়ে সরেজমিনে দেখতে যান জলপাইগুড়ি সদরের মহকুমা শাসক তমোজিৎ চক্রবর্তী। তিনি বলেন, অনেক সময় তাড়াতাড়ি পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছনোর জন্য জঙ্গল এলাকার মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীরা সহজ পথ বেছে নেয়। এটা করতে গিয়ে অনেকসময় দুর্ঘটনা ঘটে যায়। পরীক্ষা চলাকালীন সকাল সাতটা থেকেই এনিয়ে নজরদারি চালাবেন বনকর্মীরা।
অতিরিক্ত জেলাশাসক বলেন, গাইড লাইন মেনে প্রতিটি পরীক্ষাকেন্দ্রে ঢোকা ও বেরনো সহ বিভিন্ন জায়গায় সিসি ক্যামেরা ঠিকমতো লাগানো হয়েছে কি না, সে ব্যাপারে খোঁজখবর নেওয়া হয় এদিনের বৈঠকে। হাসপাতালগুলিতে সিক ওয়ার্ড খোলা হবে। কেউ অসুস্থ হয়ে পড়লে সেখানে বসে যাতে পরীক্ষা দিতে পারে, তার ব্যবস্থা থাকবে।
কয়েক বছর আগে মাধ্যমিক পরীক্ষা দিতে যাওয়ার পথে হাতির হামলায় রাজগঞ্জ এলাকায় এক পরীক্ষার্থীর মৃত্যু হয়। সেকথা মাথায় রেখে এবারও বিশেষ নজরদারি থাকছে। এদিন বোদাগঞ্জ জঙ্গল এলাকায় কতজন মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী রয়েছে, তারা কোন পথ দিয়ে পরীক্ষাকেন্দ্রে যাবে, সেসব নিয়ে সরেজমিনে দেখতে যান জলপাইগুড়ি সদরের মহকুমা শাসক তমোজিৎ চক্রবর্তী। তিনি বলেন, অনেক সময় তাড়াতাড়ি পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছনোর জন্য জঙ্গল এলাকার মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীরা সহজ পথ বেছে নেয়। এটা করতে গিয়ে অনেকসময় দুর্ঘটনা ঘটে যায়। পরীক্ষা চলাকালীন সকাল সাতটা থেকেই এনিয়ে নজরদারি চালাবেন বনকর্মীরা।
অতিরিক্ত জেলাশাসক বলেন, গাইড লাইন মেনে প্রতিটি পরীক্ষাকেন্দ্রে ঢোকা ও বেরনো সহ বিভিন্ন জায়গায় সিসি ক্যামেরা ঠিকমতো লাগানো হয়েছে কি না, সে ব্যাপারে খোঁজখবর নেওয়া হয় এদিনের বৈঠকে। হাসপাতালগুলিতে সিক ওয়ার্ড খোলা হবে। কেউ অসুস্থ হয়ে পড়লে সেখানে বসে যাতে পরীক্ষা দিতে পারে, তার ব্যবস্থা থাকবে।



