নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: ২০২৫ সালের গোড়াতে দিল্লি বিধানসভার গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন। তার আগেই ভোট উত্তাপ চরমে উঠেছে। কারণ দিল্লি ভোটের কয়েক মাস আগে রবিবার আচমকাই দল ছেড়েছেন আপ সরকারের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী কৈলাস গেহলট। মন্ত্রিসভা এবং পার্টির প্রাথমিক সদস্যপদ— দু’টি থেকেই তাঁর ইস্তফা দিয়েছেন তিনি। এদিন তিনি পদত্যাগপত্র পাঠিয়ে দিয়েছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী আতিশীর কাছে। শুধু তাই নয়, আপের সংস্রব ত্যাগ করে গেহলট রীতিমতো তুলোধোনা করেছেন দিল্লির শাসক দলকে। পাল্টা হিসেবে বিজেপির প্রাক্তন বিধায়ক অনিলকুমার ঝাকে দলে টেনেছে আপ।
Advertisement
আম আদমির থেকেই ক্রমশ দূরে সরে যাচ্ছে দল। শুধুই কেন্দ্রের সঙ্গে লড়াই করে এবং রাজনৈতিক উচ্চাশা পূরণ করতে থাকলে সাধারণ মানুষের স্বার্থরক্ষা করা আর সম্ভব হয় না। দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীকে লেখা চিঠিতে এই কথা বলেছেন কৈলাস গেহলট। পাশাপাশি উল্লেখ করেছেন আপ সরকারের বিরুদ্ধে ওঠা বিভিন্ন দুর্নীতির অভিযোগের প্রসঙ্গও। রয়েছে যমুনার দূষণ মোকাবিলা করতে আপ সরকারের ব্যর্থতার কথাও। ফলে সবমিলিয়ে বেজায় অস্বস্তিতে পড়ে গিয়েছে আপ শিবির। যদিও গেহলটের এহেন সিদ্ধান্তের পিছনে বিজেপির চক্রান্তের অভিযোগই করেছে আম আদমি পার্টি। দলের অভিযোগ, যেভাবে ইডি, সিবিআইয়ের মতো কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে তাঁর বিরুদ্ধে লেলিয়ে দেওয়া হয়েছিল, তাতে তিনি দলত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছেন। সহযোদ্ধার দলত্যাগ নিয়ে অবশ্য এদিন কোনও মন্তব্য করেননি অরবিন্দ কেজরিওয়াল। সাংবাদিকরা প্রশ্ন করলে কেজরি মাইক এগিয়ে দেন দলের প্রবীণ নেতা দূর্গেশ পাঠককে। কৈলাসের দলত্যাগে জল্পনা বাড়ছে, দিল্লি ভোটের আগে কি তিনি বিজেপিতে যোগ দিয়ে বিধানসভা নির্বাচনে লড়াই করবেন?
বিজেপি নেতা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হর্ষ মালহোত্রা জল্পনা বাড়িয়ে বলেছেন, আপ থেকে যাঁরা দলত্যাগ করেন, ধরেই নিতে হবে যে তাঁরা প্রত্যেকে নির্দোষ এবং সৎ। বিজেপি সবসময় সৎ লোকের কদর করে এসেছে। আপের শীর্ষ নেতা সন্দীপ পাঠকের দাবি, কোনও একজনের দলত্যাগে দিল্লি ভোটে আপের বিপর্যয় হবে না। দিল্লির দু’কোটি মানুষ আপের সঙ্গে আছেন। অরবিন্দ কেজরিওয়াল দিল্লির প্রত্যেক লোকসভা কেন্দ্র ধরে দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে বৈঠকও শুরু করেছেন। অন্যদিকে, রবিবারই বিজেপি ছেড়ে আপে যোগ দিয়েছেন দলের দু’বারের বিধায়ক অনিলকুমার ঝা। এদিন কেজরিওয়ালের উপস্থিতিতেই পার্টিতে যোগ দিয়েছেন তিনি। সরগরম হয়ে উঠেছে দিল্লির ভোট-রাজনীতি।
বিজেপি নেতা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হর্ষ মালহোত্রা জল্পনা বাড়িয়ে বলেছেন, আপ থেকে যাঁরা দলত্যাগ করেন, ধরেই নিতে হবে যে তাঁরা প্রত্যেকে নির্দোষ এবং সৎ। বিজেপি সবসময় সৎ লোকের কদর করে এসেছে। আপের শীর্ষ নেতা সন্দীপ পাঠকের দাবি, কোনও একজনের দলত্যাগে দিল্লি ভোটে আপের বিপর্যয় হবে না। দিল্লির দু’কোটি মানুষ আপের সঙ্গে আছেন। অরবিন্দ কেজরিওয়াল দিল্লির প্রত্যেক লোকসভা কেন্দ্র ধরে দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে বৈঠকও শুরু করেছেন। অন্যদিকে, রবিবারই বিজেপি ছেড়ে আপে যোগ দিয়েছেন দলের দু’বারের বিধায়ক অনিলকুমার ঝা। এদিন কেজরিওয়ালের উপস্থিতিতেই পার্টিতে যোগ দিয়েছেন তিনি। সরগরম হয়ে উঠেছে দিল্লির ভোট-রাজনীতি।



