সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: হাতির উপদ্রবে ১০ বছর ধরে জমির ফসল ঘরে তুলতেই পারছেন না গ্রামবাসীরা। তাই জমি ফেলে কাজের খোঁজে বাইরে চলে যাচ্ছেন বাসিন্দারা। হাতির উপদ্রব থেকে জমির ফসল বাঁচাতে গ্রামে ঝুলন্ত বৈদ্যুতিক ফেন্সিংয়ের দাবিতে এবার মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ হচ্ছেন কালচিনির রাজাভাতখাওয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের গারোবস্তির বাসিন্দারা। এই দাবিতে তাঁরা ২৩ জানুয়ারি সুভাষিণী চা বাগানের মাঠে সরকারি অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রীকে স্মারকলিপি দেবেন বলে জানিয়েছেন।
Advertisement
বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের পানবাড়ি ও গদাধর গ্রামে ঝুলন্ত বৈদ্যুতিক ফেন্সিংয়ের প্রকল্প সফল হয়েছে। এখন ওই দুই গ্রামের কৃষকরা নিরুপদ্রবে জমিতে ফসল চাষ করছেন। ওই দুই গ্রামের উদাহরণকে অস্ত্র করেই এবার গারোবস্তির বাসিন্দারাও ঝুলন্ত বৈদ্যুতিক ফেন্সিংয়ের দাবি তুলেছেন।
গারোবস্তি তিন ফসলি গ্রাম। এখানে ধান তো বটেই সব ধরনের সব্জি চাষ হয়। গ্রামে প্রায় ১৬০০টি পরিবার। কিন্তু হাতির উপদ্রবে কোনও বছরই বাসিন্দারা মসৃণভাবে জমি থেকে ফসল ঘরে তুলতে পারেন না। ফসল পাকার আগেই হাতি ফসল খেয়ে যায়। লালসিং ভুজেল নামে এক গ্রামবাসী বলেন, হাতির উপদ্রবে ১০ বছর ধরে জমি থেকে ফসল তোলা যাচ্ছে না। তাই কাজের খোঁজে গ্রামের বহু মানুষ গ্রাম ছেড়েছে।
বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের জঙ্গল লাগোয়া দু’টি গ্রাম গদাধর ও পানবাড়িতে বনদপ্তরের ঝুলন্ত বৈদ্যুতিক ফেন্সিং সফল হয়েছে। স্থানীয় জয়েন্ট ফরেস্ট ম্যানেজমেন্ট কমিটির (জেএফএমসি) ফান্ড থেকে ওই দুই গ্রামে এই ফেন্সিং হয়েছে। এক বছর ধরে ওই দুই গ্রামে হাতি ঢোকার একটি ঘটনাও ঘটেনি। দুই গ্রামের কৃষকরা এখন দিব্যি নিজেদের জমিতে চাষবাস করছেন।
গারো-পাম্পু জেএফএমসি’র সভাপতি বিজয় শর্মা বলেন, ওই দুই গ্রামের উদাহরণকে হাতিয়ার করে এবার আমরাও গারোবস্তিতে ঝুলন্ত বৈদ্যুতিক ফেন্সিংয়ের দাবি জানাব মুখ্যমন্ত্রীর কাছে। এই ফেন্সিং দেওয়ার জন্য অর্থের কোনও অভাব হবে না। কারণ আমাদের জেএফএমসির ফান্ডে ২২ লক্ষ টাকা পড়ে আছে। কিন্তু বারবার বলা সত্ত্বেও বনদপ্তর এই কাজে সবুজ সঙ্কেত দিচ্ছে না। তাই মুখ্যমন্ত্রীর কাছে দাবি জানাব।
তৃণমূলের রাজাভাতখাওয়া অঞ্চল সভাপতি গৌরাঙ্গ ভট্টাচার্য বলেন, এটা গারোবস্তির মানুষের ন্যায্য দাবি। যদিও বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের পশ্চিম ডিভিশনের উপক্ষেত্র অধিকর্তা হরিকৃষ্ণান পিজে বলেন, গারোবস্তির ভৌগলিক অবস্থান গদাধর পানবাড়ি গ্রাম থেকে আলাদা। গারোবস্তিতে ঝুলন্ত বৈদ্যুতিক ফেন্সিং দিলে বিপজ্জনক হতে পারে। সেকথা মাথায় রেখে গারোবস্তিতে হাইমাস্টের মতো প্রচুর বাতি লাগানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
গারোবস্তি তিন ফসলি গ্রাম। এখানে ধান তো বটেই সব ধরনের সব্জি চাষ হয়। গ্রামে প্রায় ১৬০০টি পরিবার। কিন্তু হাতির উপদ্রবে কোনও বছরই বাসিন্দারা মসৃণভাবে জমি থেকে ফসল ঘরে তুলতে পারেন না। ফসল পাকার আগেই হাতি ফসল খেয়ে যায়। লালসিং ভুজেল নামে এক গ্রামবাসী বলেন, হাতির উপদ্রবে ১০ বছর ধরে জমি থেকে ফসল তোলা যাচ্ছে না। তাই কাজের খোঁজে গ্রামের বহু মানুষ গ্রাম ছেড়েছে।
বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের জঙ্গল লাগোয়া দু’টি গ্রাম গদাধর ও পানবাড়িতে বনদপ্তরের ঝুলন্ত বৈদ্যুতিক ফেন্সিং সফল হয়েছে। স্থানীয় জয়েন্ট ফরেস্ট ম্যানেজমেন্ট কমিটির (জেএফএমসি) ফান্ড থেকে ওই দুই গ্রামে এই ফেন্সিং হয়েছে। এক বছর ধরে ওই দুই গ্রামে হাতি ঢোকার একটি ঘটনাও ঘটেনি। দুই গ্রামের কৃষকরা এখন দিব্যি নিজেদের জমিতে চাষবাস করছেন।
গারো-পাম্পু জেএফএমসি’র সভাপতি বিজয় শর্মা বলেন, ওই দুই গ্রামের উদাহরণকে হাতিয়ার করে এবার আমরাও গারোবস্তিতে ঝুলন্ত বৈদ্যুতিক ফেন্সিংয়ের দাবি জানাব মুখ্যমন্ত্রীর কাছে। এই ফেন্সিং দেওয়ার জন্য অর্থের কোনও অভাব হবে না। কারণ আমাদের জেএফএমসির ফান্ডে ২২ লক্ষ টাকা পড়ে আছে। কিন্তু বারবার বলা সত্ত্বেও বনদপ্তর এই কাজে সবুজ সঙ্কেত দিচ্ছে না। তাই মুখ্যমন্ত্রীর কাছে দাবি জানাব।
তৃণমূলের রাজাভাতখাওয়া অঞ্চল সভাপতি গৌরাঙ্গ ভট্টাচার্য বলেন, এটা গারোবস্তির মানুষের ন্যায্য দাবি। যদিও বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের পশ্চিম ডিভিশনের উপক্ষেত্র অধিকর্তা হরিকৃষ্ণান পিজে বলেন, গারোবস্তির ভৌগলিক অবস্থান গদাধর পানবাড়ি গ্রাম থেকে আলাদা। গারোবস্তিতে ঝুলন্ত বৈদ্যুতিক ফেন্সিং দিলে বিপজ্জনক হতে পারে। সেকথা মাথায় রেখে গারোবস্তিতে হাইমাস্টের মতো প্রচুর বাতি লাগানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।



