সংবাদদাতা, হরিশ্চন্দ্রপুর: মালদহের রতুয়া থানার সামসি রতনপুর সাপ্তাহিক হাটে বৃহস্পতিবার পসরা নিয়ে বসার সময় দোকানদারদের মধ্যে বচসা থেকে হাতাহাতি। এই ঘটনায় এক বৃদ্ধ ব্যবসায়ীর মৃত্যু হয়েছে। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ায় হাট চত্বরে। এমন ঘটনার পর হাটের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। অভিযুক্ত এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিস।
Advertisement
পুলিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত ব্যক্তির নাম মুসলিম সব্জি (৭৫), তাঁর বাড়ি রতুয়া থানার দেবীপুরে। এদিন হাটে তিনি পসরা নিয়ে বসতে গেলে কয়েকজন যুবকের সঙ্গে বচসা শুরু হয়। মুসলিম ত্রিপল টাঙাতে গেলে ওই যুবকরা বাধা দেয়। এক যুবক তাঁকে ধাক্কা মারলে পড়ে গিয়ে আহত হন। উপস্থিত ব্যবসায়ীরা মুসলিমকে সামসি গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
মৃতের পরিবারের পক্ষ থেকে সামসি আউট পোস্টে অভিযোগ জানানো হয়েছে। পুলিস রুহুল আমিন নামে একজনকে আটক করেছে। তার বাড়ি রতুয়া থানার বাহারাল এলাকায়। অপর অভিযুক্ত পলাতক। পুলিস ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।
মৃত ব্যক্তির ছেলে সোলেমান সব্জি বলেন, এদিন আমার বাবা হাটে দোকান বসানোর জন্য ত্রিপল টাঙাতে গেলে পাশের দোকানদারের সঙ্গে তার বচসা বাধে। সে আমার বাবাকে ধাক্কা দিলে পড়ে গিয়ে সংজ্ঞা হারান। সংজ্ঞাহীন অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
মৃতের পরিবার সহ স্থানীয় ব্যবসায়ীরা এই ঘটনার পর সামসি রেগুলেটেড মার্কেটের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। একাংশ ব্যবসায়ীর দাবি, হাটে কারও বসার জায়গা নির্দিষ্ট করা নেই। মাঝেমধ্যেই জায়গা নিয়ে ঝামেলা হয়। হাটে যাঁরা দোকান দেবেন, এবার জায়গা নির্দিষ্ট করার দাবি তুলেছেন ব্যবসায়ীরা।
সামসি আউট পোস্টের এক পুলিস আধিকারিক জানান, মৃতের পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে এক ব্যক্তিকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অপর অভিযুক্ত পলাতক। তাঁর খোঁজে তল্লাশি শুরু হয়েছে।
মৃতের পরিবারের পক্ষ থেকে সামসি আউট পোস্টে অভিযোগ জানানো হয়েছে। পুলিস রুহুল আমিন নামে একজনকে আটক করেছে। তার বাড়ি রতুয়া থানার বাহারাল এলাকায়। অপর অভিযুক্ত পলাতক। পুলিস ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।
মৃত ব্যক্তির ছেলে সোলেমান সব্জি বলেন, এদিন আমার বাবা হাটে দোকান বসানোর জন্য ত্রিপল টাঙাতে গেলে পাশের দোকানদারের সঙ্গে তার বচসা বাধে। সে আমার বাবাকে ধাক্কা দিলে পড়ে গিয়ে সংজ্ঞা হারান। সংজ্ঞাহীন অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
মৃতের পরিবার সহ স্থানীয় ব্যবসায়ীরা এই ঘটনার পর সামসি রেগুলেটেড মার্কেটের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। একাংশ ব্যবসায়ীর দাবি, হাটে কারও বসার জায়গা নির্দিষ্ট করা নেই। মাঝেমধ্যেই জায়গা নিয়ে ঝামেলা হয়। হাটে যাঁরা দোকান দেবেন, এবার জায়গা নির্দিষ্ট করার দাবি তুলেছেন ব্যবসায়ীরা।
সামসি আউট পোস্টের এক পুলিস আধিকারিক জানান, মৃতের পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে এক ব্যক্তিকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অপর অভিযুক্ত পলাতক। তাঁর খোঁজে তল্লাশি শুরু হয়েছে।



