সংবাদদাতা, মাথাভাঙা: সাত সকালে কালভার্টের পাশে ভিড়। কৌতুহল চোখ নিয়ে আলোচনা, এটি দুর্ঘটনা নাকি খুন! মাথাভাঙা-১ ব্লকের শিকারপুর গ্রামপঞ্চায়েতের নবীনের দোলায় এক ব্যক্তির মৃতদেহ উদ্ধার ঘিরে এমনই চাঞ্চল্য ছড়ায়। পুলিস জানিয়েছে, মৃতের নাম মহেশ বর্মন (৫৬)। স্থানীয় ও পুলিস সূত্রে খবর, শিকারপুর থেকে নয়ারহাটগামী রাস্তার নবীনের দোলা মাষানধামের কালর্ভাটের পাশে মৃত অবস্থায় মহেশ বর্মনকে দেখতে পান স্থানীয়রা। খবর পেয়ে মাথাভাঙা থানার পুলিস ও পরিবারের লোকজন আসে। পুলিস জানিয়েছে, প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে ওই ব্যক্তি কালর্ভাটের পাশে পড়ে গিয়েছিলেন। ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। মৃত পাশ্ববর্তী গ্রামপঞ্চায়েত বৈরাগিরহাটের দ্বিতীয়খন্ড অশোকবাড়ির বাসিন্দা।
Advertisement
এলাকার গ্রামপঞ্চায়েত সদস্য হামিদুল হোসেন বলেন, মহেশ বর্মন এদিন প্রেমচাদের হাটে গিয়েছিলেন। তিনি বাজার করার পর বাড়িতে ফেরেননি। রাতে অনেক খোঁজার পরও তাঁর সন্ধান মেলেনি। এদিন সকালে আমরা জানতে পারি কালর্ভাটের নীচে মৃত অবস্থায় পড়ে রয়েছেন। স্থানীয়দের কাছে শুনেছি, ওই জায়গায় সোমবার রাত আটটা নাগাদ বাইকে কারও ধাক্কা লেগেছিল। কী করে মৃত্যু হল, পরিবারের লোকজনের সঙ্গে আমরাও ধন্ধে রয়েছি। মৃতের দাদা হরিচন বর্মন বলেন, ভাই কালকে প্রেমচাঁদর হাটে গিয়েছিল তারপর আর বাড়ি আসেনি। আমরা একাধিক জায়গায় খোঁজ নিয়েছি। সকালে ওর মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছে। কী করে এমন ঘটনা হল, বুঝতে পারছি না।
এই ব্যাপারে মাথাভাঙার মহকুমা পুলিস আধিকারিক সমরেন হালদার বলেন, বক্সিরহাট এলাকার রাস্তার ধারে একটি কালর্ভাটের পাশে মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছে। প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে, এটি দুর্ঘটনা। ময়নাতদন্তের রির্পোট এলে প্রকৃত কারণ জানা যাবে। মৃতদেহটি ময়নাতদন্তের পর পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।
এই ব্যাপারে মাথাভাঙার মহকুমা পুলিস আধিকারিক সমরেন হালদার বলেন, বক্সিরহাট এলাকার রাস্তার ধারে একটি কালর্ভাটের পাশে মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছে। প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে, এটি দুর্ঘটনা। ময়নাতদন্তের রির্পোট এলে প্রকৃত কারণ জানা যাবে। মৃতদেহটি ময়নাতদন্তের পর পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।



