নিজস্ব প্রতিনিধি, আরামবাগ: এ যেন ছিল রুমাল হয়ে গেল বিড়াল। হাসপাতালের ঘর। কিন্তু, তা পরিণত হয় ধানের গুদামে! অভিযোগের তির এক সিভিক ভলান্টিয়ারের বিরুদ্ধে। খানাকুল গ্রামীণ হাসপাতালের বিষয়টি সামনে আসতেই ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়। বিষয়টি জানাজানি হতেই দ্রুত সেখান থেকে ধানের বস্তা সরিয়ে ফেলা হয়।
Advertisement
হাসপাতাল ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, খানাকুল গ্রামীণ হাসপাতালে ওই থানারই সিভিক ভলান্টিয়ার কার্তিক বাগ কর্মরত ছিলেন। অভিযোগ, তিনি হাসপাতাল চত্বরে থাকা জেনারেটর রুম লাগোয়া একটি ঘরে কিছু ধানের বস্তা রেখেছিলেন। তা নিয়েই শোরগোল পড়ে। এব্যাপারে অবশ্য তিনি সাফাই দিয়ে বলেন, বন্যা পরিস্থিতির সময় বাড়িতে জল ঢুকে গিয়েছিল। কিছু ধান নষ্টও হয়ে যায়। প্রায় ১০ বস্তার মতো ধান নষ্ট হওয়ার মুখ থেকে বাঁচাতে পেরেছিলাম। সেগুলি বিএমওএইচের অনুমতি নিয়েই ওই ঘরে রেখেছিলাম। তাঁর নির্দেশে আবার সরিয়েও নিয়েছি। এখন আর হাসপাতালে ডিউটিও করি না। আগামী দিনেও সেখানে ধানের বস্তা রাখা হবে না।
রবিবার হাসপাতালের এক কর্মী বলেন, ঘটনা জানাজানি হতেই শনিবার ও এদিন সকালে সেই ধানের বস্তাগুলি সরিয়ে নেওয়া হয়।
বিএমওএইচ সুশান্ত মজুমদার বলেন, হাসপাতালের ওই ঘরে ধানের বস্তা রাখার কোনও অনুমতিই দেওয়া হয়নি। ঘটনা জানার পরই ওই সিভিক ভলান্টিয়ারকে ডেকে তা সরিয়ে নিতে বলেছি। আগামী দিনে যাতে এরকম কোনও ঘটনা না ঘটে সেইজন্য খানাকুল থানাকেও বিষয়টি জানিয়েছি। হাসপাতাল চত্বর সব সময় নজরদারির মধ্যেই রাখা হয়। কিন্তু, ধানের বস্তা রাখার বিষয়টি জানা ছিল না।
এই ঘটনা নিয়ে অবশ্য রাজনৈতিক মহলে তরজাও শুরু হয়েছে। খানাকুলের বিজেপি বিধায়ক সুশান্ত ঘোষ বলেন, খানাকুল গ্রামীণ হাসপাতালের এই ঘটনা লজ্জাজনক। স্বাস্থ্য ব্যবস্থার হাল কেমন এর থেকেই বোঝা যায়। গ্রামের রোগীরা সেখানে চিকিৎসা পরিষেবা পান না। ওষুধ পান না। সেখানে ওই হাসপাতালেরই একটি ঘর ধানের গুদামে পরিণত করা হয়েছে। স্বাস্থ্যদপ্তরের কোনও ভূমিকাই নেই।
পাল্টা আরামবাগের তৃণমূল সাংসদ মিতালি বাগ বলেন, বিজেপির অভিযোগ ভিত্তিহীন। আগের তুলনায় এখন প্রত্যেকটি হাসপাতালেই রোগীরা পরিষেবা পান। হাসপাতালের ঘরে ধানের বস্তা রাখার বিষয়টি স্বাস্থ্যদপ্তরকে খতিয়ে দেখতে বলব। কোন পরিস্থিতিতে রাখা হয়েছিল তাও খতিয়ে দেখতে হবে।
রবিবার হাসপাতালের এক কর্মী বলেন, ঘটনা জানাজানি হতেই শনিবার ও এদিন সকালে সেই ধানের বস্তাগুলি সরিয়ে নেওয়া হয়।
বিএমওএইচ সুশান্ত মজুমদার বলেন, হাসপাতালের ওই ঘরে ধানের বস্তা রাখার কোনও অনুমতিই দেওয়া হয়নি। ঘটনা জানার পরই ওই সিভিক ভলান্টিয়ারকে ডেকে তা সরিয়ে নিতে বলেছি। আগামী দিনে যাতে এরকম কোনও ঘটনা না ঘটে সেইজন্য খানাকুল থানাকেও বিষয়টি জানিয়েছি। হাসপাতাল চত্বর সব সময় নজরদারির মধ্যেই রাখা হয়। কিন্তু, ধানের বস্তা রাখার বিষয়টি জানা ছিল না।
এই ঘটনা নিয়ে অবশ্য রাজনৈতিক মহলে তরজাও শুরু হয়েছে। খানাকুলের বিজেপি বিধায়ক সুশান্ত ঘোষ বলেন, খানাকুল গ্রামীণ হাসপাতালের এই ঘটনা লজ্জাজনক। স্বাস্থ্য ব্যবস্থার হাল কেমন এর থেকেই বোঝা যায়। গ্রামের রোগীরা সেখানে চিকিৎসা পরিষেবা পান না। ওষুধ পান না। সেখানে ওই হাসপাতালেরই একটি ঘর ধানের গুদামে পরিণত করা হয়েছে। স্বাস্থ্যদপ্তরের কোনও ভূমিকাই নেই।
পাল্টা আরামবাগের তৃণমূল সাংসদ মিতালি বাগ বলেন, বিজেপির অভিযোগ ভিত্তিহীন। আগের তুলনায় এখন প্রত্যেকটি হাসপাতালেই রোগীরা পরিষেবা পান। হাসপাতালের ঘরে ধানের বস্তা রাখার বিষয়টি স্বাস্থ্যদপ্তরকে খতিয়ে দেখতে বলব। কোন পরিস্থিতিতে রাখা হয়েছিল তাও খতিয়ে দেখতে হবে।



