সংবাদদাতা, বহরমপুর: নাবালিকা অবস্থায় সাত মাস আগে বিয়ে হলেও সে বিয়ে চারদিনের বেশি টেকেনি। বাপের বাড়ি ফিরে এসে ফের স্কুলে ভর্তি হয়েছিল। সোমবার বাসন না মাজার জন্য মা বকাবকি করায় অভিমানে কীটনাশক খেয়ে আত্মঘাতী হল দশম শ্রেণির এক ছাত্রী। সোমবার সন্ধ্যায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় ছাত্রীর মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যু হয়। মৃতের নাম সুমাইয়া পারভিন(১৭)। বাড়ি হরিহরপাড়া থানার বহরানে। অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করা হয়েছে বলে জানিয়েছে হরিহরপাড়া থানার পুলিস।
Advertisement
মৃতের পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, সাত মাস আগে স্কুলছুট সুমাইয়ার গ্রামেই বিয়ে দেন তার পরিবার। বিয়ের চারদিন পর বাপের বাড়ি এসে আর শ্বশুরবাড়িতে ফিরে যায়নি। বারুইপাড়া হাইস্কুলে ভর্তি হয়েছিল। মৃতের মা নুরনেহার বিবি বলেন, সোমবার সকালে বাসন মাজার জন্য বলেছিলাম। মেয়ে জবাব দেওয়ায় বকাবকি করেছিলাম। অভিমানে বাড়িতে রাখা সব্জি চাষের কীটনাশক খায়। ঘরে ঢুকে কীটনাশক খেয়ে নিজেই মাকে জানায় সুমাইয়া। সঙ্গে সঙ্গে উদ্ধার করে বহরান গ্রামীণ হাসপাতালে আনা হলে চিকিৎসক মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন। মৃতের আত্মীয় খালেক শেখ বলেন, বয়সের আগে বিয়ে দেওয়াটা আমাদের প্রথম ভুল ছিল। সোমবার সংসারের কাজে মাকে সাহায্য না করায় মা বকাবকি করেছিল। তাতেই অভিমানে আত্মঘাতী হয়েছে।



