সংবাদদাতা, ধূপগুড়ি: আঠারো লক্ষ টাকা ঋণ নিয়েও হিমঘর তৈরি করেননি পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি। আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ উঠল ধূপগুড়ি পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি অর্চনা সূত্রধরের বিরুদ্ধে। বিষয়টি নিয়ে কিছুদিন আগে বিজেপি গ্রামে মিছিল করে। ধূপগুড়ির বিডিও সঞ্জয় প্রধান বলেন, পুরো বিষয়টি নিয়ে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। যদিও অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি।
Advertisement
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রান্তিক কৃষকদের সহায়তার সোলার মিনি কোল্ড স্টোরেজ গড়ার উদ্যোগ নিয়েছিল জলপাইগুড়ি জেলা প্রশাসন। ২০২২ সালের মাঝামাঝি সময়ে ধূপগুড়ি ব্লকের বারোঘরিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের পথের সাথী মহিলা স্বনির্ভর গোষ্ঠীর অ্যাকাউন্টে ঋণ বাবদ ১৮ লাখ টাকা দেওয়া হয়। অভিযোগ, দু’বছরে মধ্যে হিমঘর গড়া হবে বলা হয়েছিল। কিন্তু হিমঘর তো দূরের কথা এক কোদাল মাটিও কাটা হয়নি। টাকারও হদিশ নেই।
আর সেই টাকা নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ উঠছে সেসময়ের স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সভানেত্রী তথা বর্তমান ধূপগুড়ির পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি অর্চনা সূত্রধরের বিরুদ্ধে। যদিও অর্চনা বলেন, মিনি কোল্ড স্টোরেজ তৈরি করার জন্য প্রশাসন এক প্রকার বাধ্য করেছিল। ঋণ পাওয়ার পর অসমের এক ব্যক্তিকে যন্ত্রাংশ কেনা বাবদ ১২ লক্ষ টাকা পাঠাই। কিন্তু কিছুদিন পর ওই ব্যক্তি ফোন রিসিভ করা বন্ধ করে দেয়। আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ ভিত্তিহীন। বাকি টাকার ব্যাপারে আমি বলতে পারব না।
এদিকে, দীর্ঘ দু’বছর ধরে ঋণের সুদ মেটাতে হচ্ছে গোষ্ঠীর মহিলাদের। স্থানীয় বিজেপি নেতা নরেশ রায় বলেন, সম্পূর্ণ টাকা পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি আত্মসাৎ করেছেন। যন্ত্রাংশ কেনার জন্য যাকে টাকা পাঠিয়েছিলেন, তার কোনও ডকুমেন্ট দেখাতে পারেনি। দু’বছর পরেও যন্ত্রাংশ এল না, তারপরেও কেন তাঁর বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না, এটা আমাদের প্রশ্ন।
পুরো বিষয়টি নিয়ে পুলিসি তদন্তের দাবি করেছেন গোষ্ঠীর এক মহিলা। তাঁর দাবি, ঋণের টাকা কীভাবে, কোথায়, কার কাছে গেল তার সবটা নিয়েই চরম ধোঁয়াশা। তদন্ত হলে প্রকৃত ঘটনা বেরিয়ে আসবে। পথের সাথী মহিলা স্বর্নিভর গোষ্ঠীর বর্তমান সম্পাদিকা রেণুকা রায়ের বক্তব্য, যন্ত্রপাতি সরবরাহকারীর সঙ্গে কিছু সমস্যা হয়েছে। জায়গা নিয়েও কিছু জটিলতা রয়েছে। সেই কারণেই আজও হিমঘর হয়নি। যদিও বিষয়টি নিয়ে পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতির দল তৃণমূলের কেউ মুখ খুলতে চায়নি।
আর সেই টাকা নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ উঠছে সেসময়ের স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সভানেত্রী তথা বর্তমান ধূপগুড়ির পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি অর্চনা সূত্রধরের বিরুদ্ধে। যদিও অর্চনা বলেন, মিনি কোল্ড স্টোরেজ তৈরি করার জন্য প্রশাসন এক প্রকার বাধ্য করেছিল। ঋণ পাওয়ার পর অসমের এক ব্যক্তিকে যন্ত্রাংশ কেনা বাবদ ১২ লক্ষ টাকা পাঠাই। কিন্তু কিছুদিন পর ওই ব্যক্তি ফোন রিসিভ করা বন্ধ করে দেয়। আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ ভিত্তিহীন। বাকি টাকার ব্যাপারে আমি বলতে পারব না।
এদিকে, দীর্ঘ দু’বছর ধরে ঋণের সুদ মেটাতে হচ্ছে গোষ্ঠীর মহিলাদের। স্থানীয় বিজেপি নেতা নরেশ রায় বলেন, সম্পূর্ণ টাকা পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি আত্মসাৎ করেছেন। যন্ত্রাংশ কেনার জন্য যাকে টাকা পাঠিয়েছিলেন, তার কোনও ডকুমেন্ট দেখাতে পারেনি। দু’বছর পরেও যন্ত্রাংশ এল না, তারপরেও কেন তাঁর বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না, এটা আমাদের প্রশ্ন।
পুরো বিষয়টি নিয়ে পুলিসি তদন্তের দাবি করেছেন গোষ্ঠীর এক মহিলা। তাঁর দাবি, ঋণের টাকা কীভাবে, কোথায়, কার কাছে গেল তার সবটা নিয়েই চরম ধোঁয়াশা। তদন্ত হলে প্রকৃত ঘটনা বেরিয়ে আসবে। পথের সাথী মহিলা স্বর্নিভর গোষ্ঠীর বর্তমান সম্পাদিকা রেণুকা রায়ের বক্তব্য, যন্ত্রপাতি সরবরাহকারীর সঙ্গে কিছু সমস্যা হয়েছে। জায়গা নিয়েও কিছু জটিলতা রয়েছে। সেই কারণেই আজও হিমঘর হয়নি। যদিও বিষয়টি নিয়ে পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতির দল তৃণমূলের কেউ মুখ খুলতে চায়নি।



