সংবাদদাতা, হলদিবাড়ি: ডিউটিতে থাকাকালীন এক সরকারি কর্মীকে মারধর করার অভিযোগ দায়ের হল হলদিবাড়ি থানায়। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছে অভিযুক্ত ব্যক্তি। মঙ্গলবার ঘটনাটি ঘটে হলদিবাড়ি ভূমিদপ্তরের সামনে। পুলিস অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে।
Advertisement
বিএলআরও অফিসে যাওয়ার রাস্তা সংস্কার নিয়ে ঘটনার সূত্রপাত। রাস্তা নির্মাণের জন্য রাস্তার পাশে থাকা আবর্জনা সাফাই করা হচ্ছিল। কলাগাছও কেটে ফেলা হচ্ছিল। সেই সময় তাপস অধিকারী নামে এক ব্যক্তি গাছ কাটার প্রতিবাদ করেন। তখনই বিএলআরও অফিসের কর্মীরা এসে তাপসকে চুপ থাকতে বলেন। দপ্তরের হেডক্লার্ক কমলকুমার কুণ্ডু বলেন, অফিসের সামনে ঝামেলা হচ্ছে দেখে অফিস থেকে বের হই। তখন তাপস অধিকারী নামে এক ব্যক্তি আমাকে টেনে হিঁচড়ে একটি বাড়ির ভিতরে নিয়ে গিয়ে গলা টিপে ধরে। অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। সেইসঙ্গে প্রাণনাশের হুমকি দেয়।
যদিও তাপস অধিকারী বলে, অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। আমি কোনও সরকারী কর্মীকে হেনস্তা করিনি। একব্যক্তি আমার বাড়িতে ঢুকে আমার পকেটে থাকা মোবাইল, টাকা ছিনিয়ে নেন। থানায় অভিযোগ জানিয়েছি।
আর এ খবর চাউর হতে চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে হলদিবাড়ি থানার পুলিস পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। দু’পক্ষই হলদিবাড়ি থানার লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। রাতে পুলিস তাপস অধিকারীকে গ্রেপ্তার করে। ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়েছে বলে হলদিবাড়ি থানার পুলিস জানিয়েছে।
এ বিষয়ে হলদিবাড়ির বিএলআরও ইন্দ্রজিৎ দাঁ বলেন, আমাদের অফিসের সামনে রাস্তাটি তৈরি করা হচ্ছে। একজন বাধা দিচ্ছিল। আমাদের অফিসের এক কর্মচারীকে উনি মারধর করেছে, অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেছে। তাই আমরা আইনের দ্বারস্থ হয়েছি।
যদিও তাপস অধিকারী বলে, অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। আমি কোনও সরকারী কর্মীকে হেনস্তা করিনি। একব্যক্তি আমার বাড়িতে ঢুকে আমার পকেটে থাকা মোবাইল, টাকা ছিনিয়ে নেন। থানায় অভিযোগ জানিয়েছি।
আর এ খবর চাউর হতে চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে হলদিবাড়ি থানার পুলিস পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। দু’পক্ষই হলদিবাড়ি থানার লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। রাতে পুলিস তাপস অধিকারীকে গ্রেপ্তার করে। ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়েছে বলে হলদিবাড়ি থানার পুলিস জানিয়েছে।
এ বিষয়ে হলদিবাড়ির বিএলআরও ইন্দ্রজিৎ দাঁ বলেন, আমাদের অফিসের সামনে রাস্তাটি তৈরি করা হচ্ছে। একজন বাধা দিচ্ছিল। আমাদের অফিসের এক কর্মচারীকে উনি মারধর করেছে, অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেছে। তাই আমরা আইনের দ্বারস্থ হয়েছি।



