Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬

নির্বাচনের আগে চা-শ্রমিকদের জোড়া উপহার হিমন্ত সরকারের, অসমের চা-বাগানে কি ফের পদ্ম ফুটবে?

অসমের নির্বাচনে বরাবরই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চা-বাগানগুলি। আপার অসমের প্রায় ৩৫টি বিধানসভা আসনে চা-শ্রমিকদের ব্যাপক প্রভাব।

নির্বাচনের আগে চা-শ্রমিকদের জোড়া উপহার হিমন্ত সরকারের, অসমের চা-বাগানে কি ফের পদ্ম ফুটবে?
  • ২৯ মার্চ, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

গুয়াহাটি: অসমের নির্বাচনে বরাবরই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চা-বাগানগুলি। আপার অসমের প্রায় ৩৫টি বিধানসভা আসনে চা-শ্রমিকদের ব্যাপক প্রভাব। তবে এবার বিধানসভা নির্বাচনের আগে মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মার নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকার তাদের জন্য দু’টি বড়ো ঘোষণা করেছেন। বর্তমানে শ্রমিকরা দৈনিক ২৫০ টাকা মজুরি পান। আগামী ১ এপ্রিল থেকে তা বেড়ে ২৮০ টাকা হবে। অর্থাৎ ৯ এপ্রিল, ভোটের দিনের ঠিক আগে চা-বাগান শ্রমিকদের দৈনিক মজুরি বৃদ্ধি পাচ্ছে ৩০ টাকা। পাশাপাশি তাদের পূর্বপুরুষদের দীর্ঘদিনের বাস যে জমিতে, সেটির মালিকানাও দেওয়ার ঘোষণাও করা হয়েছে। ‘মিশন বসুন্ধরা’ প্রকল্পের আওতায় রাজ্য সরকার চা-বাগানের শ্রমিকদের জমির লিজ দিচ্ছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ৭৬০টি বাগানের প্রায় ৩.৫ লক্ষ পরিবার জমির অধিকার পাবে। 

Advertisement

বিরোধীরা যদি আরও বেশি মজুরি বৃদ্ধির প্রতিশ্রুতি দেয়, তাহলে কি পরিস্থিতি বদলাবে? অধিকাংশ শ্রমিকের মতে, তাঁরা বর্তমান সরকারের কাছ থেকেই তা আশা করছেন। প্রাক্তন টি বোর্ড চেয়ারম্যান পি কে বেজবরুয়া বলেন, ‘২০১৬ সাল থেকে বিজেপি সরকার চা-বাগান এলাকায় উন্নয়নমূলক কাজ করেছে। আগে নানা নিয়মের অজুহাতে প্রকল্প আটকে রাখা হতো।’ তাঁর দাবি,  জমির লিজ পাওয়া বা মজুরি বৃদ্ধির ফলে বিজেপির ভিত্তি আরও শক্ত হল। প্রায় ২০০ বছর আগে ব্রিটিশরা চা চাষের জন্য ভারতের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আদিবাসীদের এখানে নিয়ে এসেছিল। এখন তাদের উত্তরসূরিরা জমির মালিক হচ্ছেন। যদিও তাঁদের তফসিলি জনজাতি (এসটি) স্বীকৃতির দাবি এখনও মুলতুবি রয়েছে। তা নিয়ে অসমের বিজেপি সরকারকে হামেশাই আক্রমণ করে কংগ্রেস। তবে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু আক্রমণ পরিস্থিতি বদলানো যাবে না। বর্তমান পরিস্থিতি বলছে, চা-বাগানে পদ্মের চাষ ভালই হচ্ছে। আগামী নির্বাচনে গোটা রাজ্যে এর প্রভাব দেখা যাবে।

সম্পর্কিত সংবাদ