নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: নির্বিঘ্নে কাটল মাধ্যমিক পরীক্ষার প্রথম দিন। জীবনের প্রথন বড় পরীক্ষায় পড়ুয়া, শিক্ষক বা পরীক্ষা কেন্দ্র, কোনও পক্ষেই অভিযোগ তোলা হয়নি। মধ্যশিক্ষা পর্ষদের সভাপতি রামানুজ গঙ্গোপাধ্যায়ের মাইকেল নগর শিক্ষা নিকেতনে পরিদর্শনে আসেন। তাঁর দাবি, দু’একটি বিক্ষিপ্ত ঘটনা ছাড়া মোটের উপর রাজ্যে ভালোভাবে পরীক্ষা শুরু হয়েছে।
Advertisement
নির্ধারিত সময়ে অ্যাডমিট কার্ড আসেনি বলে কলকাতা হাইকোর্টে আবেদন করেছিল কিছু পরীক্ষার্থী। পরীক্ষার প্রথম দিন উলটপুরাণ দেখা গেল। রায়দিঘির এক মামলাকারী পরীক্ষার্থী নিজেই শেষ পর্যন্ত পরীক্ষা দিল না। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে অ্যাডমিট কার্ডের জন্য এনরোলমেন্ট পোর্টালে ১৩৬টি স্কুল থেকে ১৮১ জন আবেদন জানিয়েছিল। গত শনিবার ১৪১ জন ও রবিবার ১৬ জন অ্যাডমিট কার্ড নিয়ে গিয়েছে। কিন্তু দেখা যায়, ২০টি স্কুল থেকে ২৪ জন পরীক্ষার্থীর কার্ড তোলা হয়নি। এদের মধ্যেই রায়দিঘির এক মামলাকারী ছিল। বনগাঁয় একটি স্কুলের তিন ছাত্রীর মাধ্যমিক অনিশ্চিত হয়ে পড়েছিল। হাইকোর্টের নির্দেশে দুই ছাত্রী এদিন পরীক্ষা দেয়। আর এক ছাত্রী আগামী বছর দেবে।
শহর কলকাতায় নির্বিঘ্নেই কেটেছে প্রথম দিনের পরীক্ষা। যাদবপুর, বাঘাযতীন এলাকায় পরীক্ষা শেষে বাস-অটো পেতে বেগ পেতে হয় পরীক্ষার্থীদের। উত্তর কলকাতার বেথুনে স্কুলে যমজ বোনেকে এক্সাম বোর্ড নিয়ে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। মা সঙ্গে সঙ্গে ট্রান্সপারেন্ট বোর্ড কিনে দেন। পড়ুয়ারা ঠনঠনিয়া কালীমন্দিরে পুজোও দিয়েছে। ভাঙড়, বেহালা, কসবা এলাকায় মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের সাহায্যে এগিয়ে আসেন স্থানীয় পুলিস। বনগাঁ পুরসভার পক্ষ থেকে মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের বিনামূল্যে বাড়ি ফেরার ব্যবস্থা করা হয়। বারাকপুর স্টেশন থেকে মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা করেছিল অটোচালকরা। ডায়মন্ডহারবারে তৃণমূলের তরফে বিনামূল্যে টোটো পরিষেবা চালু করেছিল। বজবজের সারেঙ্গাবাদ হাইস্কুলে পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা হলে ঢোকার আগে গোলাপ ফুল হাতে দেওয়া হল। নিমতায় ছাত্রের বাড়ি থেকে অ্যাডমিট এনে দেয় পুলিস।
হাবড়ার রাউতাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের লক্ষ্মীপুরে মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী শাবনুর বিশ্বাস জামাকাপড় তোলার সময় হঠাৎ পা পিছলে ছাদ থেকে পড়ে যায়। গুরুতর অসুস্থ হওয়ায় পরীক্ষা দেওয়া হল না তার। হাবড়ায় দু’জন পরীক্ষার্থী দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। হাসপাতালে বসেই পরীক্ষা দেয় তারা। অশোকনগরে পরীক্ষা কেন্দ্রে যাওয়ার সময় দুটি বাইকের সংঘর্ষে জখম দুই মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী ছাত্রী ও বাইক চালক। আহত তিনজনকে নিয়ে যাওয়া হয় অশোকনগর সব্দালপুর গ্রামীণ হাসপাতালে। আহত দুই পরীক্ষার্থীর নাম সানিয়া সুলতানা ও সানিয়া পারভিন। অশোকনগর থানার রাজিবপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের জঙ্গলপুর কাঠমিল এলাকায় দুর্ঘটনা ঘটে। চুঁচুড়ার চকবাজারের এক দৃষ্টিহীন দম্পতির মেয়ে স্নেহা হালদার পরীক্ষা দেয়। পরীক্ষা কেন্দ্র খুঁজে না পেয়ে বিপন্ন এক পরীক্ষার্থীর সহায় হলেন ডানকুনির পুলিস অফিসার। হুগলিতে প্রথমদিনই পাঁচজন পরীক্ষার্থী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থেকে পরীক্ষা দিয়েছে। অসুস্থ হয়ে পড়ার কারণে পরীক্ষা কেন্দ্রেই চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে পরীক্ষা দিয়েছে আরও চারজন পরীক্ষার্থী।
শহর কলকাতায় নির্বিঘ্নেই কেটেছে প্রথম দিনের পরীক্ষা। যাদবপুর, বাঘাযতীন এলাকায় পরীক্ষা শেষে বাস-অটো পেতে বেগ পেতে হয় পরীক্ষার্থীদের। উত্তর কলকাতার বেথুনে স্কুলে যমজ বোনেকে এক্সাম বোর্ড নিয়ে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। মা সঙ্গে সঙ্গে ট্রান্সপারেন্ট বোর্ড কিনে দেন। পড়ুয়ারা ঠনঠনিয়া কালীমন্দিরে পুজোও দিয়েছে। ভাঙড়, বেহালা, কসবা এলাকায় মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের সাহায্যে এগিয়ে আসেন স্থানীয় পুলিস। বনগাঁ পুরসভার পক্ষ থেকে মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের বিনামূল্যে বাড়ি ফেরার ব্যবস্থা করা হয়। বারাকপুর স্টেশন থেকে মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা করেছিল অটোচালকরা। ডায়মন্ডহারবারে তৃণমূলের তরফে বিনামূল্যে টোটো পরিষেবা চালু করেছিল। বজবজের সারেঙ্গাবাদ হাইস্কুলে পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা হলে ঢোকার আগে গোলাপ ফুল হাতে দেওয়া হল। নিমতায় ছাত্রের বাড়ি থেকে অ্যাডমিট এনে দেয় পুলিস।
হাবড়ার রাউতাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের লক্ষ্মীপুরে মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী শাবনুর বিশ্বাস জামাকাপড় তোলার সময় হঠাৎ পা পিছলে ছাদ থেকে পড়ে যায়। গুরুতর অসুস্থ হওয়ায় পরীক্ষা দেওয়া হল না তার। হাবড়ায় দু’জন পরীক্ষার্থী দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। হাসপাতালে বসেই পরীক্ষা দেয় তারা। অশোকনগরে পরীক্ষা কেন্দ্রে যাওয়ার সময় দুটি বাইকের সংঘর্ষে জখম দুই মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী ছাত্রী ও বাইক চালক। আহত তিনজনকে নিয়ে যাওয়া হয় অশোকনগর সব্দালপুর গ্রামীণ হাসপাতালে। আহত দুই পরীক্ষার্থীর নাম সানিয়া সুলতানা ও সানিয়া পারভিন। অশোকনগর থানার রাজিবপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের জঙ্গলপুর কাঠমিল এলাকায় দুর্ঘটনা ঘটে। চুঁচুড়ার চকবাজারের এক দৃষ্টিহীন দম্পতির মেয়ে স্নেহা হালদার পরীক্ষা দেয়। পরীক্ষা কেন্দ্র খুঁজে না পেয়ে বিপন্ন এক পরীক্ষার্থীর সহায় হলেন ডানকুনির পুলিস অফিসার। হুগলিতে প্রথমদিনই পাঁচজন পরীক্ষার্থী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থেকে পরীক্ষা দিয়েছে। অসুস্থ হয়ে পড়ার কারণে পরীক্ষা কেন্দ্রেই চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে পরীক্ষা দিয়েছে আরও চারজন পরীক্ষার্থী।



